
জাপানে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা ১৩ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০। স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত পাওয়া খবরের ভিত্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। এ ছাড়া জাপানের নতো অঞ্চলে সংঘটিত এই ভূমিকম্পে গুরুতর আহত হয়েছে আরও অন্তত ১৪ জন।
স্থানীয় প্রশাসনের বারত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত নিহত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ জনে এবং গুরুতর আহত হয়েছে আরও ১৪ জন। নিহতদের অর্ধেকই নতো অঞ্চলের সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল ওয়াজিমার। মূলত ভূমিকম্পের পরপরই বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়লে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
গতকাল সোমবার বিকেল ৪টা ১০ মিনিটের দিকে জাপানের নতো অঞ্চলে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার এই ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পের পরপরই সুনামির আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা। প্রাথমিকভাবে অবশ্য ভূমিকম্পের মাত্রা বলা হয়েছে ৭ দশমিক ৪।
পরবর্তী কয়েক ঘণ্টায় অন্তত ১৫৫ বার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। জাপানের মিটিওরোলিজক্যাল এজেন্সি (জেএমএ) জানিয়েছে, এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৬, অপর একটি ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬। এ ছাড়া বাকি ভূমিকম্পগুলোর প্রায় সবগুলোই ছিল রিখটার স্কেলে ৩ মাত্রার ওপরে। সময় যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তীব্রতাও কমে এসেছে। তবে স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার সকালের দিকেও বেশ কয়েকবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছে জেএমএ।
জাপানের রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম জাপান টাইমস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পরপরই স্থানীয় ইশিকাওয়া, নিগাতা, তোয়োমা এবং ইয়ামাগাতা প্রিফেকচারের উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের জন্য সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। তাদের দ্রুত উপকূল ছেড়ে উঁচু এলাকায় সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, রাজধানী টোকিও থেকেও এর কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের ১০ মিনিটের মধ্যেই ১২ ফুট উচ্চতার একটি ঢেউ এসে আছড়ে পড়ে দেশটির ইশিকাওয়া প্রিফেকচারের ওয়াজিমা বন্দরে।

জাপানে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা ১৩ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০। স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত পাওয়া খবরের ভিত্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। এ ছাড়া জাপানের নতো অঞ্চলে সংঘটিত এই ভূমিকম্পে গুরুতর আহত হয়েছে আরও অন্তত ১৪ জন।
স্থানীয় প্রশাসনের বারত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত নিহত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ জনে এবং গুরুতর আহত হয়েছে আরও ১৪ জন। নিহতদের অর্ধেকই নতো অঞ্চলের সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল ওয়াজিমার। মূলত ভূমিকম্পের পরপরই বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়লে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
গতকাল সোমবার বিকেল ৪টা ১০ মিনিটের দিকে জাপানের নতো অঞ্চলে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার এই ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পের পরপরই সুনামির আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা। প্রাথমিকভাবে অবশ্য ভূমিকম্পের মাত্রা বলা হয়েছে ৭ দশমিক ৪।
পরবর্তী কয়েক ঘণ্টায় অন্তত ১৫৫ বার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। জাপানের মিটিওরোলিজক্যাল এজেন্সি (জেএমএ) জানিয়েছে, এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৬, অপর একটি ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬। এ ছাড়া বাকি ভূমিকম্পগুলোর প্রায় সবগুলোই ছিল রিখটার স্কেলে ৩ মাত্রার ওপরে। সময় যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তীব্রতাও কমে এসেছে। তবে স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার সকালের দিকেও বেশ কয়েকবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছে জেএমএ।
জাপানের রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম জাপান টাইমস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পরপরই স্থানীয় ইশিকাওয়া, নিগাতা, তোয়োমা এবং ইয়ামাগাতা প্রিফেকচারের উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের জন্য সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। তাদের দ্রুত উপকূল ছেড়ে উঁচু এলাকায় সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, রাজধানী টোকিও থেকেও এর কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের ১০ মিনিটের মধ্যেই ১২ ফুট উচ্চতার একটি ঢেউ এসে আছড়ে পড়ে দেশটির ইশিকাওয়া প্রিফেকচারের ওয়াজিমা বন্দরে।

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৯ মিনিট আগে
কঠোর দমনপীড়নের মধ্যেও ইরানের রাজধানী তেহরানের রাস্তায় শুক্রবার রাতে আবার ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। ইরান ইন্টারন্যাশনালকে দেওয়া বর্ণনায় তিনি জানান, শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভকারীরা ‘স্বৈরশাসকের মৃত্যু হোক’ স্লোগান দিচ্ছেন।
৩১ মিনিট আগে
ইরানের বিভিন্ন শহরে সাম্প্রতিক বিক্ষোভে অন্তত কয়েক ডজন মানুষ নিহত হয়েছেন বলে মানবাধিকার সংগঠন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যে জানা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার রাতের পর দেশজুড়ে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ায় প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা এখনো স্পষ্ট নয়।
৩৪ মিনিট আগে
ইউক্রেনজুড়ে কয়েক শ ড্রোন ও কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। এই হামলায় রাজধানী কিয়েভে অন্তত চারজন নিহত এবং ২৫ জন আহত হয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বাসভবনে ইউক্রেনীয় হামলার জবাবেই এই আক্রমণ চালানো হয়েছে।
৩৭ মিনিট আগে