
২০১৪ সালের ৮ মার্চ ২৩৯ জন যাত্রী নিয়ে কুয়ালালামপুর থেকে চীনের বেইজিংয়ে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের এমএইচ-৩৭০ বিমানটি। পরে বছরের পর বছর ধরে বিমান চলাচলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এবং দীর্ঘ অনুসন্ধান চালিয়েও এটির কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত একটি রহস্য হিসেবে রয়ে গেছে। তবে এই রহস্য সমাধানের দাবি করেছেন এবার অস্ট্রেলিয়ার এক বিজ্ঞানী।
তাসমানিয়ান গবেষক ভিনসেন্ট লিন দাবি করেছেন, তিনি নিখোঁজ এমএইচ-৭৩০ বিমানটি লুকিয়ে থাকার জন্য একটি নিখুঁত জায়গা খুঁজে পেয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, বিমানটি যেখানে পড়ে আছে সেই স্থানটি তিনি শনাক্ত করতে পেরেছেন।
একটি লিংকডিন পোস্টে ভিনসেন্ট দাবি করেছেন, বিমানটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে ব্রোকেন রিজের গভীরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ভারত মহাসাগরের অবস্থিত এই স্থানটি মূলত ২০ হাজার ফুট গভীর এক গর্ত।
ভিনসেন্ট লিন ইউনিভার্সিটি অব তাসমানিয়ার ইনস্টিটিউট ফর মেরিন অ্যান্ড অ্যান্টার্কটিক স্টাডিজে কাজ করেন। বিমানটির অবস্থানের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি জানান, আইকনিক সেই স্থানটি আসলে ব্রোকেন রিজের পূর্ব প্রান্তে অত্যন্ত রুক্ষ এবং বিপজ্জনক সামুদ্রিক পরিবেশের মধ্যে ৬ হাজার মিটারের একটি গর্ত। এই স্থান বুনো মৎস্যসম্পদ এবং অজানা নানা গভীর-জলের প্রজাতির জন্য বিখ্যাত। জায়গাটি খাঁড়া এবং বিশাল শিলা দ্বারা বেষ্টিত।
ভিনসেন্ট মনে করেন, সমুদ্রের ৬ কিলোমিটার গভীরের ওই জায়গাটির সূক্ষ্ম পলিমাটিতেই পড়ে আছে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ। বিমানটি খুঁজে পেতে ওই স্থানটি উচ্চ অগ্রাধিকার-ভিত্তিতে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
এ বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ান বিজ্ঞানী বলেন, ‘অনুসন্ধান করা হবে কি-না তা কর্মকর্তা এবং অনুসন্ধান সংস্থাগুলোর ওপর নির্ভর করে।’
উল্লেখ্য, বিমানটির ২৩৯ আরোহীর মধ্যে ২২৭ জন ছিলেন যাত্রী এবং ১২ জন ছিলেন ক্রু। নিখোঁজের পর এটিকে ভারত মহাসাগরের ১ লাখ ২০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে প্রায় তিন বছর ধরে খোঁজা হয়েছে। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে অনুসন্ধান অপারেশনটি স্থগিত করা হয়েছিল।

২০১৪ সালের ৮ মার্চ ২৩৯ জন যাত্রী নিয়ে কুয়ালালামপুর থেকে চীনের বেইজিংয়ে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের এমএইচ-৩৭০ বিমানটি। পরে বছরের পর বছর ধরে বিমান চলাচলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এবং দীর্ঘ অনুসন্ধান চালিয়েও এটির কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত একটি রহস্য হিসেবে রয়ে গেছে। তবে এই রহস্য সমাধানের দাবি করেছেন এবার অস্ট্রেলিয়ার এক বিজ্ঞানী।
তাসমানিয়ান গবেষক ভিনসেন্ট লিন দাবি করেছেন, তিনি নিখোঁজ এমএইচ-৭৩০ বিমানটি লুকিয়ে থাকার জন্য একটি নিখুঁত জায়গা খুঁজে পেয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, বিমানটি যেখানে পড়ে আছে সেই স্থানটি তিনি শনাক্ত করতে পেরেছেন।
একটি লিংকডিন পোস্টে ভিনসেন্ট দাবি করেছেন, বিমানটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে ব্রোকেন রিজের গভীরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ভারত মহাসাগরের অবস্থিত এই স্থানটি মূলত ২০ হাজার ফুট গভীর এক গর্ত।
ভিনসেন্ট লিন ইউনিভার্সিটি অব তাসমানিয়ার ইনস্টিটিউট ফর মেরিন অ্যান্ড অ্যান্টার্কটিক স্টাডিজে কাজ করেন। বিমানটির অবস্থানের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি জানান, আইকনিক সেই স্থানটি আসলে ব্রোকেন রিজের পূর্ব প্রান্তে অত্যন্ত রুক্ষ এবং বিপজ্জনক সামুদ্রিক পরিবেশের মধ্যে ৬ হাজার মিটারের একটি গর্ত। এই স্থান বুনো মৎস্যসম্পদ এবং অজানা নানা গভীর-জলের প্রজাতির জন্য বিখ্যাত। জায়গাটি খাঁড়া এবং বিশাল শিলা দ্বারা বেষ্টিত।
ভিনসেন্ট মনে করেন, সমুদ্রের ৬ কিলোমিটার গভীরের ওই জায়গাটির সূক্ষ্ম পলিমাটিতেই পড়ে আছে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ। বিমানটি খুঁজে পেতে ওই স্থানটি উচ্চ অগ্রাধিকার-ভিত্তিতে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
এ বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ান বিজ্ঞানী বলেন, ‘অনুসন্ধান করা হবে কি-না তা কর্মকর্তা এবং অনুসন্ধান সংস্থাগুলোর ওপর নির্ভর করে।’
উল্লেখ্য, বিমানটির ২৩৯ আরোহীর মধ্যে ২২৭ জন ছিলেন যাত্রী এবং ১২ জন ছিলেন ক্রু। নিখোঁজের পর এটিকে ভারত মহাসাগরের ১ লাখ ২০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে প্রায় তিন বছর ধরে খোঁজা হয়েছে। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে অনুসন্ধান অপারেশনটি স্থগিত করা হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় একটি মোটেলে মাদক ও যৌনব্যবসার অভিযোগে এক ভারতীয় দম্পতিসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ফেডারেল ও স্থানীয় গোয়েন্দাদের যৌথ অভিযানে ওই অপরাধ চক্রের মূল আস্তানা হিসেবে পরিচিত মোটেলটিতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন যুদ্ধ পরবর্তী গাজার শাসনব্যবস্থা এবং পুনর্গঠন তদারকি করার জন্য ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোতে যোগ দেওয়ার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া জাপানের সাগর উপকূলে নিইগাতা প্রিফেকচারের ৪ দশমিক ২ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে অবস্থিত। সাতটি রিঅ্যাক্টর পুরোপুরি চালু থাকলে কেন্দ্রটি সর্বোচ্চ ৮ দশমিক ২ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে, যা লাখ লাখ পরিবারের বিদ্যুৎ চাহিদা মেট
২ ঘণ্টা আগে
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ইউরোপীয় ইউনিয়নকে তাদের তথাকথিত ‘অ্যান্টি-কোয়ারশন ইনস্ট্রুমেন্ট’ সক্রিয় করার আহ্বান জানান। অনানুষ্ঠানিকভাবে একে বলা হয় ‘ট্রেড বাজুকা’। এই ব্যবস্থার আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশ সীমিত করতে পারে বা রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে...
৪ ঘণ্টা আগে