আজকের পত্রিকা ডেস্ক

এবার প্রকাশ্যে এলেন জেন-জি আন্দোলনে পদত্যাগ করা নেপালের প্রধানমন্ত্রী ও কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপালের (সিপিএন–ইউএমএল) চেয়ারম্যান কে পি শর্মা অলি। ঘোষণা দিয়েছেন, নেপালকে বর্তমান সরকারের হাতে ছেড়ে দিয়ে পালাবেন না তিনি। তবে জেন-জি আন্দোলনের সময় ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো তদন্তের জন্য গঠিত অনুসন্ধান কমিশন সাবেক প্রধানমন্ত্রী অলিসহ অন্তত পাঁচজনের পাসপোর্ট সাময়িকভাবে আটকে দেওয়ার সুপারিশ করেছে।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) কমিশনের বৈঠকে এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র জানিয়েছে। অলি সহ অন্য যাদের পাসপোর্ট আটকে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে তারা হলেন—সাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক, সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব গোকর্ণ মণি দুবাদি, সাবেক জাতীয় তদন্ত বিভাগের প্রধান হুতরাজ থাপা ও কাঠমান্ডুর সাবেক প্রধান জেলা প্রশাসক ছবি রিজাল।
কমিশন ইতিমধ্যে পাসপোর্ট বিভাগে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন কমিশনের অনুমতি ছাড়া উল্লিখিত ব্যক্তিরা কাঠমান্ডু উপত্যকা ত্যাগ করতে না পারেন।
চলতি মাসের শুরুর দিকে জেন-জিদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন অলি। পরে একটি সেনাশিবিরের আশ্রয়ে ছিলেন। সম্প্রতি নেপালি সংবাদমাধ্যম ‘সেতোপতি’ জানিয়েছে, ৯ দিন নেপালের সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা সুরক্ষায় থাকার পর গত ১৮ সেপ্টেম্বর তিনি গুন্ডুতে ভাড়া বাসায় ওঠেন। এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর বিক্ষোভকারীরা তাঁর সরকারি বাসভবন পুড়িয়ে দিয়েছিল।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) নেপালের ভক্তপুরের গুন্ডু এলাকায় ইউএমএলের যুব শাখার এক সমাবেশে প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে এসে বক্তব্য দিয়েছেন অলি। তিনি বলেন, ‘আপনারা কি ভাবছেন দেশকে আমরা এই ভিত্তিহীন সরকারের হাতে ছেড়ে দিয়ে পালাব? কোনো দিন না।’
দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে অলি বলেন, ‘আমরাই এই দেশ গড়ে তুলব। আমরা দেশকে আবার সাংবিধানিক ধারায় ফিরিয়ে আনব, শান্তি ও সুশাসন ফিরিয়ে আনব।’
নেপালের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কারকির নেতৃত্বাধীন সরকারকে ‘জনসমর্থনহীন’ আখ্যা দিয়ে সরকার বলে আখ্যা দিয়ে অলি বলেন, ‘এই সরকার জনগণের ভোটে নয়; বরং লুটপাট, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।’
অলি দাবি করেন—তিনি কোনো ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। আন্দোলনের সময় তিনি প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীকে যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন, তাঁর রেকর্ডিং প্রকাশ করতে তিনি সুশীলা কারকির সরকারের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন।

এবার প্রকাশ্যে এলেন জেন-জি আন্দোলনে পদত্যাগ করা নেপালের প্রধানমন্ত্রী ও কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপালের (সিপিএন–ইউএমএল) চেয়ারম্যান কে পি শর্মা অলি। ঘোষণা দিয়েছেন, নেপালকে বর্তমান সরকারের হাতে ছেড়ে দিয়ে পালাবেন না তিনি। তবে জেন-জি আন্দোলনের সময় ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো তদন্তের জন্য গঠিত অনুসন্ধান কমিশন সাবেক প্রধানমন্ত্রী অলিসহ অন্তত পাঁচজনের পাসপোর্ট সাময়িকভাবে আটকে দেওয়ার সুপারিশ করেছে।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) কমিশনের বৈঠকে এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র জানিয়েছে। অলি সহ অন্য যাদের পাসপোর্ট আটকে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে তারা হলেন—সাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক, সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব গোকর্ণ মণি দুবাদি, সাবেক জাতীয় তদন্ত বিভাগের প্রধান হুতরাজ থাপা ও কাঠমান্ডুর সাবেক প্রধান জেলা প্রশাসক ছবি রিজাল।
কমিশন ইতিমধ্যে পাসপোর্ট বিভাগে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন কমিশনের অনুমতি ছাড়া উল্লিখিত ব্যক্তিরা কাঠমান্ডু উপত্যকা ত্যাগ করতে না পারেন।
চলতি মাসের শুরুর দিকে জেন-জিদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন অলি। পরে একটি সেনাশিবিরের আশ্রয়ে ছিলেন। সম্প্রতি নেপালি সংবাদমাধ্যম ‘সেতোপতি’ জানিয়েছে, ৯ দিন নেপালের সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা সুরক্ষায় থাকার পর গত ১৮ সেপ্টেম্বর তিনি গুন্ডুতে ভাড়া বাসায় ওঠেন। এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর বিক্ষোভকারীরা তাঁর সরকারি বাসভবন পুড়িয়ে দিয়েছিল।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) নেপালের ভক্তপুরের গুন্ডু এলাকায় ইউএমএলের যুব শাখার এক সমাবেশে প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে এসে বক্তব্য দিয়েছেন অলি। তিনি বলেন, ‘আপনারা কি ভাবছেন দেশকে আমরা এই ভিত্তিহীন সরকারের হাতে ছেড়ে দিয়ে পালাব? কোনো দিন না।’
দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে অলি বলেন, ‘আমরাই এই দেশ গড়ে তুলব। আমরা দেশকে আবার সাংবিধানিক ধারায় ফিরিয়ে আনব, শান্তি ও সুশাসন ফিরিয়ে আনব।’
নেপালের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কারকির নেতৃত্বাধীন সরকারকে ‘জনসমর্থনহীন’ আখ্যা দিয়ে সরকার বলে আখ্যা দিয়ে অলি বলেন, ‘এই সরকার জনগণের ভোটে নয়; বরং লুটপাট, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।’
অলি দাবি করেন—তিনি কোনো ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। আন্দোলনের সময় তিনি প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীকে যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন, তাঁর রেকর্ডিং প্রকাশ করতে তিনি সুশীলা কারকির সরকারের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন।

ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান।
৮ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
৯ ঘণ্টা আগে