আজকের পত্রিকা ডেস্ক

সৌদি আরব ও পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তানের মধ্যকার পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে সক্রিয় তদবির চালাচ্ছে তুরস্ক। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন সামরিক জোট গড়ে উঠতে পারে এমন এক সময়ে, যখন উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। লন্ডন থেকে প্রকাশিত মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
গত শুক্রবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ এক প্রতিবেদনে জানায়, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান আলোচনা এখন ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির’ অবস্থানে রয়েছে এবং একটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা ‘ব্যাপক’। আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।
এদিকে ইসলামাবাদ যে ক্রমেই আঙ্কারা ও রিয়াদের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে, তার আরেকটি ইঙ্গিত দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। শুক্রবার বার্তা সংস্থাটি জানায়, পাকিস্তান সৌদি আরব ও তুরস্ক-সমর্থিত সুদানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে ১৫০ কোটি ডলারের একটি অস্ত্রচুক্তি চূড়ান্ত করার দ্বারপ্রান্তে। সুদানের সেনাবাহিনী বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সমর্থিত আধা সামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) বিরুদ্ধে লড়াই করছে।
রয়টার্সের তথ্যমতে, পাকিস্তান সুদানের সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহানের বাহিনীকে ১০টি কারাকোরাম-৮ হালকা অ্যাটাক ফাইটার জেট, নজরদারি ও কামিকাজে হামলার জন্য ২০০টির বেশি ড্রোন এবং উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সরবরাহ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল আমির মাসুদ রয়টার্সকে বলেন, এই অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি কার্যত ‘চূড়ান্ত’ এবং এর আওতায় জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানও থাকতে পারে।
যদি পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরব একটি ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে, তাহলে তা অঞ্চলটির তিনটি বৃহৎ রাষ্ট্রকে এক সুতায় বাঁধবে, যাদের প্রত্যেকেরই রয়েছে স্বতন্ত্র কৌশলগত শক্তি। তেলসমৃদ্ধ সৌদি আরব আরব বিশ্বের একমাত্র জি-২০ অর্থনীতি এবং ইসলাম ধর্মের দুই পবিত্রতম স্থান মক্কা ও মদিনার নিয়ন্ত্রক দেশ। পাকিস্তান মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ। আর ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত তুরস্কের রয়েছে ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনী।
ইসলামাবাদ ও আঙ্কারা উভয়ই এখন দ্রুতগতিতে বড় অস্ত্র উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হচ্ছে। তুরস্ক ইউক্রেনে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য ড্রোন সরবরাহ করেছে। একই সঙ্গে দেশটি সিরিয়ায় প্রধান সামরিক মিত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এবং লিবিয়ায়ও তুর্কি সেনা মোতায়েন রয়েছে।
অর্থনৈতিক সংকটে থাকা পাকিস্তান তার সামরিক দক্ষতাকে অর্থনৈতিক লাভে রূপান্তর করার চেষ্টা করছে। গত ডিসেম্বরে দেশটি লিবিয়ার জেনারেল খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির সঙ্গে ৪০০ কোটি ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে, যার আওতায় ১৬টি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের কথা রয়েছে।
রয়টার্স চলতি সপ্তাহের শুরুতে জানায়, পাকিস্তান ও সৌদি আরব প্রায় ২০০ কোটি ডলারের সৌদি ঋণকে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তিতে রূপান্তর করার বিষয়ে আলোচনা করছে। এসব যুদ্ধবিমান চীন ও পাকিস্তানের যৌথ উদ্যোগে উৎপাদিত।
ঐতিহাসিকভাবে পাকিস্তানের সঙ্গে সৌদি আরব ও তুরস্ক উভয়েরই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তবে সৌদি আরব ও তুরস্কের সম্পর্ক সব সময় মসৃণ ছিল না। আরব বসন্তের সময় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান গণ-আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানান, যা সৌদি আরব তাদের রাজতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার জন্য হুমকি হিসেবে দেখেছিল। প্রায় এক দশক আগে সৌদি আরব ও ইউএই লিবিয়ায় তুরস্কের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে এক জোট হয়। তারা মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিকেও সমর্থন দেয়, যিনি একজন সাবেক সেনাপ্রধান এবং যাকে একসময় এরদোয়ান প্রকাশ্যে নিন্দা করেছিলেন।
তবে মধ্যপ্রাচ্যের জোট রাজনীতি বারবার দিক বদলেছে। গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ, যা জাতিসংঘ, মানবাধিকার সংগঠন ও ইতিহাসবিদদের মতে একটি গণহত্যা এবং লেবানন, সিরিয়া ও ইরানের ওপর বিস্তৃত হামলা নিয়ে যৌথ উদ্বেগের কারণে এরদোয়ান ও সিসির মধ্যে আবারও ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে।
সৌদি আরব ও তুরস্ক ২০২১ সালের দিকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক মেরামতের পথে হাঁটতে শুরু করে। সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়ার মতো উত্তপ্ত ইস্যুতেও দুই দেশ কৌশলগতভাবে কাছাকাছি এসেছে। এরদোয়ান ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান একসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সরকারের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য লবিং করেন। তুরস্ক ও সৌদি আরব সুদানের গৃহযুদ্ধেও একই পক্ষকে সমর্থন দিচ্ছে। সেখানে সুদানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইউএই-সমর্থিত আরএসএফের রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে।
এদিকে সৌদি আরব ও ইউএইর দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বে বড় ধরনের ফাটল ধরেছে। ইয়েমেনে সৌদি আরব ইউএইর মিত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের (এসটিসি) বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে রিয়াদ-সমর্থিত বাহিনী ইয়েমেন থেকে এসটিসি ও ইউএইকে কার্যত বিতাড়িত করেছে।

সৌদি আরব ও পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তানের মধ্যকার পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে সক্রিয় তদবির চালাচ্ছে তুরস্ক। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন সামরিক জোট গড়ে উঠতে পারে এমন এক সময়ে, যখন উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। লন্ডন থেকে প্রকাশিত মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
গত শুক্রবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ এক প্রতিবেদনে জানায়, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান আলোচনা এখন ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির’ অবস্থানে রয়েছে এবং একটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা ‘ব্যাপক’। আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।
এদিকে ইসলামাবাদ যে ক্রমেই আঙ্কারা ও রিয়াদের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে, তার আরেকটি ইঙ্গিত দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। শুক্রবার বার্তা সংস্থাটি জানায়, পাকিস্তান সৌদি আরব ও তুরস্ক-সমর্থিত সুদানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে ১৫০ কোটি ডলারের একটি অস্ত্রচুক্তি চূড়ান্ত করার দ্বারপ্রান্তে। সুদানের সেনাবাহিনী বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সমর্থিত আধা সামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) বিরুদ্ধে লড়াই করছে।
রয়টার্সের তথ্যমতে, পাকিস্তান সুদানের সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহানের বাহিনীকে ১০টি কারাকোরাম-৮ হালকা অ্যাটাক ফাইটার জেট, নজরদারি ও কামিকাজে হামলার জন্য ২০০টির বেশি ড্রোন এবং উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সরবরাহ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল আমির মাসুদ রয়টার্সকে বলেন, এই অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি কার্যত ‘চূড়ান্ত’ এবং এর আওতায় জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানও থাকতে পারে।
যদি পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরব একটি ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে, তাহলে তা অঞ্চলটির তিনটি বৃহৎ রাষ্ট্রকে এক সুতায় বাঁধবে, যাদের প্রত্যেকেরই রয়েছে স্বতন্ত্র কৌশলগত শক্তি। তেলসমৃদ্ধ সৌদি আরব আরব বিশ্বের একমাত্র জি-২০ অর্থনীতি এবং ইসলাম ধর্মের দুই পবিত্রতম স্থান মক্কা ও মদিনার নিয়ন্ত্রক দেশ। পাকিস্তান মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ। আর ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত তুরস্কের রয়েছে ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনী।
ইসলামাবাদ ও আঙ্কারা উভয়ই এখন দ্রুতগতিতে বড় অস্ত্র উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হচ্ছে। তুরস্ক ইউক্রেনে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য ড্রোন সরবরাহ করেছে। একই সঙ্গে দেশটি সিরিয়ায় প্রধান সামরিক মিত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এবং লিবিয়ায়ও তুর্কি সেনা মোতায়েন রয়েছে।
অর্থনৈতিক সংকটে থাকা পাকিস্তান তার সামরিক দক্ষতাকে অর্থনৈতিক লাভে রূপান্তর করার চেষ্টা করছে। গত ডিসেম্বরে দেশটি লিবিয়ার জেনারেল খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির সঙ্গে ৪০০ কোটি ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে, যার আওতায় ১৬টি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের কথা রয়েছে।
রয়টার্স চলতি সপ্তাহের শুরুতে জানায়, পাকিস্তান ও সৌদি আরব প্রায় ২০০ কোটি ডলারের সৌদি ঋণকে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তিতে রূপান্তর করার বিষয়ে আলোচনা করছে। এসব যুদ্ধবিমান চীন ও পাকিস্তানের যৌথ উদ্যোগে উৎপাদিত।
ঐতিহাসিকভাবে পাকিস্তানের সঙ্গে সৌদি আরব ও তুরস্ক উভয়েরই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তবে সৌদি আরব ও তুরস্কের সম্পর্ক সব সময় মসৃণ ছিল না। আরব বসন্তের সময় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান গণ-আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানান, যা সৌদি আরব তাদের রাজতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার জন্য হুমকি হিসেবে দেখেছিল। প্রায় এক দশক আগে সৌদি আরব ও ইউএই লিবিয়ায় তুরস্কের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে এক জোট হয়। তারা মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিকেও সমর্থন দেয়, যিনি একজন সাবেক সেনাপ্রধান এবং যাকে একসময় এরদোয়ান প্রকাশ্যে নিন্দা করেছিলেন।
তবে মধ্যপ্রাচ্যের জোট রাজনীতি বারবার দিক বদলেছে। গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ, যা জাতিসংঘ, মানবাধিকার সংগঠন ও ইতিহাসবিদদের মতে একটি গণহত্যা এবং লেবানন, সিরিয়া ও ইরানের ওপর বিস্তৃত হামলা নিয়ে যৌথ উদ্বেগের কারণে এরদোয়ান ও সিসির মধ্যে আবারও ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে।
সৌদি আরব ও তুরস্ক ২০২১ সালের দিকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক মেরামতের পথে হাঁটতে শুরু করে। সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়ার মতো উত্তপ্ত ইস্যুতেও দুই দেশ কৌশলগতভাবে কাছাকাছি এসেছে। এরদোয়ান ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান একসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সরকারের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য লবিং করেন। তুরস্ক ও সৌদি আরব সুদানের গৃহযুদ্ধেও একই পক্ষকে সমর্থন দিচ্ছে। সেখানে সুদানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইউএই-সমর্থিত আরএসএফের রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে।
এদিকে সৌদি আরব ও ইউএইর দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বে বড় ধরনের ফাটল ধরেছে। ইয়েমেনে সৌদি আরব ইউএইর মিত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের (এসটিসি) বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে রিয়াদ-সমর্থিত বাহিনী ইয়েমেন থেকে এসটিসি ও ইউএইকে কার্যত বিতাড়িত করেছে।

নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানিকে ‘নিজের চরকায় তেল দেওয়ার’ পরামর্শ দিয়ে কঠোর তিরস্কার করেছে ভারত। দিল্লিতে কারাবন্দী সাবেক ছাত্রনেতা উমর খালিদকে সংহতি জানিয়ে একটি ব্যক্তিগত চিরকুট পাঠানোয় মামদানির ওপর চটেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
১ ঘণ্টা আগে
সোমালিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহমেদ মোয়ালিম ফিকি অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করে বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল সোমালিল্যান্ডে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। এই কথিত পরিকল্পনাকে তিনি আন্তর্জাতিক আইনের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
চার বছর ধরে চলা যুদ্ধ ইউক্রেনীয়দের জীবনের প্রায় সব সিদ্ধান্তই পাল্টে দিয়েছে। সম্পর্ক, বিয়ে কিংবা সন্তান নেওয়ার মতো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তও এখন যুদ্ধের বাস্তবতায় আটকে যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে দেশের ভবিষ্যতের ওপর—ইউক্রেনে কমছে বিয়ে ও জন্মহার।
২ ঘণ্টা আগে
দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আজ রোববার জানিয়েছে, শুধু ইসফাহান প্রদেশেই পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর ৩০ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ল এনফোর্সমেন্ট কমান্ড স্পেশাল ইউনিটের কমান্ডার জানান, ৮ ও ৯ জানুয়ারি বিভিন্ন শহরে দাঙ্গা দমনের অভিযানে আটজন নিরাপত্তাকর্মী নিহত হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে