
তাইওয়ান জানিয়েছে, তাদের অ্যান্টি সাবমেরিন হেলিকপ্টার কেনার সামর্থ্য নেই। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দেশটি ইঙ্গিত দিয়েছে, খুবই ব্যয়বহুল হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি উন্নতমানের নতুন অ্যান্টি-সাবমেরিন যুদ্ধ হেলিকপ্টার কেনার পরিকল্পনা তারা ত্যাগ করেছে। বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
তাইওয়ান এর আগে জানিয়েছিল, তারা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিন করপোরেশনের তৈরি 12 MH-60R অ্যান্টি-সাবমেরিন হেলিকপ্টার কেনার পরিকল্পনা করছে। তবে দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলোর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন বলছে, যুক্তরাষ্ট্র এই দ্বীপদেশের চাহিদা ও সামর্থ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে তাইওয়ানের কাছে বিক্রির বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছে।
তাইওয়ানের পার্লামেন্টে নতুন মার্কিন অস্ত্র (হেলিকপ্টার) কেনার বিষয় সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী চিউ কুও-চেং হেলিকপ্টার কেনার বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, ‘দাম খুবই বেশি, আমাদের দেশের সামর্থ্যের বাইরে।’ এ ছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও দুই ধরনের অস্ত্র ক্রয়ও পিছিয়ে গেছে। সেগুলো হলো—M 109 A 6 মাঝারি পাল্লার অটোমেটেড হাউইটজার আর্টিলারি সিস্টেম এবং বহনযোগ্য অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট স্টিংগার মিসাইল।
চিউ কুও-চেং আরও জানিয়েছেন, এরই মধ্যে স্টিংগারের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় মূল্যও পরিশোধ করা হয়েছে। তাইওয়ান সেগুলো দ্রুত সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দেবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য না দিয়ে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা অস্ত্র ক্রয়ের বিষয়টিকে তুচ্ছ কোনো বিষয় বলে বিবেচনা করি না। আমাদের অবশ্যই ব্যাক-আপ পরিকল্পনা আছে।’
এদিকে, তাইওয়ানকে নিজস্ব ভূখণ্ড বলে ক্রমাগত দাবি করেই যাচ্ছে চীন। তবে তাইওয়ান বলছে, তারা স্বাধীন দেশ এবং তাদের অধিকার রয়েছে নিজস্ব প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার। তাই দেশটি চীনা আক্রমণ প্রতিহত করার লক্ষ্যে সামরিক বাহিনীর আধুনিকীকরণ কর্মসূচি গ্রহণ করছে।

তাইওয়ান জানিয়েছে, তাদের অ্যান্টি সাবমেরিন হেলিকপ্টার কেনার সামর্থ্য নেই। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দেশটি ইঙ্গিত দিয়েছে, খুবই ব্যয়বহুল হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি উন্নতমানের নতুন অ্যান্টি-সাবমেরিন যুদ্ধ হেলিকপ্টার কেনার পরিকল্পনা তারা ত্যাগ করেছে। বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
তাইওয়ান এর আগে জানিয়েছিল, তারা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিন করপোরেশনের তৈরি 12 MH-60R অ্যান্টি-সাবমেরিন হেলিকপ্টার কেনার পরিকল্পনা করছে। তবে দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলোর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন বলছে, যুক্তরাষ্ট্র এই দ্বীপদেশের চাহিদা ও সামর্থ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে তাইওয়ানের কাছে বিক্রির বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছে।
তাইওয়ানের পার্লামেন্টে নতুন মার্কিন অস্ত্র (হেলিকপ্টার) কেনার বিষয় সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী চিউ কুও-চেং হেলিকপ্টার কেনার বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, ‘দাম খুবই বেশি, আমাদের দেশের সামর্থ্যের বাইরে।’ এ ছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও দুই ধরনের অস্ত্র ক্রয়ও পিছিয়ে গেছে। সেগুলো হলো—M 109 A 6 মাঝারি পাল্লার অটোমেটেড হাউইটজার আর্টিলারি সিস্টেম এবং বহনযোগ্য অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট স্টিংগার মিসাইল।
চিউ কুও-চেং আরও জানিয়েছেন, এরই মধ্যে স্টিংগারের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় মূল্যও পরিশোধ করা হয়েছে। তাইওয়ান সেগুলো দ্রুত সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দেবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য না দিয়ে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা অস্ত্র ক্রয়ের বিষয়টিকে তুচ্ছ কোনো বিষয় বলে বিবেচনা করি না। আমাদের অবশ্যই ব্যাক-আপ পরিকল্পনা আছে।’
এদিকে, তাইওয়ানকে নিজস্ব ভূখণ্ড বলে ক্রমাগত দাবি করেই যাচ্ছে চীন। তবে তাইওয়ান বলছে, তারা স্বাধীন দেশ এবং তাদের অধিকার রয়েছে নিজস্ব প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার। তাই দেশটি চীনা আক্রমণ প্রতিহত করার লক্ষ্যে সামরিক বাহিনীর আধুনিকীকরণ কর্মসূচি গ্রহণ করছে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৫ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৫ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৮ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৯ ঘণ্টা আগে