
চীন ও ভারতের বিতর্কিত সীমান্তে আবার সামরিক সংঘাত হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে। মূলত, দুই দেশের সাধারণ সীমান্তে বিপুল পরিমাণ সেনা মোতায়েনের প্রেক্ষাপটে এই সতর্কবার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ১১ মার্চ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স (এনআই)।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স (এনআই) প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে ভারত ও চীনের মধ্যকার বিক্ষিপ্ত সম্পর্ক আমলে নিয়ে বলা হয়েছে, দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে অতীতের বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষগুলোর বিষয়ে ভুল-বোঝাবুঝি সহিংসতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘চীন ও ভারতের মধ্যে যে সাধারণ দ্বন্দ্বগুলো বিদ্যমান তা দেশ দুটির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতেই থাকবে। যদিও দেশ দুটি ২০২০ সালের পর সীমান্তে বড় ধরনের কোনো সংঘাতে জড়ায়নি কিন্তু উভয় দেশই সীমান্তে বিপুল পরিমাণ সেনা মজুত করেছে। এই অবস্থায় যেকোনো ভুল-বোঝাবুঝি দুই দেশের মধ্যে সশস্ত্র সংঘাত সৃষ্টি করতে পারে।’
মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানে চীনা সামরিক ঘাঁটির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে, এই দুই দেশে চীনা সামরিক বাহিনীর উপস্থিতি দেশটির জ্বালানি ও অন্যান্য কৌশলগত স্বার্থ রক্ষার জন্য রক্ষাকবচ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এদিকে, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে উভয় দেশই সীমান্তে অন্তত ৫০ হাজার করে সেনা মোতায়েন করে রেখেছে। অপরদিকে, ভারত স্পষ্ট করে বলেছে, সীমান্ত এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে না।
ভারত সরকারকে দেওয়া গোয়েন্দা তথ্য অনুসারে, ভারত ২০২০ সালে লাদাখে প্রায় ১ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা চীনা নিয়ন্ত্রণে হারিয়েছে। সেই বছরের সংঘাতের পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে ২৮ দফা আলোচনা হয়েছে। কিন্তু এসব আলোচনা অচলাবস্থা কাটাতে ব্যর্থ হয়েছে।

চীন ও ভারতের বিতর্কিত সীমান্তে আবার সামরিক সংঘাত হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে। মূলত, দুই দেশের সাধারণ সীমান্তে বিপুল পরিমাণ সেনা মোতায়েনের প্রেক্ষাপটে এই সতর্কবার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ১১ মার্চ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স (এনআই)।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স (এনআই) প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে ভারত ও চীনের মধ্যকার বিক্ষিপ্ত সম্পর্ক আমলে নিয়ে বলা হয়েছে, দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে অতীতের বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষগুলোর বিষয়ে ভুল-বোঝাবুঝি সহিংসতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘চীন ও ভারতের মধ্যে যে সাধারণ দ্বন্দ্বগুলো বিদ্যমান তা দেশ দুটির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতেই থাকবে। যদিও দেশ দুটি ২০২০ সালের পর সীমান্তে বড় ধরনের কোনো সংঘাতে জড়ায়নি কিন্তু উভয় দেশই সীমান্তে বিপুল পরিমাণ সেনা মজুত করেছে। এই অবস্থায় যেকোনো ভুল-বোঝাবুঝি দুই দেশের মধ্যে সশস্ত্র সংঘাত সৃষ্টি করতে পারে।’
মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানে চীনা সামরিক ঘাঁটির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে, এই দুই দেশে চীনা সামরিক বাহিনীর উপস্থিতি দেশটির জ্বালানি ও অন্যান্য কৌশলগত স্বার্থ রক্ষার জন্য রক্ষাকবচ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এদিকে, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে উভয় দেশই সীমান্তে অন্তত ৫০ হাজার করে সেনা মোতায়েন করে রেখেছে। অপরদিকে, ভারত স্পষ্ট করে বলেছে, সীমান্ত এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে না।
ভারত সরকারকে দেওয়া গোয়েন্দা তথ্য অনুসারে, ভারত ২০২০ সালে লাদাখে প্রায় ১ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা চীনা নিয়ন্ত্রণে হারিয়েছে। সেই বছরের সংঘাতের পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে ২৮ দফা আলোচনা হয়েছে। কিন্তু এসব আলোচনা অচলাবস্থা কাটাতে ব্যর্থ হয়েছে।

মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
৮ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
৯ ঘণ্টা আগে