
ভারত মহাসাগরে মার্কিন সাবমেরিনের টর্পেডো হামলায় বিধ্বস্ত ইরানি যুদ্ধজাহাজের অন্তত ৮০ জন আরোহী নিহত হয়েছেন। শ্রীলঙ্কার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শ্রীলঙ্কার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আক্রান্ত জাহাজটি ভারতের পূর্ব উপকূলীয় বন্দর থেকে ইরানের দিকে ফিরে যাচ্ছিল। ভারত মহাসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায় অবস্থানকালে মার্কিন সাবমেরিন থেকে এটি লক্ষ্য করে টর্পেডো ছোড়া হয়। হামলায় জাহাজটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সাগরে তলিয়ে যায় এবং এতে থাকা অন্তত ৮০ জন প্রাণ হারান।
এর আগে শ্রীলঙ্কান নৌবাহিনী জানিয়েছিল, ডুবে যাওয়া জাহাজটির নাম আইআরআইএস দেনা। জাহাজটিতে প্রায় ১৮০ জন নৌসদস্য ছিলেন। এখন পর্যন্ত ৮০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হলেও বাকিদের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা এখনো অস্পষ্ট।
এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ পেন্টাগনে আজ এক সংবাদ সম্মেলনে এই হামলাকে ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথম সফল টর্পেডো আক্রমণ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
তিনি বলেন, মার্কিন সাবমেরিনটি ইরানের ‘প্রাইজ শিপ’ সোলাইমানিকে লক্ষ্য করে টর্পেডো ছোড়ে। জাহাজটির নামকরণ করা হয়েছিল সাবেক ইরানি জেনারেল কাসেম সোলাইমানির নামে, যিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে মার্কিন হামলায় নিহত হয়েছিলেন।
তিনি বিদ্রূপ করে বলেন, ‘আমার ধারণা মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাঁকে (সোলাইমানি) দুইবার ঘায়েল করলেন।’

কলকাতার এক চিরাচরিত সকাল। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রচার চালাতে বাড়ি বাড়ি ঘুরছেন নেতা-কর্মীরা। তেমনই প্রচারে দেখা গেল ব্যারাকপুরের বিজেপি নেতা কৌস্তভ বাগচীকে। পরনে ধবধবে সাদা পাঞ্জাবি আর লাল ধুতি।
১ ঘণ্টা আগে
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনা নির্ধারিত শিডিউল অনুসারেই হবে; এমনটি জানিয়েছে পাকিস্তান সরকারের একটি সূত্র। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচক দলের অগ্রবর্তী সদস্যরা ইসলামাবাদ পৌঁছেছেন। সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আল অ্যারাবিয়া ও আল হাদাসের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের নিজেদের ঘরছাড়া করতে ইসরায়েলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীরা লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, যৌন নিপীড়ন ও হয়রানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। এমনটাই বলছেন মানবাধিকার ও আইনি বিশেষজ্ঞরা। ফিলিস্তিনি নারী, পুরুষ ও শিশুরা এসব বিষয়ে নানা ধরনের নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
জাপান প্রতিরক্ষা নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। এতদিন সামরিক সরঞ্জাম স্থানান্তর প্রাণঘাতী নয় এমন পাঁচটি শ্রেণিতে সীমাবদ্ধ ছিল। সেই বিধিনিষেধ এখন তুলে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রাণঘাতী অস্ত্র রপ্তানির পথ খুলে গেল। এতে জাপানের প্রতিরক্ষা শিল্প বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যেতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে