
ভারত মহাসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। আজ বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ পেন্টাগনে এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন সাবমেরিন টর্পেডো হামলা চালিয়ে শত্রুপক্ষের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল।
হেগসেথ জানান, মার্কিন সাবমেরিনটি ইরানের প্রাইজ শিপ সোলাইমানিকে লক্ষ্য করে টর্পেডো ছোড়ে। জাহাজটির নামকরণ করা হয়েছিল সাবেক ইরানি জেনারেল কাসেম সোলাইমানির নামে, যিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে মার্কিন হামলায় নিহত হয়েছিলেন।
এ প্রসঙ্গে কিছুটা বিদ্রূপ করে হেগসেথ বলেন, ‘আমার ধারণা মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাঁকে (সোলাইমানি) দুইবার ঘায়েল করলেন।’
শ্রীলঙ্কা গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আজ বুধবার ভোরের দিকে জাহাজটি প্রথম বিপৎসংকেত পাঠিয়েছিল। সে সময় এটি শ্রীলঙ্কার গালে উপকূল থেকে প্রায় ৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থান করছিল। জাহাজটিতে আনুমানিক ১৮০ জন নৌসদস্য ছিলেন, যাঁদের সবাই বর্তমানে নিখোঁজ রয়েছেন। শ্রীলঙ্কার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনাটি তাদের আঞ্চলিক জলসীমার বাইরে ঘটেছে।
পিট হেগসেথ আরও বলেছেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণ কেবল শুরু। শিগগিরই আরও শক্তিশালী হামলার ঢেউ ধেয়ে আসছে।

কলকাতার এক চিরাচরিত সকাল। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রচার চালাতে বাড়ি বাড়ি ঘুরছেন নেতা-কর্মীরা। তেমনই প্রচারে দেখা গেল ব্যারাকপুরের বিজেপি নেতা কৌস্তভ বাগচীকে। পরনে ধবধবে সাদা পাঞ্জাবি আর লাল ধুতি।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনা নির্ধারিত শিডিউল অনুসারেই হবে; এমনটি জানিয়েছে পাকিস্তান সরকারের একটি সূত্র। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচক দলের অগ্রবর্তী সদস্যরা ইসলামাবাদ পৌঁছেছেন। সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আল অ্যারাবিয়া ও আল হাদাসের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের নিজেদের ঘরছাড়া করতে ইসরায়েলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীরা লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, যৌন নিপীড়ন ও হয়রানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। এমনটাই বলছেন মানবাধিকার ও আইনি বিশেষজ্ঞরা। ফিলিস্তিনি নারী, পুরুষ ও শিশুরা এসব বিষয়ে নানা ধরনের নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
জাপান প্রতিরক্ষা নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। এতদিন সামরিক সরঞ্জাম স্থানান্তর প্রাণঘাতী নয় এমন পাঁচটি শ্রেণিতে সীমাবদ্ধ ছিল। সেই বিধিনিষেধ এখন তুলে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রাণঘাতী অস্ত্র রপ্তানির পথ খুলে গেল। এতে জাপানের প্রতিরক্ষা শিল্প বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যেতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে