
ব্রাজিলের বিভিন্ন রাজ্যে মাদক ও চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযানে অন্তত ৪৫ জন নিহত হয়েছে। দেশটির তিনটি রাজ্য—রিও ডি জেনিরো, সাও পাওলো ও বাহিয়ায় এই অভিযান চালানো হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
স্থানীয় প্রশাসনের বরাত দিয়ে দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, গতকাল বুধবার রিও ডি জেনিরোর কমপ্লেক্সো ডা পেনহায় মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযানে অন্তত ১০ জন নিহত হয়। বুধবার ভোর ৩টার দিকে মাদক পাচারকারী ও পুলিশের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়।
গত সপ্তাহের শুক্রবার থেকে শুরু করে চলতি সপ্তাহের সোমবার পর্যন্ত ব্রাজিলের বাহিয়া রাজ্যে মাদক কারবারিদের মধ্যকার সংঘর্ষে ১৯ জন নিহত হয়। বাহিয়ার রাজধানী সালভাদর, অপর দুই শহর কামাকারি ও ইতাতিমে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে এই ১৯ জন নিহত হন। এ ছাড়া সাও পাওলো রাজ্য প্রশাসন জানিয়েছে, রাজ্যের বাইজাডা সান্তিস্তা এলাকায় পুলিশের যৌথ অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬তে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার গুয়ারুজায় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার ঘটনায় অতিরিক্ত প্রায় ৬০০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সামরিক পুলিশের কৌশলগত ইউনিট রোটার সদস্য প্যাট্রিক বাস্তোস রেইসের মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর বাইরে এই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশ এখন পর্যন্ত ৫৮ জনকে গ্রেপ্তার, ৪০০ কেজি মাদক ও ১৮টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে।
অন্যদিকে, মানবাধিকার সংস্থাগুলো বাইজাডা সান্তিস্তা এলাকায় পুলিশের পদক্ষেপকে প্রতিশোধপ্রণোদিত গণহত্যা হিসেবে নিন্দা করেছে। মানবাধিকার প্রতিরক্ষাবিষয়ক রাষ্ট্রীয় কাউন্সিলের (কনডেপে) সভাপতি দিমিত্রি সেলস বলেছেন, ‘গুয়ারুজায় যা ঘটেছে, তা একটি গণহত্যা। সেগুলো ছিল ইচ্ছাকৃত খুন। সাও পাওলো রাজ্যে অবশ্যই এ ধরনের সহিংসতা বন্ধ করতে হবে।’

ব্রাজিলের বিভিন্ন রাজ্যে মাদক ও চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযানে অন্তত ৪৫ জন নিহত হয়েছে। দেশটির তিনটি রাজ্য—রিও ডি জেনিরো, সাও পাওলো ও বাহিয়ায় এই অভিযান চালানো হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
স্থানীয় প্রশাসনের বরাত দিয়ে দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, গতকাল বুধবার রিও ডি জেনিরোর কমপ্লেক্সো ডা পেনহায় মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযানে অন্তত ১০ জন নিহত হয়। বুধবার ভোর ৩টার দিকে মাদক পাচারকারী ও পুলিশের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়।
গত সপ্তাহের শুক্রবার থেকে শুরু করে চলতি সপ্তাহের সোমবার পর্যন্ত ব্রাজিলের বাহিয়া রাজ্যে মাদক কারবারিদের মধ্যকার সংঘর্ষে ১৯ জন নিহত হয়। বাহিয়ার রাজধানী সালভাদর, অপর দুই শহর কামাকারি ও ইতাতিমে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে এই ১৯ জন নিহত হন। এ ছাড়া সাও পাওলো রাজ্য প্রশাসন জানিয়েছে, রাজ্যের বাইজাডা সান্তিস্তা এলাকায় পুলিশের যৌথ অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬তে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার গুয়ারুজায় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার ঘটনায় অতিরিক্ত প্রায় ৬০০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সামরিক পুলিশের কৌশলগত ইউনিট রোটার সদস্য প্যাট্রিক বাস্তোস রেইসের মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর বাইরে এই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশ এখন পর্যন্ত ৫৮ জনকে গ্রেপ্তার, ৪০০ কেজি মাদক ও ১৮টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে।
অন্যদিকে, মানবাধিকার সংস্থাগুলো বাইজাডা সান্তিস্তা এলাকায় পুলিশের পদক্ষেপকে প্রতিশোধপ্রণোদিত গণহত্যা হিসেবে নিন্দা করেছে। মানবাধিকার প্রতিরক্ষাবিষয়ক রাষ্ট্রীয় কাউন্সিলের (কনডেপে) সভাপতি দিমিত্রি সেলস বলেছেন, ‘গুয়ারুজায় যা ঘটেছে, তা একটি গণহত্যা। সেগুলো ছিল ইচ্ছাকৃত খুন। সাও পাওলো রাজ্যে অবশ্যই এ ধরনের সহিংসতা বন্ধ করতে হবে।’

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৩ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৬ ঘণ্টা আগে