আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন আরও ২৭ ফিলিস্তিনি। গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফাহে এবং নেতজারিম করিডরে মার্কিন সমর্থিত বিতর্কিত মানবিক সংগঠন গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন—জিএইচএফের ত্রাণ নিতে গিয়ে নিহত হলেন তাঁরা। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
এসব হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। জঘন্য অপরাধ আখ্যা দিয়ে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করছে নেতানিয়াহু প্রশাসন। মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রামে এক বিবৃতিতে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, ত্রাণ কেন্দ্রের নামে সব বিপজ্জনক লোকেশনে নিরস্ত্র-অভুক্ত ফিলিস্তিনিদের জড়ো করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি স্থানই ইসরায়েলি দখলদারদের নিয়ন্ত্রণে। ক্ষুধার্ত মানুষগুলোকে প্রলুব্ধ করে একটা জায়গায় জড়ো করে তারপর ইচ্ছাকৃতভাবে এবং ঠান্ডা মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়।’
বিবৃতিতে জাতিসংঘ, নিরাপত্তা পরিষদ এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়, যেন তারা ‘নিজ নিজ নৈতিক ও আইনগত দায়িত্ব পালন করে, অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেয় এবং দখলদার বাহিনীর কোনো হস্তক্ষেপ বা শর্ত ছাড়া বৈধ সীমান্তপথগুলো খুলে দিতে সর্বাত্মক চাপ প্রয়োগ করে।’
আল-জাজিরা জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার যে কয়েক জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তারা প্রত্যেকেই হয় মাথায় না হলে বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। যা নির্দেশ করে যে গুলিবর্ষণ ছিল প্রাণঘাতী ও উদ্দেশ্যমূলক। জীবনের তীব্র ঝুঁকি জেনেও প্রায় ২ মাস ধরে অভুক্ত থাকা ফিলিস্তিনিরা মরিয়া হয়ে প্রতিদিনই এই বিতরণকেন্দ্রগুলোতে ছুটে যাচ্ছেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত মাসের ২৭ তারিখ ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ত্রাণ সহায়তা নিতে গিয়ে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে প্রাণ গেছে ১০২ জনের, আহত ৫শ ছুঁই ছুঁই।

ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন আরও ২৭ ফিলিস্তিনি। গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফাহে এবং নেতজারিম করিডরে মার্কিন সমর্থিত বিতর্কিত মানবিক সংগঠন গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন—জিএইচএফের ত্রাণ নিতে গিয়ে নিহত হলেন তাঁরা। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
এসব হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। জঘন্য অপরাধ আখ্যা দিয়ে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করছে নেতানিয়াহু প্রশাসন। মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রামে এক বিবৃতিতে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, ত্রাণ কেন্দ্রের নামে সব বিপজ্জনক লোকেশনে নিরস্ত্র-অভুক্ত ফিলিস্তিনিদের জড়ো করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি স্থানই ইসরায়েলি দখলদারদের নিয়ন্ত্রণে। ক্ষুধার্ত মানুষগুলোকে প্রলুব্ধ করে একটা জায়গায় জড়ো করে তারপর ইচ্ছাকৃতভাবে এবং ঠান্ডা মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়।’
বিবৃতিতে জাতিসংঘ, নিরাপত্তা পরিষদ এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়, যেন তারা ‘নিজ নিজ নৈতিক ও আইনগত দায়িত্ব পালন করে, অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেয় এবং দখলদার বাহিনীর কোনো হস্তক্ষেপ বা শর্ত ছাড়া বৈধ সীমান্তপথগুলো খুলে দিতে সর্বাত্মক চাপ প্রয়োগ করে।’
আল-জাজিরা জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার যে কয়েক জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তারা প্রত্যেকেই হয় মাথায় না হলে বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। যা নির্দেশ করে যে গুলিবর্ষণ ছিল প্রাণঘাতী ও উদ্দেশ্যমূলক। জীবনের তীব্র ঝুঁকি জেনেও প্রায় ২ মাস ধরে অভুক্ত থাকা ফিলিস্তিনিরা মরিয়া হয়ে প্রতিদিনই এই বিতরণকেন্দ্রগুলোতে ছুটে যাচ্ছেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত মাসের ২৭ তারিখ ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ত্রাণ সহায়তা নিতে গিয়ে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে প্রাণ গেছে ১০২ জনের, আহত ৫শ ছুঁই ছুঁই।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
১ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে