আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্রপন্থী রাজনীতিক মারিয়া কোরিনা মাচাদো শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জেতার পরই বিতর্কের মুখে পড়েছেন। সমালোচকেরা অভিযোগ করছেন, তিনি গাজায় বোমা হামলায় ইসরায়েলের সমর্থন করেছিলেন। এমনকি নিজ দেশের সরকারকে উৎখাত করতেও তিনি বিদেশি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছিলেন।
মাচাদো ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, যিনি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নাগরিক সাহসিকতার এক শক্তিশালী প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। গতকাল নোবেল পুরস্কার কমিটি ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্রের প্রচার এবং একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে শান্তি পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করে।
তবে এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হোয়াইট হাউস থেকে এর সমালোচনা করা হয়। সেখানে অভিযোগ করা হয়, এই পুরস্কার ‘শান্তির চেয়ে রাজনীতিকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে’। হোয়াইট হাউসের এমন সমালোচনার কারণ ছিল, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে ‘বিশ্ব শান্তির রক্ষক’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করলেও পুরস্কারটি তিনি পাননি। অবশ্য মাচাদো পরে তাঁর নোবেল ট্রাম্পকে উৎসর্গ করেন। ট্রাম্পও তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘আমি তাঁর জন্য খুশি।’
মাচাদো কেন নোবেল পেলেন
নোবেল কমিটি মাচাদোকে ‘শান্তির চ্যাম্পিয়ন’ হিসেবে প্রশংসা করেছে, যিনি ভেনেজুয়েলায় ক্রমবর্ধমান অন্ধকারের মধ্যেও গণতন্ত্রের শিখা জ্বালিয়ে রেখেছেন। কমিটির চেয়ারম্যান জর্গেন ওয়াটনে ফ্রাইডনেস তাঁকে ভেনেজুয়েলার একসময় বিভক্ত রাজনৈতিক বিরোধী দলের ‘মূল, ঐক্যবদ্ধকারী ব্যক্তিত্ব’ বলে অভিহিত করেন।
নোবেল কমিটি এই শান্তি পুরস্কার বিজয়ীর প্রশংসা করে বলেছে, ‘তিনি দেখিয়েছেন, গণতন্ত্রের হাতিয়ারই হলো শান্তির হাতিয়ার।’ তারা মাচাদোর মধ্যে এক ভিন্ন ভবিষ্যতের আশাকে মূর্ত দেখতে পেয়েছেন, যেখানে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত থাকবে এবং তাদের কণ্ঠস্বর শোনা যাবে।
ফ্রাইডনেস তাঁর ঘোষণায় বলেন, ‘গত বছর মাচাদোকে আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য করা হয়েছে। তাঁর জীবনের ওপর গুরুতর হুমকি থাকা সত্ত্বেও তিনি দেশে থেকেছেন। তাঁর এই সিদ্ধান্ত লাখ লাখ মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। যখন স্বৈরাচারীরা ক্ষমতা দখল করে, তখন স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে এবং প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহসী যোদ্ধাদের স্বীকৃতি দেওয়া অপরিহার্য।’
মাচাদোকে নিয়ে কেন সমালোচনা
সমালোচকেরা মাচাদোর পুরোনো পোস্টগুলো শেয়ার করছেন, যেখানে তিনি ইসরায়েল এবং বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন। অনেকে বলছেন, মাচাদো পরোক্ষভাবে গাজার ‘গণহত্যা’ সমর্থন করেছেন। যদিও ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের আচমকা হামলার পরে তিনি ইসরায়েলের প্রতি সংহতি জানিয়েছিলেন, তবে ফিলিস্তিনিদের হত্যার পক্ষে তিনি কখনো সরাসরি কথা বলেননি।
তবে বছরের পর বছর ধরে করা তাঁর পোস্টগুলো নিশ্চিত করে, তিনি নেতানিয়াহুর একজন মিত্র। সমালোচকেরা তাঁর যে পোস্টগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন, সেগুলোর মধ্যে একটিতে তিনি বলেছিলেন, ‘ভেনেজুয়েলার সংগ্রাম হলো ইসরায়েলের সংগ্রাম।’ দুই বছর পরে তিনি ইসরায়েলকে ‘স্বাধীনতার খাঁটি মিত্র’ বলেও অভিহিত করেছিলেন। এমনকি ক্ষমতায় এলে তিনি ভেনেজুয়েলার দূতাবাস তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে স্থানান্তর করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন।
নরওয়ের আইনপ্রণেতা বিয়োর্নার মক্সনেস উল্লেখ করেছেন, মাচাদো ২০২০ সালে ইসরায়েলের লিকুদ পার্টির সঙ্গে একটি সহযোগিতা নথিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। তিনি বলেন, লিকুদ পার্টি গাজার গণহত্যার জন্য দায়ী। তাই এই পুরস্কার নোবেলের উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মুসলিম মানবাধিকার সংগঠন কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস নোবেল কমিটির সিদ্ধান্তকে ‘অমানবিক ও অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছে। এক অনলাইন বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ‘নোবেল কমিটির এমন কাউকে পুরস্কৃত করা উচিত ছিল, যিনি প্রকৃতপক্ষে নৈতিক দৃঢ়তা দেখিয়েছেন। যেমন সাংবাদিক, চিকিৎসক, বা কর্মী, যারা গাজার গণহত্যার বিরুদ্ধে ন্যায়ের লড়াইয়ে জীবন বাজি রেখেছেন।’
মাচাদোর বিরুদ্ধে আরেকটি বড় অভিযোগ হলো, তিনি নিজ দেশে সরকার পতনের জন্য বিদেশি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছিলেন। ২০১৮ সালে তিনি এক খোলাচিঠিতে ইসরায়েল ও আর্জেন্টিনার কাছে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো সরকারের বিরুদ্ধে সমর্থন চান।
সে সময় টুইটারে (এক্স) তিনি লিখেছিলেন, ‘আজ আমি আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট মরিসিও মাক্রি এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে চিঠি পাঠাচ্ছি, যাতে তাঁরা তাঁদের শক্তি ও প্রভাব ব্যবহার করে ভেনেজুয়েলার মাদক ও সন্ত্রাসে জড়িত অপরাধী সরকারটিকে ভেঙে ফেলতে সাহায্য করেন।’

ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্রপন্থী রাজনীতিক মারিয়া কোরিনা মাচাদো শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জেতার পরই বিতর্কের মুখে পড়েছেন। সমালোচকেরা অভিযোগ করছেন, তিনি গাজায় বোমা হামলায় ইসরায়েলের সমর্থন করেছিলেন। এমনকি নিজ দেশের সরকারকে উৎখাত করতেও তিনি বিদেশি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছিলেন।
মাচাদো ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, যিনি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নাগরিক সাহসিকতার এক শক্তিশালী প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। গতকাল নোবেল পুরস্কার কমিটি ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্রের প্রচার এবং একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে শান্তি পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করে।
তবে এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হোয়াইট হাউস থেকে এর সমালোচনা করা হয়। সেখানে অভিযোগ করা হয়, এই পুরস্কার ‘শান্তির চেয়ে রাজনীতিকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে’। হোয়াইট হাউসের এমন সমালোচনার কারণ ছিল, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে ‘বিশ্ব শান্তির রক্ষক’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করলেও পুরস্কারটি তিনি পাননি। অবশ্য মাচাদো পরে তাঁর নোবেল ট্রাম্পকে উৎসর্গ করেন। ট্রাম্পও তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘আমি তাঁর জন্য খুশি।’
মাচাদো কেন নোবেল পেলেন
নোবেল কমিটি মাচাদোকে ‘শান্তির চ্যাম্পিয়ন’ হিসেবে প্রশংসা করেছে, যিনি ভেনেজুয়েলায় ক্রমবর্ধমান অন্ধকারের মধ্যেও গণতন্ত্রের শিখা জ্বালিয়ে রেখেছেন। কমিটির চেয়ারম্যান জর্গেন ওয়াটনে ফ্রাইডনেস তাঁকে ভেনেজুয়েলার একসময় বিভক্ত রাজনৈতিক বিরোধী দলের ‘মূল, ঐক্যবদ্ধকারী ব্যক্তিত্ব’ বলে অভিহিত করেন।
নোবেল কমিটি এই শান্তি পুরস্কার বিজয়ীর প্রশংসা করে বলেছে, ‘তিনি দেখিয়েছেন, গণতন্ত্রের হাতিয়ারই হলো শান্তির হাতিয়ার।’ তারা মাচাদোর মধ্যে এক ভিন্ন ভবিষ্যতের আশাকে মূর্ত দেখতে পেয়েছেন, যেখানে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত থাকবে এবং তাদের কণ্ঠস্বর শোনা যাবে।
ফ্রাইডনেস তাঁর ঘোষণায় বলেন, ‘গত বছর মাচাদোকে আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য করা হয়েছে। তাঁর জীবনের ওপর গুরুতর হুমকি থাকা সত্ত্বেও তিনি দেশে থেকেছেন। তাঁর এই সিদ্ধান্ত লাখ লাখ মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। যখন স্বৈরাচারীরা ক্ষমতা দখল করে, তখন স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে এবং প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহসী যোদ্ধাদের স্বীকৃতি দেওয়া অপরিহার্য।’
মাচাদোকে নিয়ে কেন সমালোচনা
সমালোচকেরা মাচাদোর পুরোনো পোস্টগুলো শেয়ার করছেন, যেখানে তিনি ইসরায়েল এবং বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন। অনেকে বলছেন, মাচাদো পরোক্ষভাবে গাজার ‘গণহত্যা’ সমর্থন করেছেন। যদিও ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের আচমকা হামলার পরে তিনি ইসরায়েলের প্রতি সংহতি জানিয়েছিলেন, তবে ফিলিস্তিনিদের হত্যার পক্ষে তিনি কখনো সরাসরি কথা বলেননি।
তবে বছরের পর বছর ধরে করা তাঁর পোস্টগুলো নিশ্চিত করে, তিনি নেতানিয়াহুর একজন মিত্র। সমালোচকেরা তাঁর যে পোস্টগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন, সেগুলোর মধ্যে একটিতে তিনি বলেছিলেন, ‘ভেনেজুয়েলার সংগ্রাম হলো ইসরায়েলের সংগ্রাম।’ দুই বছর পরে তিনি ইসরায়েলকে ‘স্বাধীনতার খাঁটি মিত্র’ বলেও অভিহিত করেছিলেন। এমনকি ক্ষমতায় এলে তিনি ভেনেজুয়েলার দূতাবাস তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে স্থানান্তর করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন।
নরওয়ের আইনপ্রণেতা বিয়োর্নার মক্সনেস উল্লেখ করেছেন, মাচাদো ২০২০ সালে ইসরায়েলের লিকুদ পার্টির সঙ্গে একটি সহযোগিতা নথিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। তিনি বলেন, লিকুদ পার্টি গাজার গণহত্যার জন্য দায়ী। তাই এই পুরস্কার নোবেলের উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মুসলিম মানবাধিকার সংগঠন কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস নোবেল কমিটির সিদ্ধান্তকে ‘অমানবিক ও অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছে। এক অনলাইন বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ‘নোবেল কমিটির এমন কাউকে পুরস্কৃত করা উচিত ছিল, যিনি প্রকৃতপক্ষে নৈতিক দৃঢ়তা দেখিয়েছেন। যেমন সাংবাদিক, চিকিৎসক, বা কর্মী, যারা গাজার গণহত্যার বিরুদ্ধে ন্যায়ের লড়াইয়ে জীবন বাজি রেখেছেন।’
মাচাদোর বিরুদ্ধে আরেকটি বড় অভিযোগ হলো, তিনি নিজ দেশে সরকার পতনের জন্য বিদেশি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছিলেন। ২০১৮ সালে তিনি এক খোলাচিঠিতে ইসরায়েল ও আর্জেন্টিনার কাছে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো সরকারের বিরুদ্ধে সমর্থন চান।
সে সময় টুইটারে (এক্স) তিনি লিখেছিলেন, ‘আজ আমি আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট মরিসিও মাক্রি এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে চিঠি পাঠাচ্ছি, যাতে তাঁরা তাঁদের শক্তি ও প্রভাব ব্যবহার করে ভেনেজুয়েলার মাদক ও সন্ত্রাসে জড়িত অপরাধী সরকারটিকে ভেঙে ফেলতে সাহায্য করেন।’

ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান।
৬ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
৭ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে এর জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তারা।
গত ২৮ ডিসেম্বর ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রূপ নিলে দমনপীড়ন শুরু হয়। ইরানের কর্মকর্তাদের দাবি, এই বিক্ষোভে ইতিমধ্যে দুই থেকে তিন হাজার মানুষ মারা গেছে। আর মানবাধিকার সংস্থা ও বেসরকারি সংস্থাগুলো বলছে, ইরানে বিক্ষোভে মৃত্যুর সংখ্যা আসলে ১২ হাজার ছাড়িয়েছে।
এই বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন ট্রাম্প। তিনি বলেছিলেন, বিক্ষোভে দমনপীড়ন চালানো হলে কড়া জবাব দেওয়া হবে। এরপরও দমনপীড়ন থামেনি। সর্বশেষ গতকাল বুধবার এক বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার কথা ইরানে। এর কড়া সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেবে।
গত মঙ্গলবার সিবিএস নিউজকে একটি সাক্ষাৎকার দেন ট্রাম্প। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি ফাঁসির বিষয়ে শুনিনি। যদি তারা তাঁদের ফাঁসি দেয়, তবে আপনারা এমন কিছু দেখবেন... তারা যদি এমন কাজ করে, আমরা অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা নেব।’
তবে ঠিক কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সেই বিষয়ে ট্রাম্প কিছু না বললেও ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পদক্ষেপে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা হামলার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে কিছু সদস্য সরিয়ে নিচ্ছে।
মার্কিন এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্প ও ইরানের নেতাদের পাল্টাপাল্টি হুমকিতে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র পূর্বসতর্কতা হিসেবে ঘাঁটিগুলো থেকে ওই সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এই ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থার’ অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বড় মার্কিন সেনাঘাঁটি কাতারের আল উদেইদ থেকে সেনাসদস্যদের সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সৌদি আরবেও এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস।
এ ছাড়া হামলার শঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েল। এ প্রসঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, ইসরায়েল সব সময় তার পক্ষে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে টেনে আনার চেষ্টা করেছে।
অনড় অবস্থানে ইরান
বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিতে যুক্তরাষ্ট্র হুমকি দিলেও অবস্থান থেকে সরছে না ইরান। আল জাজিরার খবরে বলা হয়, বিক্ষোভ দমনে খানিকটা কৌশলী হতে চাইছে ইরানের বিচার বিভাগ। তারা বিক্ষোভকারীদের তিনটি ভাগে ভাগ করার পরামর্শ দিয়েছে। এর এক ভাগে থাকবে সেই সব বিক্ষোভকারী, যারা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের হত্যার সঙ্গে জড়িত। আরেক ভাগে থাকবে সেই সব বিক্ষোভকারী, যারা নাশকতা করেছে। আরেক ভাগে থাকবে, যারা শুধু বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে, তবে কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নয়। আল জাজিরার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, মূলত যুক্তরাষ্ট্র যাতে হামলা চালানোর কোনো অজুহাত না পায়, সেই জন্য এসব পদ্ধতি নেওয়া হয়েছে।
এদিকে একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে তার জবাব দেওয়ার হুমকিও দিয়েছে ইরান। ইরানের এক কর্মকর্তা বলেন, তাদের সরকার মনে করছে, ট্রাম্প ইরানে হস্তক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এই পদক্ষেপের পরিধি ও সময় এখনো অস্পষ্ট। ইরানের ওপর হামলা চালানো থেকে বিরত রাখতে তেহরান আঞ্চলিক মিত্রদের অনুরোধ করেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইরানি ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, তেহরান সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে শুরু করে তুরস্ক পর্যন্ত এই অঞ্চলের সব দেশকে জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানকে লক্ষ্যবস্তু করে, তবে তাদের দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোয় হামলা চালানো হবে।
উত্তেজনা বাড়ায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগও স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।
পশ্চিমারা এককাট্টা
এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এককাট্টা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র পশ্চিমারা। ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপে মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করছে যুক্তরাজ্য। এ ছাড়া নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে হাঁটছে ইউরোপীয় ইউনিয়নও।
এদিক ইরানের বিক্ষোভকারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়ার কথা চিন্তা করছে ফ্রান্স। সেখানে বিক্ষোভকারীরা যাতে ইন্টারনেট সেবা পেতে পারে, এ জন্য ইউটেলস্যাট স্যাটেলাইট টার্মিনাল ইরানের ওপর থেকে সরিয়ে নেওয়ার চিন্তা করছে তারা। ফ্রান্সের পার্লামেন্টে এই তথ্য জানিয়েছেন জ্যঁ নোয়েল।

ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে এর জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তারা।
গত ২৮ ডিসেম্বর ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রূপ নিলে দমনপীড়ন শুরু হয়। ইরানের কর্মকর্তাদের দাবি, এই বিক্ষোভে ইতিমধ্যে দুই থেকে তিন হাজার মানুষ মারা গেছে। আর মানবাধিকার সংস্থা ও বেসরকারি সংস্থাগুলো বলছে, ইরানে বিক্ষোভে মৃত্যুর সংখ্যা আসলে ১২ হাজার ছাড়িয়েছে।
এই বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন ট্রাম্প। তিনি বলেছিলেন, বিক্ষোভে দমনপীড়ন চালানো হলে কড়া জবাব দেওয়া হবে। এরপরও দমনপীড়ন থামেনি। সর্বশেষ গতকাল বুধবার এক বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার কথা ইরানে। এর কড়া সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেবে।
গত মঙ্গলবার সিবিএস নিউজকে একটি সাক্ষাৎকার দেন ট্রাম্প। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি ফাঁসির বিষয়ে শুনিনি। যদি তারা তাঁদের ফাঁসি দেয়, তবে আপনারা এমন কিছু দেখবেন... তারা যদি এমন কাজ করে, আমরা অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা নেব।’
তবে ঠিক কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সেই বিষয়ে ট্রাম্প কিছু না বললেও ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পদক্ষেপে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা হামলার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে কিছু সদস্য সরিয়ে নিচ্ছে।
মার্কিন এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্প ও ইরানের নেতাদের পাল্টাপাল্টি হুমকিতে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র পূর্বসতর্কতা হিসেবে ঘাঁটিগুলো থেকে ওই সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এই ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থার’ অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বড় মার্কিন সেনাঘাঁটি কাতারের আল উদেইদ থেকে সেনাসদস্যদের সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সৌদি আরবেও এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস।
এ ছাড়া হামলার শঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েল। এ প্রসঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, ইসরায়েল সব সময় তার পক্ষে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে টেনে আনার চেষ্টা করেছে।
অনড় অবস্থানে ইরান
বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিতে যুক্তরাষ্ট্র হুমকি দিলেও অবস্থান থেকে সরছে না ইরান। আল জাজিরার খবরে বলা হয়, বিক্ষোভ দমনে খানিকটা কৌশলী হতে চাইছে ইরানের বিচার বিভাগ। তারা বিক্ষোভকারীদের তিনটি ভাগে ভাগ করার পরামর্শ দিয়েছে। এর এক ভাগে থাকবে সেই সব বিক্ষোভকারী, যারা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের হত্যার সঙ্গে জড়িত। আরেক ভাগে থাকবে সেই সব বিক্ষোভকারী, যারা নাশকতা করেছে। আরেক ভাগে থাকবে, যারা শুধু বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে, তবে কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নয়। আল জাজিরার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, মূলত যুক্তরাষ্ট্র যাতে হামলা চালানোর কোনো অজুহাত না পায়, সেই জন্য এসব পদ্ধতি নেওয়া হয়েছে।
এদিকে একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে তার জবাব দেওয়ার হুমকিও দিয়েছে ইরান। ইরানের এক কর্মকর্তা বলেন, তাদের সরকার মনে করছে, ট্রাম্প ইরানে হস্তক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এই পদক্ষেপের পরিধি ও সময় এখনো অস্পষ্ট। ইরানের ওপর হামলা চালানো থেকে বিরত রাখতে তেহরান আঞ্চলিক মিত্রদের অনুরোধ করেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইরানি ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, তেহরান সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে শুরু করে তুরস্ক পর্যন্ত এই অঞ্চলের সব দেশকে জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানকে লক্ষ্যবস্তু করে, তবে তাদের দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোয় হামলা চালানো হবে।
উত্তেজনা বাড়ায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগও স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।
পশ্চিমারা এককাট্টা
এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এককাট্টা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র পশ্চিমারা। ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপে মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করছে যুক্তরাজ্য। এ ছাড়া নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে হাঁটছে ইউরোপীয় ইউনিয়নও।
এদিক ইরানের বিক্ষোভকারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়ার কথা চিন্তা করছে ফ্রান্স। সেখানে বিক্ষোভকারীরা যাতে ইন্টারনেট সেবা পেতে পারে, এ জন্য ইউটেলস্যাট স্যাটেলাইট টার্মিনাল ইরানের ওপর থেকে সরিয়ে নেওয়ার চিন্তা করছে তারা। ফ্রান্সের পার্লামেন্টে এই তথ্য জানিয়েছেন জ্যঁ নোয়েল।

ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্রপন্থী রাজনীতিক মারিয়া কোরিনা মাচাদো শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জেতার পরই বিতর্কের মুখে পড়েছেন। সমালোচকেরা অভিযোগ করছেন, তিনি গাজায় বোমা হামলায় ইসরায়েলের সমর্থন করেছিলেন। এমনকি নিজ দেশের সরকারকে উৎখাত করতেও তিনি বিদেশি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছিলেন।
১১ অক্টোবর ২০২৫
ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
৭ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
সিএনএন জানিয়েছে, বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ইউক্রেনের পার্লামেন্টে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ নিশ্চিত হওয়ার আগে দেওয়া এক বক্তব্যে ফেদোরভ এসব তথ্য প্রকাশ করেন। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র চাপের মধ্যে রয়েছে। শক্তিশালী ও সংখ্যায় অনেক বড় শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে সম্মুখ সমরে পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রেই ইউক্রেনীয় সেনারা জনবল ও অস্ত্রের ঘাটতি সত্ত্বেও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করছেন।
দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেনের সেনাদের মনোবল কমে যাওয়া এবং পলায়নের গুঞ্জন শোনা গেলেও, এই প্রথম দেশটির কোনো শীর্ষ কর্মকর্তা সমস্যার প্রকৃত পরিসংখ্যান প্রকাশ করলেন।
ইউক্রেনের আইন অনুযায়ী—১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী সব পুরুষকে সামরিক নিবন্ধনের আওতায় থাকতে হয় এবং সব সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখতে হয়। তবে সরাসরি যুদ্ধে মোতায়েনের আওতায় পড়েন ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সীরা। যুদ্ধ শুরুর পর দেশটিতে সামরিক আইন জারির ফলে ২৩ থেকে ৬০ বছর বয়সী, সামরিকভাবে যোগ্য পুরুষদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারপরও বাস্তবে অবৈধভাবে অনেকেই দেশ ছেড়ে গেছেন বলে অভিযোগ আছে।
মিখাইলো ফেদোরভ ইউক্রেনের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী প্রতিরক্ষামন্ত্রী। আগামী সপ্তাহেই তাঁর বয়স ৩৫ বছর পূর্ণ হবে। তিনি ডেনিস শমিহালের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। শমিহাল বর্তমানে ইউক্রেনের উপপ্রধানমন্ত্রী এবং জ্বালানিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।
এর আগে ফেদোরভ দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী এবং ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনমন্ত্রী ছিলেন। ওই দায়িত্বে থাকাকালে তিনি ইউক্রেনের ড্রোন যুদ্ধ প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ তদারকি করেন। বুধবারের বক্তব্যে তিনি বলেন, জনবলের সংকটের কারণে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ফেদোরভ বলেন, ‘আরও বেশি রোবট মানে কম ক্ষতি, আরও বেশি প্রযুক্তি মানে কম মৃত্যু। ইউক্রেনীয় বীরদের জীবন আমাদের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান।’
তিনি জানান, বর্তমানে ইউক্রেনে প্রায় ৫০০টি কোম্পানি ড্রোন উৎপাদন করছে, ২০০টি প্রতিষ্ঠান জ্যামিং সরঞ্জাম তৈরি করছে এবং ২০ টির বেশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে যুক্ত রয়েছে।
ফেদোরভের সঙ্গে বৈঠকের পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি বলেন, দেশের সামরিক মোবিলাইজেশন প্রক্রিয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। তিনি জানান, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে ফেদোরভের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হবে সামরিক বাহিনীর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আরও জোরদার করা।

ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
সিএনএন জানিয়েছে, বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ইউক্রেনের পার্লামেন্টে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ নিশ্চিত হওয়ার আগে দেওয়া এক বক্তব্যে ফেদোরভ এসব তথ্য প্রকাশ করেন। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র চাপের মধ্যে রয়েছে। শক্তিশালী ও সংখ্যায় অনেক বড় শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে সম্মুখ সমরে পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রেই ইউক্রেনীয় সেনারা জনবল ও অস্ত্রের ঘাটতি সত্ত্বেও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করছেন।
দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেনের সেনাদের মনোবল কমে যাওয়া এবং পলায়নের গুঞ্জন শোনা গেলেও, এই প্রথম দেশটির কোনো শীর্ষ কর্মকর্তা সমস্যার প্রকৃত পরিসংখ্যান প্রকাশ করলেন।
ইউক্রেনের আইন অনুযায়ী—১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী সব পুরুষকে সামরিক নিবন্ধনের আওতায় থাকতে হয় এবং সব সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখতে হয়। তবে সরাসরি যুদ্ধে মোতায়েনের আওতায় পড়েন ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সীরা। যুদ্ধ শুরুর পর দেশটিতে সামরিক আইন জারির ফলে ২৩ থেকে ৬০ বছর বয়সী, সামরিকভাবে যোগ্য পুরুষদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারপরও বাস্তবে অবৈধভাবে অনেকেই দেশ ছেড়ে গেছেন বলে অভিযোগ আছে।
মিখাইলো ফেদোরভ ইউক্রেনের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী প্রতিরক্ষামন্ত্রী। আগামী সপ্তাহেই তাঁর বয়স ৩৫ বছর পূর্ণ হবে। তিনি ডেনিস শমিহালের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। শমিহাল বর্তমানে ইউক্রেনের উপপ্রধানমন্ত্রী এবং জ্বালানিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।
এর আগে ফেদোরভ দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী এবং ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনমন্ত্রী ছিলেন। ওই দায়িত্বে থাকাকালে তিনি ইউক্রেনের ড্রোন যুদ্ধ প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ তদারকি করেন। বুধবারের বক্তব্যে তিনি বলেন, জনবলের সংকটের কারণে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ফেদোরভ বলেন, ‘আরও বেশি রোবট মানে কম ক্ষতি, আরও বেশি প্রযুক্তি মানে কম মৃত্যু। ইউক্রেনীয় বীরদের জীবন আমাদের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান।’
তিনি জানান, বর্তমানে ইউক্রেনে প্রায় ৫০০টি কোম্পানি ড্রোন উৎপাদন করছে, ২০০টি প্রতিষ্ঠান জ্যামিং সরঞ্জাম তৈরি করছে এবং ২০ টির বেশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে যুক্ত রয়েছে।
ফেদোরভের সঙ্গে বৈঠকের পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি বলেন, দেশের সামরিক মোবিলাইজেশন প্রক্রিয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। তিনি জানান, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে ফেদোরভের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হবে সামরিক বাহিনীর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আরও জোরদার করা।

ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্রপন্থী রাজনীতিক মারিয়া কোরিনা মাচাদো শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জেতার পরই বিতর্কের মুখে পড়েছেন। সমালোচকেরা অভিযোগ করছেন, তিনি গাজায় বোমা হামলায় ইসরায়েলের সমর্থন করেছিলেন। এমনকি নিজ দেশের সরকারকে উৎখাত করতেও তিনি বিদেশি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছিলেন।
১১ অক্টোবর ২০২৫
ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান।
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
৭ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি অভ্যন্তরীণ নথির উদ্ধৃতি দিয়ে ফক্স নিউজ এ বিষয়ে প্রথম খবর প্রকাশ করে। তবে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র।
৭৫টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে পাকিস্তান ছাড়াও সোমালিয়া, রাশিয়া, আফগানিস্তান, ব্রাজিল, ইরান, ইরাক, মিসর, নাইজেরিয়া, থাইল্যান্ড ও ইয়েমেন। তবে এই তালিকায় ভারত নেই।
নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, যেসব আবেদনকারী ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারেন, তাঁদের ঠেকাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে স্থগিতাদেশ কার্যকর হবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা অনির্দিষ্টকাল বলবৎ থাকবে।
ফক্স নিউজ ডিজিটালের হাতে আসা অভ্যন্তরীণ নথিতে বলা হয়, এ সময় ভিসা যাচাই ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া নতুন করে পর্যালোচনা করবে পররাষ্ট্র দপ্তর।
বিদ্যমান আইনের আওতায় যেসব আবেদনকারী ভবিষ্যতে সরকারি সুবিধার ওপর নির্ভরশীল হতে পারেন, তাঁদের ভিসা আবেদন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই ক্ষেত্রে আফ্রিকার দেশ সোমালিয়াকে বাড়তি নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যে করদাতাদের অর্থে পরিচালিত সরকারি সহায়তা কর্মসূচিতে বড় ধরনের জালিয়াতির ঘটনা সামনে আসার পর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। প্রসিকিউটরদের ভাষ্য অনুযায়ী, এতে জড়িতদের বড় একটি অংশ সোমালি নাগরিক বা সোমালি-আমেরিকান।
২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে পাঠানো চিঠিতে ‘পাবলিক চার্জ’ অর্থাৎ সরকারি সহায়তা আইনের আওতায় যাচাই–বাছাইয়ে কঠোর নীতি কার্যকর করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
ওই নির্দেশনায় বলা হয়, আবেদনকারীর বয়স, স্বাস্থ্যগত অবস্থা, ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা, আর্থিক সামর্থ্য, ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে কি না— এসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে।
এমনকি বয়স্ক বা অতিরিক্ত ওজনের আবেদনকারী, অতীতে সরকারি নগদ সহায়তা নেওয়া ব্যক্তি কিংবা কোনো সময় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে আশ্রিত ছিলেন—এমন ব্যক্তিদের ভিসাও বাতিল হতে পারে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের উদারতার সুযোগ নিতে পারে— এমন সম্ভাব্য অভিবাসীদের অযোগ্য ঘোষণা করার ক্ষমতা স্টেট ডিপার্টমেন্ট দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবহার করে আসছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘এই ৭৫ দেশের অভিবাসন প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হচ্ছে, যাতে কল্যাণভাতা বা সরকারি সুবিধার ওপর নির্ভরশীল হতে পারে—এমন বিদেশিদের প্রবেশ ঠেকানো যায়।’
নতুন এই স্থগিতাদেশে ব্যতিক্রমের সুযোগ খুবই সীমিত। কেবল তখনই কোনো আবেদন বিবেচনায় নেওয়া হবে, যদি ‘পাবলিক চার্জ’–সংক্রান্ত সব শর্ত পূরণ হয়। ‘পাবলিক চার্জ’ বিধান যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইনে বহুদিন ধরেই রয়েছে। তবে বিভিন্ন প্রশাসনে এর প্রয়োগ ভিন্ন ছিল।
২০২২ সালে বাইডেন প্রশাসনের সময়ে এই বিধান সীমিত করা হয়। তখন কেবল নগদ সহায়তা ও দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক চিকিৎসা ব্যয় বিবেচনায় নেওয়া হতো। এসএনএপি (খাদ্য সহায়তা), উইক, মেডিকেইড বা আবাসন ভাউচার— এসব কর্মসূচিকে তখন এর বাইরে রাখা হয়েছিল।

বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি অভ্যন্তরীণ নথির উদ্ধৃতি দিয়ে ফক্স নিউজ এ বিষয়ে প্রথম খবর প্রকাশ করে। তবে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র।
৭৫টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে পাকিস্তান ছাড়াও সোমালিয়া, রাশিয়া, আফগানিস্তান, ব্রাজিল, ইরান, ইরাক, মিসর, নাইজেরিয়া, থাইল্যান্ড ও ইয়েমেন। তবে এই তালিকায় ভারত নেই।
নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, যেসব আবেদনকারী ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারেন, তাঁদের ঠেকাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে স্থগিতাদেশ কার্যকর হবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা অনির্দিষ্টকাল বলবৎ থাকবে।
ফক্স নিউজ ডিজিটালের হাতে আসা অভ্যন্তরীণ নথিতে বলা হয়, এ সময় ভিসা যাচাই ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া নতুন করে পর্যালোচনা করবে পররাষ্ট্র দপ্তর।
বিদ্যমান আইনের আওতায় যেসব আবেদনকারী ভবিষ্যতে সরকারি সুবিধার ওপর নির্ভরশীল হতে পারেন, তাঁদের ভিসা আবেদন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই ক্ষেত্রে আফ্রিকার দেশ সোমালিয়াকে বাড়তি নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যে করদাতাদের অর্থে পরিচালিত সরকারি সহায়তা কর্মসূচিতে বড় ধরনের জালিয়াতির ঘটনা সামনে আসার পর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। প্রসিকিউটরদের ভাষ্য অনুযায়ী, এতে জড়িতদের বড় একটি অংশ সোমালি নাগরিক বা সোমালি-আমেরিকান।
২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে পাঠানো চিঠিতে ‘পাবলিক চার্জ’ অর্থাৎ সরকারি সহায়তা আইনের আওতায় যাচাই–বাছাইয়ে কঠোর নীতি কার্যকর করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
ওই নির্দেশনায় বলা হয়, আবেদনকারীর বয়স, স্বাস্থ্যগত অবস্থা, ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা, আর্থিক সামর্থ্য, ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে কি না— এসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে।
এমনকি বয়স্ক বা অতিরিক্ত ওজনের আবেদনকারী, অতীতে সরকারি নগদ সহায়তা নেওয়া ব্যক্তি কিংবা কোনো সময় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে আশ্রিত ছিলেন—এমন ব্যক্তিদের ভিসাও বাতিল হতে পারে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের উদারতার সুযোগ নিতে পারে— এমন সম্ভাব্য অভিবাসীদের অযোগ্য ঘোষণা করার ক্ষমতা স্টেট ডিপার্টমেন্ট দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবহার করে আসছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘এই ৭৫ দেশের অভিবাসন প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হচ্ছে, যাতে কল্যাণভাতা বা সরকারি সুবিধার ওপর নির্ভরশীল হতে পারে—এমন বিদেশিদের প্রবেশ ঠেকানো যায়।’
নতুন এই স্থগিতাদেশে ব্যতিক্রমের সুযোগ খুবই সীমিত। কেবল তখনই কোনো আবেদন বিবেচনায় নেওয়া হবে, যদি ‘পাবলিক চার্জ’–সংক্রান্ত সব শর্ত পূরণ হয়। ‘পাবলিক চার্জ’ বিধান যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইনে বহুদিন ধরেই রয়েছে। তবে বিভিন্ন প্রশাসনে এর প্রয়োগ ভিন্ন ছিল।
২০২২ সালে বাইডেন প্রশাসনের সময়ে এই বিধান সীমিত করা হয়। তখন কেবল নগদ সহায়তা ও দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক চিকিৎসা ব্যয় বিবেচনায় নেওয়া হতো। এসএনএপি (খাদ্য সহায়তা), উইক, মেডিকেইড বা আবাসন ভাউচার— এসব কর্মসূচিকে তখন এর বাইরে রাখা হয়েছিল।

ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্রপন্থী রাজনীতিক মারিয়া কোরিনা মাচাদো শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জেতার পরই বিতর্কের মুখে পড়েছেন। সমালোচকেরা অভিযোগ করছেন, তিনি গাজায় বোমা হামলায় ইসরায়েলের সমর্থন করেছিলেন। এমনকি নিজ দেশের সরকারকে উৎখাত করতেও তিনি বিদেশি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছিলেন।
১১ অক্টোবর ২০২৫
ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান।
৬ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
৬ ঘণ্টা আগে
তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
৭ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও দমনপীড়নের ফলে সৃষ্ট অস্থিতিশীলতাকে কাজে লাগিয়ে সশস্ত্র কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো ইরাক থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে ইরানে ঢোকার চেষ্টা করছে। রয়টার্স জানিয়েছে, তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরাক ও তুরস্ক থেকে এসব যোদ্ধাদের ইরানে পাঠানো হচ্ছে। তাদের উদ্দেশ্য হলো চলমান বিক্ষোভের সুযোগ নিয়ে দেশে আরও বেশি অস্থিতিশীলতা তৈরি করা। ইরানি বাহিনী ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি স্থানে এসব কুর্দি যোদ্ধাদের বাধা দিয়েছে এবং তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে।
তেহরান ইতিমধ্যে বাগদাদ ও আঙ্কারাকে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যেন কোনো অস্ত্র বা যোদ্ধা ইরানে প্রবেশ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য জোরালো অনুরোধ জানিয়েছে।
তবে তুরস্কের সরকার সরাসরি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য না করলেও তারা সতর্ক করেছে, ইরানে যেকোনো ধরনের বৈদেশিক হস্তক্ষেপ আঞ্চলিক সংকটকে আরও ভয়াবহ করে তুলবে। উল্লেখ্য, তুরস্ক উত্তর ইরাকে সক্রিয় কুর্দি যোদ্ধাদের ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে বিবেচনা করে।
ইরানের মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্যমতে, গত কয়েক দিনের সরকারি দমন-পীড়নে নিহতের সংখ্যা ২ হাজার ৬০০ জনে পৌঁছেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে যেকোনো সময় হস্তক্ষেপ করার হুমকি দিচ্ছেন। তেহরানের অভিযোগ, আমেরিকা ও ইসরায়েলের মদতেই কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সীমান্তে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
একদিকে অভ্যন্তরীণ গণবিক্ষোভ আর অন্যদিকে সীমান্ত দিয়ে সশস্ত্র অনুপ্রবেশ—এই দ্বিমুখী চাপে ইরানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী কয়েক দশকের মধ্যে সবচাইতে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। কুর্দি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ইতিমধ্যে ব্যাপক সেনা মোতায়েন করা হয়েছে এবং অনেক জায়গায় ‘শুট অন সাইট’ বা দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও দমনপীড়নের ফলে সৃষ্ট অস্থিতিশীলতাকে কাজে লাগিয়ে সশস্ত্র কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো ইরাক থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে ইরানে ঢোকার চেষ্টা করছে। রয়টার্স জানিয়েছে, তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরাক ও তুরস্ক থেকে এসব যোদ্ধাদের ইরানে পাঠানো হচ্ছে। তাদের উদ্দেশ্য হলো চলমান বিক্ষোভের সুযোগ নিয়ে দেশে আরও বেশি অস্থিতিশীলতা তৈরি করা। ইরানি বাহিনী ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি স্থানে এসব কুর্দি যোদ্ধাদের বাধা দিয়েছে এবং তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে।
তেহরান ইতিমধ্যে বাগদাদ ও আঙ্কারাকে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যেন কোনো অস্ত্র বা যোদ্ধা ইরানে প্রবেশ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য জোরালো অনুরোধ জানিয়েছে।
তবে তুরস্কের সরকার সরাসরি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য না করলেও তারা সতর্ক করেছে, ইরানে যেকোনো ধরনের বৈদেশিক হস্তক্ষেপ আঞ্চলিক সংকটকে আরও ভয়াবহ করে তুলবে। উল্লেখ্য, তুরস্ক উত্তর ইরাকে সক্রিয় কুর্দি যোদ্ধাদের ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে বিবেচনা করে।
ইরানের মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্যমতে, গত কয়েক দিনের সরকারি দমন-পীড়নে নিহতের সংখ্যা ২ হাজার ৬০০ জনে পৌঁছেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে যেকোনো সময় হস্তক্ষেপ করার হুমকি দিচ্ছেন। তেহরানের অভিযোগ, আমেরিকা ও ইসরায়েলের মদতেই কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সীমান্তে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
একদিকে অভ্যন্তরীণ গণবিক্ষোভ আর অন্যদিকে সীমান্ত দিয়ে সশস্ত্র অনুপ্রবেশ—এই দ্বিমুখী চাপে ইরানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী কয়েক দশকের মধ্যে সবচাইতে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। কুর্দি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ইতিমধ্যে ব্যাপক সেনা মোতায়েন করা হয়েছে এবং অনেক জায়গায় ‘শুট অন সাইট’ বা দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্রপন্থী রাজনীতিক মারিয়া কোরিনা মাচাদো শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জেতার পরই বিতর্কের মুখে পড়েছেন। সমালোচকেরা অভিযোগ করছেন, তিনি গাজায় বোমা হামলায় ইসরায়েলের সমর্থন করেছিলেন। এমনকি নিজ দেশের সরকারকে উৎখাত করতেও তিনি বিদেশি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছিলেন।
১১ অক্টোবর ২০২৫
ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান।
৬ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে