রয়টার্স এক্সক্লুসিভ
আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের নতুন অস্ত্র ও বিমান কেনার পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত করেছে ভারত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারতীয় রপ্তানি পণ্যের ওপর শুল্ক দ্বিগুণ করে ৫০ শতাংশ করার সিদ্ধান্তের জবাবে এটি দেশটির প্রথম দৃশ্যমান পদক্ষেপ।
সংশ্লিষ্ট তিন সরকারি কর্মকর্তার বরাতে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, কথা ছিল ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং শিগগির ওয়াশিংটন সফরে গিয়ে কিছু ক্রয় চুক্তি ঘোষণা করবেন। কিন্তু সেই সফর বাতিল হয়েছে। এ বিষয়ে অবগত একটি সূত্র জানিয়েছে, শুল্ক ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দিকনির্দেশনা পরিষ্কার হলে ক্রয় চুক্তি আবার শুরু হতে পারে, তবে তা ‘প্রত্যাশিত সময়ে নয়’। আনুষ্ঠানিকভাবে কেনা বন্ধের লিখিত নির্দেশ এখনো দেওয়া হয়নি, তাই চাইলে দ্রুত সিদ্ধান্ত বদলানো সম্ভব। কিন্তু এই মুহূর্তে কোনো অগ্রগতি নেই বলেও জানিয়েছে সূত্রটি।
রয়টার্সের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল ডাইনামিকস ল্যান্ড সিস্টেমসের তৈরি স্ট্রাইকার কমব্যাট ভেহিকল, রেথিয়ন ও লকহিড মার্টিনের তৈরি জ্যাভলিন অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র কেনার আলোচনা শুল্কের কারণে থেমে গেছে। ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প ও নরেন্দ্র মোদি যৌথভাবে এসব কেনা ও যৌথ উৎপাদনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিলেন। এ ছাড়া ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য ছয়টি বোয়িং পি-৮১ নজরদারি বিমান ও সহায়ক সরঞ্জাম কিনতে ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি ঘোষণারও পরিকল্পনা করেছিলেন রাজনাথ সিং, যা এখন বাতিল সফরের সঙ্গে আটকে গেছে।
যদিও এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ভারত অভিযোগ করছে, তাদের অন্যায্যভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। অথচ ওয়াশিংটন ও ইউরোপীয় মিত্ররা নিজেদের স্বার্থে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।
ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক, দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়াই ছিল তার প্রধান সরবরাহকারী। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারত ক্রমে ফ্রান্স, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো পশ্চিমা দেশ থেকে ক্রয়ের দিকে ঝুঁকেছে। তবু দীর্ঘদিনের সামরিক সম্পর্কের কারণে রাশিয়ান অস্ত্রের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরতা কাটানো কঠিন হবে। সম্প্রতি রাশিয়া ভারতকে এস-৫০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থাসহ নতুন সামরিক প্রযুক্তি বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে। তবে ভারত এখনই নতুন অস্ত্র কেনার প্রয়োজন দেখছে না।
আরও খবর পড়ুন:

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের নতুন অস্ত্র ও বিমান কেনার পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত করেছে ভারত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারতীয় রপ্তানি পণ্যের ওপর শুল্ক দ্বিগুণ করে ৫০ শতাংশ করার সিদ্ধান্তের জবাবে এটি দেশটির প্রথম দৃশ্যমান পদক্ষেপ।
সংশ্লিষ্ট তিন সরকারি কর্মকর্তার বরাতে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, কথা ছিল ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং শিগগির ওয়াশিংটন সফরে গিয়ে কিছু ক্রয় চুক্তি ঘোষণা করবেন। কিন্তু সেই সফর বাতিল হয়েছে। এ বিষয়ে অবগত একটি সূত্র জানিয়েছে, শুল্ক ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দিকনির্দেশনা পরিষ্কার হলে ক্রয় চুক্তি আবার শুরু হতে পারে, তবে তা ‘প্রত্যাশিত সময়ে নয়’। আনুষ্ঠানিকভাবে কেনা বন্ধের লিখিত নির্দেশ এখনো দেওয়া হয়নি, তাই চাইলে দ্রুত সিদ্ধান্ত বদলানো সম্ভব। কিন্তু এই মুহূর্তে কোনো অগ্রগতি নেই বলেও জানিয়েছে সূত্রটি।
রয়টার্সের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল ডাইনামিকস ল্যান্ড সিস্টেমসের তৈরি স্ট্রাইকার কমব্যাট ভেহিকল, রেথিয়ন ও লকহিড মার্টিনের তৈরি জ্যাভলিন অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র কেনার আলোচনা শুল্কের কারণে থেমে গেছে। ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প ও নরেন্দ্র মোদি যৌথভাবে এসব কেনা ও যৌথ উৎপাদনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিলেন। এ ছাড়া ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য ছয়টি বোয়িং পি-৮১ নজরদারি বিমান ও সহায়ক সরঞ্জাম কিনতে ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি ঘোষণারও পরিকল্পনা করেছিলেন রাজনাথ সিং, যা এখন বাতিল সফরের সঙ্গে আটকে গেছে।
যদিও এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ভারত অভিযোগ করছে, তাদের অন্যায্যভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। অথচ ওয়াশিংটন ও ইউরোপীয় মিত্ররা নিজেদের স্বার্থে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।
ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক, দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়াই ছিল তার প্রধান সরবরাহকারী। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারত ক্রমে ফ্রান্স, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো পশ্চিমা দেশ থেকে ক্রয়ের দিকে ঝুঁকেছে। তবু দীর্ঘদিনের সামরিক সম্পর্কের কারণে রাশিয়ান অস্ত্রের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরতা কাটানো কঠিন হবে। সম্প্রতি রাশিয়া ভারতকে এস-৫০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থাসহ নতুন সামরিক প্রযুক্তি বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে। তবে ভারত এখনই নতুন অস্ত্র কেনার প্রয়োজন দেখছে না।
আরও খবর পড়ুন:

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
১ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে