
প্রভাবশালী ব্রিটিশ ম্যাগাজিন দ্য ইকোনমিস্টের ২০২৪ সালের ‘বর্ষসেরা দেশ’ তালিকায় শীর্ষস্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এ অর্জনকে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে একটি স্বৈরাচারী শাসন উচ্ছেদের প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে বর্ণনা করেছে ম্যাগাজিনটি।
গতকাল বৃহস্পতিবার ম্যাগাজিনটি তাদের ওয়েবসাইটে লিখেছে, ‘আমাদের এবারের বর্ষসেরা দেশ বাংলাদেশ। যারা একজন স্বৈরশাসককে উৎখাত করেছে।’
দ্য ইকোনমিস্ট তাদের প্রতিবেদনে জানায়, বাংলাদেশে গত আগস্টে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির স্বাধীনতার নায়কের কন্যা শেখ হাসিনা। একসময় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীকে কীভাবে তিনি দমনমূলক হয়ে উঠেন, নির্বাচনে কারচুপি করেন, বিরোধীদের কারাগারে পাঠান এবং বিক্ষোভকারীদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীকে গুলি চালানোর নির্দেশ দেন সেসব বিষয় উঠে এসেছে প্রতিবেদনে।
দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, তাঁর শাসনকালে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে ক্ষমতার পরিবর্তনের সময় প্রতিশোধমূলক সহিংসতার ইতিহাস রয়েছে। তবুও দেশটিতে আশাব্যঞ্জক পরিবর্তন হচ্ছে। দেশটিতে বর্তমানে একটি অস্থায়ী সরকার রয়েছে, যার নেতৃত্বে আছেন নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস। শিক্ষার্থী, সেনাবাহিনী, ব্যবসায়ী ও নাগরিক সমাজের সমর্থনে গঠিত এই সরকার দেশটির শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে এবং অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করেছে।
দ্য ইকোনমিস্ট পরামর্শ দিয়েছে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামত করতে হবে এবং নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হবে তা নির্ধারণ করতে হবে। এর আগে নিশ্চিত করতে হবে, বিচারব্যবস্থা নিরপেক্ষ এবং বিরোধীরা সংগঠিত হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাচ্ছে।
বর্ষসেরা দেশের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সিরিয়া। গত ৮ ডিসেম্বর দেশটিতে দীর্ঘকাল শাসন ক্ষমতায় থাকা বাশার আল-আসাদকে উচ্ছেদ করে অর্ধশতকের বংশানুক্রমিক একনায়কতন্ত্রের অবসান ঘটানো হয়েছে।
এ তালিকায় তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে—আর্জেন্টিনা, দক্ষিণ আফ্রিকা ও পোল্যান্ড।
দ্য ইকোনমিস্ট জানায়, অর্থ, সুখ বা নৈতিকতার মানদণ্ডে বর্ষসেরা দেশ নয়, গত ১২ মাসে সবচেয়ে বেশি উন্নতি করেছে, সেই বিচারে প্রস্তুত করা হয়েছে বর্ষসেরা দেশের এই তালিকা।

প্রভাবশালী ব্রিটিশ ম্যাগাজিন দ্য ইকোনমিস্টের ২০২৪ সালের ‘বর্ষসেরা দেশ’ তালিকায় শীর্ষস্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এ অর্জনকে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে একটি স্বৈরাচারী শাসন উচ্ছেদের প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে বর্ণনা করেছে ম্যাগাজিনটি।
গতকাল বৃহস্পতিবার ম্যাগাজিনটি তাদের ওয়েবসাইটে লিখেছে, ‘আমাদের এবারের বর্ষসেরা দেশ বাংলাদেশ। যারা একজন স্বৈরশাসককে উৎখাত করেছে।’
দ্য ইকোনমিস্ট তাদের প্রতিবেদনে জানায়, বাংলাদেশে গত আগস্টে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির স্বাধীনতার নায়কের কন্যা শেখ হাসিনা। একসময় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীকে কীভাবে তিনি দমনমূলক হয়ে উঠেন, নির্বাচনে কারচুপি করেন, বিরোধীদের কারাগারে পাঠান এবং বিক্ষোভকারীদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীকে গুলি চালানোর নির্দেশ দেন সেসব বিষয় উঠে এসেছে প্রতিবেদনে।
দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, তাঁর শাসনকালে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে ক্ষমতার পরিবর্তনের সময় প্রতিশোধমূলক সহিংসতার ইতিহাস রয়েছে। তবুও দেশটিতে আশাব্যঞ্জক পরিবর্তন হচ্ছে। দেশটিতে বর্তমানে একটি অস্থায়ী সরকার রয়েছে, যার নেতৃত্বে আছেন নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস। শিক্ষার্থী, সেনাবাহিনী, ব্যবসায়ী ও নাগরিক সমাজের সমর্থনে গঠিত এই সরকার দেশটির শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে এবং অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করেছে।
দ্য ইকোনমিস্ট পরামর্শ দিয়েছে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামত করতে হবে এবং নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হবে তা নির্ধারণ করতে হবে। এর আগে নিশ্চিত করতে হবে, বিচারব্যবস্থা নিরপেক্ষ এবং বিরোধীরা সংগঠিত হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাচ্ছে।
বর্ষসেরা দেশের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সিরিয়া। গত ৮ ডিসেম্বর দেশটিতে দীর্ঘকাল শাসন ক্ষমতায় থাকা বাশার আল-আসাদকে উচ্ছেদ করে অর্ধশতকের বংশানুক্রমিক একনায়কতন্ত্রের অবসান ঘটানো হয়েছে।
এ তালিকায় তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে—আর্জেন্টিনা, দক্ষিণ আফ্রিকা ও পোল্যান্ড।
দ্য ইকোনমিস্ট জানায়, অর্থ, সুখ বা নৈতিকতার মানদণ্ডে বর্ষসেরা দেশ নয়, গত ১২ মাসে সবচেয়ে বেশি উন্নতি করেছে, সেই বিচারে প্রস্তুত করা হয়েছে বর্ষসেরা দেশের এই তালিকা।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৫ ঘণ্টা আগে