
ভারতের সঙ্গে রুপিতে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য নিষ্পত্তির আলোচনা স্থগিত করল রাশিয়া। মাসজুড়ে দর-কষাকষির পর প্রক্রিয়াটি স্থগিত হয় বলে রয়টার্সকে জানান ভারতের দুই সরকারি কর্মকর্তাসহ তিনটি সূত্র। তবে বিষয়টি নিয়ে মস্কো বা ভারত—কারও পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।
আলোচনাটি স্থগিত হওয়ায় বড়সড় ধাক্কা খেল ভারতীয় আমদানিকারকেরা। কারণ, দুই দেশের মধ্যে রুপিতে বাণিজ্য নিষ্পত্তি করতে স্থায়ী চুক্তির অপেক্ষায় ছিলেন তাঁরা। চুক্তি হলে রাশিয়া থেকে তেল ও কয়লা আমদানি করা আরও সহজ হতো।
এ নিয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে রয়টার্সকে এক ভারতীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার বাণিজ্য ঘাটতি অনেক। মস্কো মনে করে রুপিতে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য নিষ্পত্তি হলে, বছর শেষে ৪০০ কোটি ডলারের বেশি রুপি উদ্বৃত্ত হিসেবে তাদের রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমবে। তারা চাইছে না কোষাগারে এত মোটা অঙ্কের রুপি জমা হোক।
ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে আরও জানিয়েছেন, এই সময়ে দুই দেশের মধ্যে বেশির ভাগ লেনদেন ডলারেই নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে অন্য মুদ্রা যেমন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম ব্যবহার করেও আমদানি-রপ্তানি বেড়েছে। চুক্তির ব্যাপারটি হয়তো অন্য কোনো উপায়ে নিষ্পত্তি হতে পারে। এর মধ্যে ভূমিকা রাখতে পারে তৃতীয় কোনো দেশও।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেক ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মস্কো রুপি ধরে রাখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে না। তারা চায় চীনা ইউয়ান বা অন্য মুদ্রায় দ্বিপক্ষীয় লেনদেন হোক।
এই ভারতীয় কর্মকর্তা রয়টার্সকে আরও জানিয়েছেন, রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য নিষ্পত্তির জন্য তৃতীয় পক্ষকে ব্যবহার করা হচ্ছে। কারণ, সুইফটের মাধ্যমে অন্য দেশের সঙ্গে লেনদেনের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তাই রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যের জন্য তারা তৃতীয় কোনো দেশকে অর্থ পরিশোধের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে। তৃতীয় পক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত দেশগুলোর মধ্যে চীনও রয়েছে।

ভারতের সঙ্গে রুপিতে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য নিষ্পত্তির আলোচনা স্থগিত করল রাশিয়া। মাসজুড়ে দর-কষাকষির পর প্রক্রিয়াটি স্থগিত হয় বলে রয়টার্সকে জানান ভারতের দুই সরকারি কর্মকর্তাসহ তিনটি সূত্র। তবে বিষয়টি নিয়ে মস্কো বা ভারত—কারও পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।
আলোচনাটি স্থগিত হওয়ায় বড়সড় ধাক্কা খেল ভারতীয় আমদানিকারকেরা। কারণ, দুই দেশের মধ্যে রুপিতে বাণিজ্য নিষ্পত্তি করতে স্থায়ী চুক্তির অপেক্ষায় ছিলেন তাঁরা। চুক্তি হলে রাশিয়া থেকে তেল ও কয়লা আমদানি করা আরও সহজ হতো।
এ নিয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে রয়টার্সকে এক ভারতীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার বাণিজ্য ঘাটতি অনেক। মস্কো মনে করে রুপিতে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য নিষ্পত্তি হলে, বছর শেষে ৪০০ কোটি ডলারের বেশি রুপি উদ্বৃত্ত হিসেবে তাদের রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমবে। তারা চাইছে না কোষাগারে এত মোটা অঙ্কের রুপি জমা হোক।
ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে আরও জানিয়েছেন, এই সময়ে দুই দেশের মধ্যে বেশির ভাগ লেনদেন ডলারেই নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে অন্য মুদ্রা যেমন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম ব্যবহার করেও আমদানি-রপ্তানি বেড়েছে। চুক্তির ব্যাপারটি হয়তো অন্য কোনো উপায়ে নিষ্পত্তি হতে পারে। এর মধ্যে ভূমিকা রাখতে পারে তৃতীয় কোনো দেশও।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেক ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মস্কো রুপি ধরে রাখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে না। তারা চায় চীনা ইউয়ান বা অন্য মুদ্রায় দ্বিপক্ষীয় লেনদেন হোক।
এই ভারতীয় কর্মকর্তা রয়টার্সকে আরও জানিয়েছেন, রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য নিষ্পত্তির জন্য তৃতীয় পক্ষকে ব্যবহার করা হচ্ছে। কারণ, সুইফটের মাধ্যমে অন্য দেশের সঙ্গে লেনদেনের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তাই রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যের জন্য তারা তৃতীয় কোনো দেশকে অর্থ পরিশোধের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে। তৃতীয় পক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত দেশগুলোর মধ্যে চীনও রয়েছে।

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
৩৯ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে