
প্যারিসের বিখ্যাত ল্যুভর জাদুঘর হঠাৎ এক দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফ্রান্সের সংস্কৃতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, জাদুঘরটিতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। আর এ কারণেই জাদুঘরটি বন্ধ করা হয়েছে এক দিনের জন্য। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
স্থানীয় সময় আজ রোববার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ফ্রান্সের সংস্কৃতিমন্ত্রী রাশিদা দাতি লিখেছেন, ‘আজ সকালে ল্যুভর জাদুঘর খোলার সময় একটি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।’ তিনি ফরাসি শব্দ ‘braquage’ ব্যবহার করেছেন, যার অর্থ ডাকাতি বা অস্ত্রধারীর ছিনতাই।
মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ‘এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। আমি বর্তমানে জাদুঘরের কর্মী ও পুলিশের সঙ্গে ঘটনাস্থলে আছি।’ ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে মন্ত্রীর এক সহকারী জানান, অন্তত একজন ব্যক্তি জাদুঘরে প্রবেশ করেছিল। তবে কী চুরি হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি তিনি।
ল্যুভর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ‘অনিবার্য কারণবশত’ তারা আজকের জন্য জাদুঘর বন্ধ রেখেছে। তবে কী চুরি হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় জাদুঘরগুলোর একটি ল্যুভর, যেখানে প্রতিবছর ৮০ লাখের বেশি দর্শনার্থী যান। এখানে প্রাচীন ভাস্কর্য থেকে শুরু করে লিওনার্দো দা ভিঞ্চির অমর সৃষ্টি ‘মোনালিসা’সহ নানা ঐতিহাসিক শিল্পকর্ম সংরক্ষিত।
চলতি বছরের শুরুতে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ল্যুভর জাদুঘরের বড় ধরনের সংস্কারের ঘোষণা দেন। এর আগে জাদুঘরের পরিচালক লরঁস দে কার সতর্ক করে বলেছিলেন, অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে সেখানে যাওয়া এখন একধরনের ‘কষ্টের অভিজ্ঞতা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গত জানুয়ারিতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক প্রতিবেদনে লরঁস দে কার লেখেন, জাদুঘরের বিখ্যাত কাচের পিরামিড প্রবেশপথের নিচের জায়গাটি যথাযথভাবে ঠান্ডা বা গরম থেকে সুরক্ষিত নয়। সেখানে শব্দ প্রতিধ্বনি হয় এবং এটি দর্শনার্থী ও কর্মীদের জন্য অস্বস্তিকর।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভবনের পানি চুইয়ে পড়া, অবকাঠামোর দুরবস্থা ও তাপমাত্রার ওঠানামা জাদুঘরের শিল্পকর্মগুলোর সংরক্ষণে হুমকি তৈরি করছে। দর্শনার্থীর ভিড় ও অপ্রতুল সুযোগ-সুবিধার কারণে পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
৪৪ মিনিট আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালালেও ‘সবচেয়ে বড় ঢেউ’ এখনো আসেনি। স্থানীয় সময় সোমবার (২ মার্চ) সকালে সিএনএনকে দেওয়া প্রায় ৯ মিনিটের এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানকে ‘ভালোভাবেই আঘা
২ ঘণ্টা আগে