
বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খানের বাড়িতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে শরিফুল ইসলাম শেহজাদ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পুলিশ। পুলিশের দাবি, তিনি অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী। ওই ব্যক্তির ছবি প্রকাশের পর ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার রাজাবাড়িয়া গ্রামে রুহুল আমিন ফকির দাবি করেন, ওই যুবক তাঁর ছেলে। তাঁর নাম মুহাম্মদ শরিফুল ইসলাম সাজ্জাদ।
তবে ভারতের মুম্বাই পুলিশের দাবি, শরিফুল অবৈধ অভিবাসী। তিনিই গত সপ্তাহে মুম্বাইতে সাইফ আলী খানের বাড়িতে অনুপ্রবেশ করেন এবং বলিউড অভিনেতাকে ছুরিকাঘাত করেন।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ শুক্রবার ঝালকাঠির মোহাম্মদ রুহুল আমিনের সঙ্গে তারা টেলিফোনে যোগাযোগ করেন। রুহুল আমিন তাঁদের বলেছেন, তাঁর ছেলে শরিফুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সদস্য। আর যেই সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে পুলিশ শরিফুলকে গ্রেপ্তার করেছে, সেই ফুটেজে দেখা যাওয়া ব্যক্তির সঙ্গে শরিফুলের চেহারার মিল নেই।
রুহুল আমিন এনডিটিভিকে বলেছেন, তাঁর ছেলের বয়স ৩০ বছর, ‘ভারী’ মুখ ও লম্বা চুল রয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, মুম্বাই পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাওয়া ব্যক্তিকেই গ্রেপ্তার করেছে বলে দাবি করলেও, আসলে ওই ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর ছেলের চেহারার কোনো মিল নেই। গত বছরের মার্চে তাঁর ছেলে বাংলাদেশ থেকে ভারতে যান বলেও জানান রুহুল আমিন।
পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে এর আগে এনডিটিভি জানিয়েছিল, কথিত শেহজাদ মেঘালয় হয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। তিনি ডাউকি নদী পার হয়ে ভারতে যান। কয়েক সপ্তাহ পশ্চিমবঙ্গে থাকার পর চাকরির খোঁজে মুম্বাই যান।
এনডিটিভিকে রুহুল আমিন বলেন, তাঁর ছেলে শরিফুল ইসলাম সাজ্জাদ তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নিপীড়ন থেকে বাঁচতে পালিয়ে ভারত গিয়েছিলেন। রুহুল আমিন নিজেও বর্তমানে ভারতে আছেন।
রুহুল আমিন বলেন, ‘আমার ছেলে ২০২৪ সালে ভারতে যায়...মার্চের শেষ সপ্তাহ বা এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে। তার একটিমাত্র উদ্দেশ্য ছিল। ১৬ বছর ধরে হাসিনা সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছিল...এমনকি মোবাইল চুরির মামলাও (শরিফুলের বিরুদ্ধে)। রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিকূল ছিল এবং আমার ছেলে মনে করেছিল, সে দেশে থাকতে পারবে না। তাই তখন সে ভারতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।’
ভারতীয় কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, তারা কথিত শেহজাদের বাংলাদেশি নাগরিকত্ব প্রমাণকারী সরকারি নথিপত্র উদ্ধার করেছে। এ ছাড়া তিনি বিজয় দাস নামে ভারতে বসবাস করছিলেন বলেও তাদের দাবি।
রুহুল আমিন এনডিটিভিকে আরও বলেন, ‘অনেক অত্যাচার করা হয়েছিল। কোনো অপরাধ ছাড়াই (শরিফুলের বিরুদ্ধে) মামলা ছিল। আমি ও আমার দুই ছেলে বিএনপির জন্য কাজ করি...আমি একটি পদে আছি এবং আমার বিরুদ্ধেও অনেক মিথ্যা মামলা ছিল।’
রুহুল আমিন আরও জোর দিয়ে বলেন, সাইফ আলী খানের বাসায় সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়া ব্যক্তি—যাকে গত রোববার (১৯ জানুয়ারি) থানে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে—সেই ব্যক্তি আর তাঁর ছেলে এক নন। তিনি বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাওয়া ব্যক্তি তাঁর ছেলে নন।

তিনি বলেন, ‘তার (শরিফুল) বয়স ৩০। ছোটবেলা থেকেই তার মুখ ভারী এবং তার দুই পাশে চুল আছে (কিন্তু ছোট) ...ছবিতে (সিসিটিভি ফুটেজ) চুল চোখ পর্যন্ত লম্বা। এই ধরনের চুল আমার ছেলের নয়। (তাই) না, এটা সে নয়।’
গতকাল বৃহস্পতিবার সংবাদ সংস্থা আইএএনএসকেও একই কথা বলেছিলেন রুহুল আমিন।
রুহুল আমিন আরও বলেন, শরিফুল হসপিটালিটি শিল্পে কাজ করতেন। মুম্বাইয়ের হোটেলগুলো বড় এবং পশ্চিমবঙ্গ বা কলকাতার চেয়ে বেশি বেতন দেয়—এই ধারণা থেকেই শরিফুল মুম্বাই যান।
ভারতের পুলিশ ছেলের গ্রেপ্তারের বিষয়ে তাঁকে জানিয়েছে কিনা, এনডিটিভির এ প্রশ্নে রুহুল আমিন বলেন, ‘না। কেউ আসেনি। আমরা ভারতে কাউকে চিনি না। সেখানে আমাদের কোনো সহায় নেই।’
ভারতে ‘অবৈধ বাংলাদেশি’ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে
সাইফ আলী খানের বাড়িতে হামলার অভিযোগে গ্রেপ্তার ব্যক্তির ‘বাংলাদেশি নাগরিকত্ব’ নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। মহারাষ্ট্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি জোট এবং বিরোধী দলের মধ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। গত সপ্তাহে বিজেপি নেতা ও মহারাষ্ট্রের বন্দর মন্ত্রী নিখিল রানে দাবি করেছেন, সাইফ আলী খানের ওপর হামলার ঘটনা ‘কাল্পনিক’। সাইফকে ‘আবর্জনা’ বলেও উল্লেখ করেন এ বিজেপি নেতা।
তিনি বলেন, ‘দেখুন বাংলাদেশিরা মুম্বাইতে কী করছে! তারা সাইফ আলী খানের বাড়িতে ঢুকে গেছে। আগে তারা রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকত...এখন বাড়িতে ঢুকছে। হয়তো সে তাকে (সাইফ আলী খান) নিয়ে যেতে এসেছিল! এটা ভালো...আবর্জনা সরিয়ে নেওয়াই উচিত!’
বিজেপি অভিযোগ করছে, শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে অবৈধভাবে প্রবেশ করতে চাওয়া হাজার হাজার বাংলাদেশিকে বিরোধীরা, যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের শাসক তৃণমূলও রয়েছে, ভোট ব্যাংক হিসেবে নিচ্ছে।
এদিকে আজ বিকেলে মুম্বাইয়ের একটি আদালত গ্রেপ্তার কথিত শেহজাদের পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে।
ভুক্তভোগীর আইনজীবী বলছেন, তাঁর মক্কেল নির্দোষ। তাঁকে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে, কারণ এটি একটি বিখ্যাত সেলিব্রিটির ওপর হামলার সঙ্গে সম্পর্কিত।

বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খানের বাড়িতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে শরিফুল ইসলাম শেহজাদ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পুলিশ। পুলিশের দাবি, তিনি অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী। ওই ব্যক্তির ছবি প্রকাশের পর ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার রাজাবাড়িয়া গ্রামে রুহুল আমিন ফকির দাবি করেন, ওই যুবক তাঁর ছেলে। তাঁর নাম মুহাম্মদ শরিফুল ইসলাম সাজ্জাদ।
তবে ভারতের মুম্বাই পুলিশের দাবি, শরিফুল অবৈধ অভিবাসী। তিনিই গত সপ্তাহে মুম্বাইতে সাইফ আলী খানের বাড়িতে অনুপ্রবেশ করেন এবং বলিউড অভিনেতাকে ছুরিকাঘাত করেন।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ শুক্রবার ঝালকাঠির মোহাম্মদ রুহুল আমিনের সঙ্গে তারা টেলিফোনে যোগাযোগ করেন। রুহুল আমিন তাঁদের বলেছেন, তাঁর ছেলে শরিফুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সদস্য। আর যেই সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে পুলিশ শরিফুলকে গ্রেপ্তার করেছে, সেই ফুটেজে দেখা যাওয়া ব্যক্তির সঙ্গে শরিফুলের চেহারার মিল নেই।
রুহুল আমিন এনডিটিভিকে বলেছেন, তাঁর ছেলের বয়স ৩০ বছর, ‘ভারী’ মুখ ও লম্বা চুল রয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, মুম্বাই পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাওয়া ব্যক্তিকেই গ্রেপ্তার করেছে বলে দাবি করলেও, আসলে ওই ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর ছেলের চেহারার কোনো মিল নেই। গত বছরের মার্চে তাঁর ছেলে বাংলাদেশ থেকে ভারতে যান বলেও জানান রুহুল আমিন।
পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে এর আগে এনডিটিভি জানিয়েছিল, কথিত শেহজাদ মেঘালয় হয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। তিনি ডাউকি নদী পার হয়ে ভারতে যান। কয়েক সপ্তাহ পশ্চিমবঙ্গে থাকার পর চাকরির খোঁজে মুম্বাই যান।
এনডিটিভিকে রুহুল আমিন বলেন, তাঁর ছেলে শরিফুল ইসলাম সাজ্জাদ তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নিপীড়ন থেকে বাঁচতে পালিয়ে ভারত গিয়েছিলেন। রুহুল আমিন নিজেও বর্তমানে ভারতে আছেন।
রুহুল আমিন বলেন, ‘আমার ছেলে ২০২৪ সালে ভারতে যায়...মার্চের শেষ সপ্তাহ বা এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে। তার একটিমাত্র উদ্দেশ্য ছিল। ১৬ বছর ধরে হাসিনা সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছিল...এমনকি মোবাইল চুরির মামলাও (শরিফুলের বিরুদ্ধে)। রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিকূল ছিল এবং আমার ছেলে মনে করেছিল, সে দেশে থাকতে পারবে না। তাই তখন সে ভারতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।’
ভারতীয় কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, তারা কথিত শেহজাদের বাংলাদেশি নাগরিকত্ব প্রমাণকারী সরকারি নথিপত্র উদ্ধার করেছে। এ ছাড়া তিনি বিজয় দাস নামে ভারতে বসবাস করছিলেন বলেও তাদের দাবি।
রুহুল আমিন এনডিটিভিকে আরও বলেন, ‘অনেক অত্যাচার করা হয়েছিল। কোনো অপরাধ ছাড়াই (শরিফুলের বিরুদ্ধে) মামলা ছিল। আমি ও আমার দুই ছেলে বিএনপির জন্য কাজ করি...আমি একটি পদে আছি এবং আমার বিরুদ্ধেও অনেক মিথ্যা মামলা ছিল।’
রুহুল আমিন আরও জোর দিয়ে বলেন, সাইফ আলী খানের বাসায় সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়া ব্যক্তি—যাকে গত রোববার (১৯ জানুয়ারি) থানে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে—সেই ব্যক্তি আর তাঁর ছেলে এক নন। তিনি বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাওয়া ব্যক্তি তাঁর ছেলে নন।

তিনি বলেন, ‘তার (শরিফুল) বয়স ৩০। ছোটবেলা থেকেই তার মুখ ভারী এবং তার দুই পাশে চুল আছে (কিন্তু ছোট) ...ছবিতে (সিসিটিভি ফুটেজ) চুল চোখ পর্যন্ত লম্বা। এই ধরনের চুল আমার ছেলের নয়। (তাই) না, এটা সে নয়।’
গতকাল বৃহস্পতিবার সংবাদ সংস্থা আইএএনএসকেও একই কথা বলেছিলেন রুহুল আমিন।
রুহুল আমিন আরও বলেন, শরিফুল হসপিটালিটি শিল্পে কাজ করতেন। মুম্বাইয়ের হোটেলগুলো বড় এবং পশ্চিমবঙ্গ বা কলকাতার চেয়ে বেশি বেতন দেয়—এই ধারণা থেকেই শরিফুল মুম্বাই যান।
ভারতের পুলিশ ছেলের গ্রেপ্তারের বিষয়ে তাঁকে জানিয়েছে কিনা, এনডিটিভির এ প্রশ্নে রুহুল আমিন বলেন, ‘না। কেউ আসেনি। আমরা ভারতে কাউকে চিনি না। সেখানে আমাদের কোনো সহায় নেই।’
ভারতে ‘অবৈধ বাংলাদেশি’ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে
সাইফ আলী খানের বাড়িতে হামলার অভিযোগে গ্রেপ্তার ব্যক্তির ‘বাংলাদেশি নাগরিকত্ব’ নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। মহারাষ্ট্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি জোট এবং বিরোধী দলের মধ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। গত সপ্তাহে বিজেপি নেতা ও মহারাষ্ট্রের বন্দর মন্ত্রী নিখিল রানে দাবি করেছেন, সাইফ আলী খানের ওপর হামলার ঘটনা ‘কাল্পনিক’। সাইফকে ‘আবর্জনা’ বলেও উল্লেখ করেন এ বিজেপি নেতা।
তিনি বলেন, ‘দেখুন বাংলাদেশিরা মুম্বাইতে কী করছে! তারা সাইফ আলী খানের বাড়িতে ঢুকে গেছে। আগে তারা রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকত...এখন বাড়িতে ঢুকছে। হয়তো সে তাকে (সাইফ আলী খান) নিয়ে যেতে এসেছিল! এটা ভালো...আবর্জনা সরিয়ে নেওয়াই উচিত!’
বিজেপি অভিযোগ করছে, শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে অবৈধভাবে প্রবেশ করতে চাওয়া হাজার হাজার বাংলাদেশিকে বিরোধীরা, যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের শাসক তৃণমূলও রয়েছে, ভোট ব্যাংক হিসেবে নিচ্ছে।
এদিকে আজ বিকেলে মুম্বাইয়ের একটি আদালত গ্রেপ্তার কথিত শেহজাদের পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে।
ভুক্তভোগীর আইনজীবী বলছেন, তাঁর মক্কেল নির্দোষ। তাঁকে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে, কারণ এটি একটি বিখ্যাত সেলিব্রিটির ওপর হামলার সঙ্গে সম্পর্কিত।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে