
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, তাদের বিমান হামলায় ইরানের বেশ কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি পঙ্গু হয়ে গেছে। আর উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত ধ্বংসস্তূপের গভীরে কোনো স্থানে চাপা পড়ে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে গত বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্রের বোমাবর্ষণ এবং ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে শুরু হওয়া পাঁচ সপ্তাহের বেশি সময়ের ক্রমাগত হামলা সত্ত্বেও একটি সন্দেহজনক পারমাণবিক স্থাপনা এখনো অক্ষত রয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে এই ভূগর্ভস্থ স্থাপনাটি এত গভীরে যে তা যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী বাংকার বাস্টার বোমার নাগালেরও বাইরে থাকতে পারে।
তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা—স্থাপনাটি এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। তাঁরা আশঙ্কা করছেন, ভবিষ্যতে এই পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন প্রকল্প ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির এমন এক ক্ষেত্র তৈরি করে দিতে পারে, যা আকাশপথের হামলা থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকবে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যখন যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে বোমাবর্ষণ করছিল, তখন ইরানের প্রতি কঠোর মনোভাবাপন্ন কেউ কেউ তাঁকে সেখানে স্পেশাল ফোর্সের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ স্থল অভিযান চালানোর কথা ভেবে দেখতে চাপ দেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল সেখানে শক্তিশালী বিস্ফোরক বসিয়ে স্থাপনাটি ধ্বংস করা। হোয়াইট হাউসের এক সাবেক কর্মকর্তা সম্প্রতি এই প্রকল্পের ভেতর রাসায়নিক দূষণকারী প্রবেশ করানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
অন্যদিকে সংঘাতের চেয়ে আলোচনায় বিশ্বাসী অন্য বিশেষজ্ঞরা এই ধারণাগুলোকে অবাস্তব বলে মনে করছেন। তাঁদের মতে, পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন এটাই প্রমাণ করে, কেবল শক্তির জোরে ইরানকে পারমাণবিক বোমা অর্জন থেকে বিরত রাখা অসম্ভব। এখন ট্রাম্প যখন ইরানের সঙ্গে আলোচনার পথে হাঁটছেন, তখন উভয় পক্ষই একমত যে যেকোনো চুক্তিতে পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন কর্মসূচি স্থায়ীভাবে বন্ধ করার বিষয়টি অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন কর্মসূচি সম্পর্কে খুব কমই জানা যায়। পর্বতটি স্থানীয়ভাবে ‘কোহ-ই কোলং গাজ লা’ নামে পরিচিত। গত শরতে স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, জুনে মার্কিন বাহিনী দেশটির তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনা অকেজো করে দেওয়ার পরপরই ইরান এই স্থাপনা নির্মাণকাজ এগিয়ে নিয়েছে। এপ্রিলে দেওয়া এক ভাষণে ট্রাম্প এই তৎপরতাকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তিনটি স্থাপনা আক্রান্ত হওয়ার পর ইরানের নেতারা ‘একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থানে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠনের চেষ্টা করেছেন, যা স্পষ্ট করে দেয় যে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির লক্ষ্য ত্যাগ করার কোনো ইচ্ছা তাদের ছিল না।’
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প স্পষ্টতই পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনের কথা নির্দেশ করছিলেন। গত জুনে যুক্তরাষ্ট্রের তথাকথিত অপারেশন মিডনাইট হ্যামারের লক্ষ্যবস্তু হওয়া স্থাপনাগুলোর একটি ছিল ফোরদোর পাহাড়বেষ্টিত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র ৩০ হাজার পাউন্ড ওজনের ম্যাসিভ অর্ডন্যান্স পেনিট্রেটর বা বাংকার বাস্টার বোমা ব্যবহার করেছিল। এই বোমাগুলো বিশেষভাবে এ ধরনের মিশনের জন্যই তৈরি।
থিংকট্যাংক ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটির মতে, সেই শক্তিশালী বোমাগুলোও হয়তো পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনের অভ্যন্তরীণ কক্ষগুলোতে পৌঁছাতে পারবে না। কারণ, এটি ফোরদোর চেয়েও প্রায় ২ হাজার ফুট বেশি গভীরে গ্রানাইট পাথরের নিচে অবস্থিত। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা জিনসার (JINSA) নীতি বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্লেইজ মিসজতাল বলেন, ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন প্রকল্পটি ফোরদোর চেয়েও গভীর, বড় এবং বেশি সুরক্ষিত। এটি এমন একটি জায়গা হতে পারে, যেখানে তারা সামরিক মানের সমৃদ্ধকরণ পরিকল্পনা করছে।’
এর আগে ২০২০ সালে যখন নির্মাণকাজ শুরু হয়, তখন ইরান সরকার বলেছিল এই সাইটে সেন্ট্রিফিউজ তৈরির কারখানা স্থাপন করা হবে। ইসরায়েলি নাশকতায় ধ্বংস হওয়া একটি কারখানার বিকল্প হিসেবে এটি তৈরির কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু ইরান আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থাকে (আইএইএ) এই স্থাপনায় প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। এতে বিশেষজ্ঞদের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে, ইরান আসলে এটিকে পারমাণবিক বোমার উপযোগী সামরিক মানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মতো উন্নত পদক্ষেপের জন্য ব্যবহার করতে চায়।
আরেক থিংকট্যাংক ফাউন্ডেশন ফর ডিফেন্স অব ডেমোক্রেসিজের রিসার্চ ফেলো আন্দ্রেয়া স্ট্রাইকার বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে সংঘাত অবসানের যেকোনো সমঝোতায় ট্রাম্প প্রশাসনের উচিত সব সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ, যাচাইকৃত এবং স্থায়ী বিলুপ্তির দাবিতে অটল থাকা।’
উল্লেখ্য, এই সংস্থাটি ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধকে সমর্থন জানিয়ে আসছিল। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই না তারা বাংকার বাস্টারের নাগালের বাইরে থাকা কোনো স্থাপনায় উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়াক।’
কিছু বিশেষজ্ঞ আশঙ্কা করছেন, ইরান হয়তো ইতিমধ্যে তাদের ৯৭০ পাউন্ড ওজনের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতের কিছু অংশ পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে সরিয়ে নিয়েছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধান রাফায়েল গ্রোসি জানিয়েছেন, তাঁর বিশ্বাস—ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের প্রায় অর্ধেকই ইস্পাহান পারমাণবিক কেন্দ্রে মজুত আছে। গত জুনে যে তিনটি স্থানে বোমা হামলা চালানো হয়েছিল, এটি তার মধ্যে একটি। বাকি অংশ কোথায় থাকতে পারে সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি। এই ইউরেনিয়াম পারমাণবিক অস্ত্রে ব্যবহারযোগ্য করে তুলতে মাত্র কয়েক সপ্তাহের প্রক্রিয়াকরণ প্রয়োজন।
গত বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, যেকোনো শান্তিচুক্তির অংশ হিসেবে ইরান তাদের ‘নিউক্লিয়ার ডাস্ট’ বা ‘পারমাণবিক ধুলা’ হস্তান্তরে সম্মত হয়েছে, যা ছাড়া ইরানের পক্ষে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা সম্ভব নয়। তবে ইরান এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল কেন এখনো পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে বোমা হামলা চালায়নি, তা সম্ভবত এই তথ্য থেকে বোঝা যায়। সেখানে বোমা বর্ষণের ফলে সৃষ্ট ধ্বংসস্তূপ ভেতরে মজুত ইউরেনিয়াম সরানোর কাজ কিংবা স্থাপনাটি ধ্বংস করার মার্কিন অভিযানকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
স্ট্রাইকার আরও বলেন, পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন অকেজো করতে সম্ভবত সামরিক স্যাপার বা প্রকৌশলী মোতায়েন করে শক্তিশালী বিস্ফোরক দিয়ে এর অভ্যন্তরভাগ উড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজন হবে। জিনসার প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী মাইকেল মাকোভস্কি বলেন, ‘ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির যদি সম্পূর্ণ নির্মূল না ঘটে, অর্থাৎ কোনো সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বা স্থাপনা অবশিষ্ট থাকে, তবে আমি মনে করি এটি একটি বিশাল সুযোগ হারানো হিসেবে গণ্য হবে।’ তিনি যোগ করেন, ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন এবং তাঁরা জানেন যে এর সমাধান জরুরি।
ট্রাম্পের নীতির ঘোর বিরোধী এমন অনেক পারমাণবিক বিশেষজ্ঞও পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। দীর্ঘদিনের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞ জোসেফ সিরিনসিওন বলেন, ‘উদ্বেগটা বাস্তব। সমস্যা হলো এটি নিয়ে কিছু করা।’ তিনি আরও বলেন, পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন অকেজো করাসহ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি থামানোর একমাত্র বাস্তবসম্মত পথ হলো কূটনীতির মাধ্যমে তেহরানের সহযোগিতা আদায় করা। আমরা নিজেরা এটা করতে পারব না।
এই স্থাপনাটি ইরানের একেবারে কেন্দ্রে, নাতাঞ্জের বিধ্বস্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র থেকে প্রায় এক মাইল দক্ষিণে এবং তেহরান থেকে ২০০ মাইল দক্ষিণে অবস্থিত। যেকোনো মার্কিন হামলায় হেলিকপ্টার বা মালবাহী বিমানের মতো ধীরগতির আকাশযানগুলো দেশটির গভীরে উড়ে যাওয়ার সময় স্থলপথের আক্রমণের মুখে পড়ার ঝুঁকিতে থাকবে।
একবার মাটিতে নামার পর, মার্কিন সেনা ও প্রকৌশলীরা যখন স্থানটি পরিদর্শন এবং এটি ধ্বংস বা অন্য কোনো কৌশল প্রয়োগের চেষ্টা করবে, তখন তারা ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে অত্যন্ত অসহায় অবস্থায় থাকবে। এর আগে ইরান স্বেচ্ছায় একটি পারমাণবিক স্থাপনা অকেজো করেছিল, ওবামা প্রশাসন ও অন্যান্য কয়েকটি দেশের সঙ্গে ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির অধীনে তেহরান তাদের আরাক পারমাণবিক চুল্লির মূল অংশটি সরিয়ে ফেলে এবং সেটি সিমেন্ট দিয়ে ভরাট করে দেয়।
সম্প্রতি এক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে ফাউন্ডেশন ফর ডিফেন্স অব ডেমোক্রেসিজের প্রধান নির্বাহী মার্ক দুবোভিৎজ প্রশ্ন তোলেন, স্থাপনাটি অকেজো করার জন্য পুঁতে রাখা উচ্চমাত্রার বিস্ফোরকই যথেষ্ট কি না। তিনি বলেন, এই কাজের জন্য কোনো রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে যাতে আগামী ১০০ বছর স্থানটি মানুষের প্রবেশের অযোগ্য থাকে।
তবে পিকঅ্যাক্স একমাত্র উদ্বেগজনক ভূগর্ভস্থ ইরানি স্থাপনা নয়। ২০২৫ সালের মার্চ মাসে তেহরান আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থাকে জানিয়েছিল, তারা ইস্পাহানে একটি নতুন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র তৈরি করেছে। তবে সংস্থার কর্মকর্তারা সেই স্থানটি পরিদর্শন করতে পারেননি এবং গত বছরের হামলার পর সে সম্পর্কে অনেক কিছুই অজানা রয়ে গেছে।
জিনসার এক নতুন বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইস্পাহানের এই স্থানটিও সম্ভবত বাংকার বাস্টার বোমার নাগালের বাইরে অনেক গভীরে অবস্থিত। বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, স্থানটি পরিদর্শন করা উচিত এবং প্রয়োজন হলে এটিকে ইরানের ব্যবহারের অযোগ্য ও অগম্য করে তুলতে হবে। গত জুনের মার্কিন বিমান হামলায় ইস্পাহান কেন্দ্রের চারটি সুড়ঙ্গপথের মুখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আন্দ্রেয়া স্ট্রাইকার বলেন, পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে ইরানের অবাধ যাতায়াত এবং সেখানে সাম্প্রতিক তৎপরতা এই স্থানটিকে অধিকতর গুরুত্ব দিচ্ছে। স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, স্থাপনার প্রবেশপথগুলো মজবুত করার জন্য সেখানে ডাম্প ট্রাক, সিমেন্ট মিক্সার, ব্যাকহো এবং ক্রেন ব্যবহার করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে অন্যান্য যানবাহনের চলাচল ইঙ্গিত দিচ্ছে যে এর অভ্যন্তরভাগ সজ্জার কাজও হয়তো চলছে।
এর আগে ৭ এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির আগে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলিকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, ট্রাম্প এই স্থাপনা অকেজো করতে কোনো স্থল অভিযানের কথা ভাবছেন কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোনো সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বা করবেন না, তা কখনোই গণমাধ্যমকে জানান না।’ তবে তিনি যোগ করেন, ‘তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না। সব বিকল্পই সব সময় আলোচনার টেবিলে রয়েছে।’
তথ্যসূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

উত্তরপ্রদেশের কানপুরে এক বীভৎস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। পারিবারিক কলহ ও সন্দেহের জেরে ৪৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তি তাঁর ১১ বছর বয়সী দুই যমজ কন্যাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছেন। আজ রোববার স্থানীয় সময় ভোরে কানপুরের একটি ফ্ল্যাটে এই ঘটনা ঘটে।
২৬ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য নতুন দফার আলোচনা শুক্রবারের আগেই অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের দুটি নিরাপত্তা সূত্র। এই বিষয়টি এমন এক সময়ে প্রকাশ্যে এল যখন, ইরান বলছে—যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার জন্য এখনো কোনো দিন তারিখ নির্ধারিত হয়নি। তবে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনায় বেশ অগ্রগতি
৪৪ মিনিট আগে
ইতালির বেরগামো প্রদেশের কভো শহরে বৈশাখী উৎসবের জমায়েত চলাকালীন এক বন্দুক হামলায় দুই ভারতীয় নাগরিক নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় গত শুক্রবার মাঝরাতের ঠিক কয়েক মিনিট আগে স্থানীয় একটি গুদামঘরে অবস্থিত ‘গুরুদুয়ারা মাতা সাহেব কৌর জি’-র সামনের চত্বরে এই গুলির ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি সপ্তাহে প্রকাশ্য এক গণবাইবেল পাঠে অংশ নেবেন। এই বিষয়টি এমন এক সময়ে সামনে এল যখন তাঁর প্রশাসন সরকারি কার্যক্রমে ধর্ম, বিশেষ করে খ্রিষ্টধর্মকে আরও বেশি করে অন্তর্ভুক্ত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং নানা ইস্যুতে...
১ ঘণ্টা আগে