আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মিয়ানমারের জান্তা সরকার সাবেক এক সামরিক কর্মকর্তার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এদের মধ্যে একটি ৬ বছর বয়সী মেয়ে ও এক কিশোর ছেলেও রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে উল্লেখ করে জান্তা-নিয়ন্ত্রিত পত্রিকা ‘গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার’ জানিয়েছে, তারা সবাই গত ২২ মে ইয়াঙ্গুন শহরে সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ও কূটনীতিক চো তুন আংকে হত্যার সঙ্গে জড়িত। নিহত ৬৮ বছর বয়সী চো তুন আং কম্বোডিয়ায় মিয়ানমারের সাবেক রাষ্ট্রদূত ছিলেন। তিনি তাঁর নাতনির সঙ্গে হাঁটতে বের হলে সন্ত্রাসীরা তাঁকে গুলি করে হত্যা করে।
শনিবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে ‘গোল্ডেন ভ্যালি ওয়ারিয়র্স’ নামের একটি শহুরে গেরিলা গোষ্ঠী। তারা জানিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত ওই জেনারেল সেনা অভিযানে সহায়তা করে আসছিলেন। বিশেষ করে, বেসামরিক জনগণের ওপর পরিচালিত দমনমূলক অভিযানে তিনি ভূমিকা রাখছিলেন।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পত্রিকায় প্রকাশিত গ্রেপ্তারকৃতদের ছবিতে ছয় বছর বয়সী একটি মেয়ে ও এক কিশোরের মুখচ্ছবিও (মাগশট) দেখা গেছে। তাদেরও ওই গেরিলা গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
জান্তার অভিযোগ, ওই হত্যাকাণ্ডে অর্থের জোগান দিয়েছে জাতীয় ঐক্য সরকার (এনইউজি)। এটি মূলত সাবেক নির্বাচিত সু চি প্রশাসনের সদস্যদের নিয়ে গঠিত একটি ছায়া সরকার, যা দেশের বাইরে থেকে পরিচালিত হচ্ছে। জান্তার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ ধরনের প্রতিটি হত্যার জন্য ২ লাখ কিয়াত বা মাত্র ৯৫ ডলার করে প্রদান করে এনইউজি।
তবে এনইউজির মুখপাত্র নাই ফোন লাট এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘মানুষ হত্যা করতে আমরা কাউকে অর্থ দিই না। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।’
২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই মিয়ানমার গৃহযুদ্ধে জর্জরিত। জান্তা সরকার এখন পর্যন্ত দেশটির প্রায় ২৯ হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে। এদের মধ্যে প্রায় ৬ হাজার নারী এবং ছয় শতাধিক শিশু রয়েছে বলে জানিয়েছে ‘অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন অব পলিটিক্যাল প্রিজনার্স’।
অন্যদিকে জান্তা দাবি করছে, তারা শান্তি ও স্থিতির জন্য সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালাচ্ছে এবং তারা বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করছে না। তবে বাস্তবে জাতিগোষ্ঠীগত মিলিশিয়া এবং গণতন্ত্রপন্থী যোদ্ধারা ইতিমধ্যেই দেশটির বিস্তৃত অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

মিয়ানমারের জান্তা সরকার সাবেক এক সামরিক কর্মকর্তার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এদের মধ্যে একটি ৬ বছর বয়সী মেয়ে ও এক কিশোর ছেলেও রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে উল্লেখ করে জান্তা-নিয়ন্ত্রিত পত্রিকা ‘গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার’ জানিয়েছে, তারা সবাই গত ২২ মে ইয়াঙ্গুন শহরে সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ও কূটনীতিক চো তুন আংকে হত্যার সঙ্গে জড়িত। নিহত ৬৮ বছর বয়সী চো তুন আং কম্বোডিয়ায় মিয়ানমারের সাবেক রাষ্ট্রদূত ছিলেন। তিনি তাঁর নাতনির সঙ্গে হাঁটতে বের হলে সন্ত্রাসীরা তাঁকে গুলি করে হত্যা করে।
শনিবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে ‘গোল্ডেন ভ্যালি ওয়ারিয়র্স’ নামের একটি শহুরে গেরিলা গোষ্ঠী। তারা জানিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত ওই জেনারেল সেনা অভিযানে সহায়তা করে আসছিলেন। বিশেষ করে, বেসামরিক জনগণের ওপর পরিচালিত দমনমূলক অভিযানে তিনি ভূমিকা রাখছিলেন।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পত্রিকায় প্রকাশিত গ্রেপ্তারকৃতদের ছবিতে ছয় বছর বয়সী একটি মেয়ে ও এক কিশোরের মুখচ্ছবিও (মাগশট) দেখা গেছে। তাদেরও ওই গেরিলা গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
জান্তার অভিযোগ, ওই হত্যাকাণ্ডে অর্থের জোগান দিয়েছে জাতীয় ঐক্য সরকার (এনইউজি)। এটি মূলত সাবেক নির্বাচিত সু চি প্রশাসনের সদস্যদের নিয়ে গঠিত একটি ছায়া সরকার, যা দেশের বাইরে থেকে পরিচালিত হচ্ছে। জান্তার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ ধরনের প্রতিটি হত্যার জন্য ২ লাখ কিয়াত বা মাত্র ৯৫ ডলার করে প্রদান করে এনইউজি।
তবে এনইউজির মুখপাত্র নাই ফোন লাট এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘মানুষ হত্যা করতে আমরা কাউকে অর্থ দিই না। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।’
২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই মিয়ানমার গৃহযুদ্ধে জর্জরিত। জান্তা সরকার এখন পর্যন্ত দেশটির প্রায় ২৯ হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে। এদের মধ্যে প্রায় ৬ হাজার নারী এবং ছয় শতাধিক শিশু রয়েছে বলে জানিয়েছে ‘অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন অব পলিটিক্যাল প্রিজনার্স’।
অন্যদিকে জান্তা দাবি করছে, তারা শান্তি ও স্থিতির জন্য সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালাচ্ছে এবং তারা বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করছে না। তবে বাস্তবে জাতিগোষ্ঠীগত মিলিশিয়া এবং গণতন্ত্রপন্থী যোদ্ধারা ইতিমধ্যেই দেশটির বিস্তৃত অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
২ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে