আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল দেশটির কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গাজায় আরও জমি দখল করতে এবং ছিটমহলটির উপকূলের দিকে ‘ইয়েলো লাইন বা হলুদ রেখাকে’ আরও পশ্চিমে ঠেলে দিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী মার্চ মাসে একটি নতুন অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করছে।
প্রতিবেদনে এক আরব কূটনীতিকের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি দ্বিতীয় পর্যায়ের দিকে অগ্রসর হলেও হামাসকে নিরস্ত্রীকরণে ব্যর্থতার দোহাই দিয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এই অভিযানের পরিকল্পনা তৈরি করেছে।
২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর মার্কিন মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি হয়, যার অধীনে ইসরায়েলি বাহিনী ইয়েলো লাইন পর্যন্ত পিছু হটে। এতে তারা গাজার অর্ধেকেরও বেশি, অর্থাৎ প্রায় ৫৩ শতাংশ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ পায়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্চ মাসে পরিকল্পিত এই অভিযানটি মূলত গাজা সিটিকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হবে এবং এর মাধ্যমে ইসরায়েল তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা আরও সম্প্রসারিত করতে পারে।
হামাস মুখপাত্র হাজেম কাসেম গত শনিবার বলেছেন যে, গোষ্ঠীটি ‘গাজা উপত্যকার বিষয়াবলী পরিচালনাকারী সরকারি সংস্থাগুলো বিলুপ্ত করার এবং সেগুলো একটি টেকনোক্র্যাট কমিটির কাছে হস্তান্তর করার স্পষ্ট সিদ্ধান্ত’ নিয়েছে। গোষ্ঠীটি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন এবং গাজার জন্য মার্কিন-সমর্থিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায়ে উত্তরণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে, যার মধ্যে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী বাহিনী গঠনের কথা রয়েছে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই বাহিনীতে তুরস্কের অংশগ্রহণের বিরোধিতা করেছেন। এর ফলে, আজারবাইজান, পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো অন্যান্য সম্ভাব্য অংশীদারেরা সৈন্য পাঠাতে নিরুৎসাহিত হয়েছে।
ইসরায়েল বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। গত তিন মাসে প্রায় ১ গহাজার ২০০ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের মাধ্যমে তারা ৪৩৯ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে, যার মধ্যে বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ এবং ঘরবাড়ি ধ্বংসের ঘটনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
হামাস শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমরা মধ্যস্থতাকারী এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তির গ্যারান্টার দেশগুলোকে যুদ্ধাপরাধী (ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন) নেতানিয়াহুর তত্ত্বাবধানে মিথ্যা ও বানোয়াট অজুহাতে সংঘটিত এই গুরুতর লঙ্ঘনের নিন্দা জানানোর আহ্বান জানাই।’
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি বাহিনী গাজা উপত্যকায় ২০ হাজার শিশুসহ ৭১ হাজার ৪০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। আরও হাজার হাজার মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ রয়েছেন। গাজার সিভিল ডিফেন্স এবং উদ্ধারকারী সংস্থাগুলোর কাছে মৃতদেহ উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে, তার ওপর বিরূপ আবহাওয়া ছিটমহলটির জীবনযাত্রাকে আরও শোচনীয় করে তুলেছে।
ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ সতর্ক করেছে যে, বন্যা এবং ধসে পড়া আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতি চরম মানবিক সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে এবং অসহায় পরিবারগুলোকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
ইন্টার-এজেন্সি শেল্টার ক্লাস্টারের ডিসেম্বরের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় বায়রন প্রায় ৬৫ হাজার পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং দশ লাখেরও বেশি মানুষের জরুরি আশ্রয় সহায়তার প্রয়োজন।
ইসরায়েলি বাহিনী গাজার ওপর অবরোধ অব্যাহত রেখেছে, সীমান্ত পারাপারগুলো বন্ধ রেখেছে এবং মানবিক সহায়তার ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। ইউএনআরডব্লিউএ প্রধান ফিলিপ লাজারিনি আনাদোলু এজেন্সিকে বলেছেন যে, সহায়তা ‘এখনও পর্যাপ্ত পরিমাণে পৌঁছাচ্ছে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ এখনও নড়বড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে বাস করছে। কেবল এমন তাবু এসেছে যা জলরোধী নয় এবং মানুষকে সুরক্ষা দেয় না। মানুষের কাছে প্রায় সবকিছুরই অভাব রয়েছে।’
জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক কার্যালয় মঙ্গলবার জানিয়েছে, সাম্প্রতিক ঝড়গুলোতে মানবিক সংস্থাগুলোর ত্রাণ পৌঁছানোর রাস্তা এবং অস্থায়ী শিক্ষা কেন্দ্রগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্রমবর্ধমান সংখ্যক সংস্থা এবং দেশও মানবিক ত্রাণের ওপর ইসরায়েলের বিধিনিষেধের সমালোচনা করেছে, যা মার্কিন-মধ্যস্থতাকারী যুদ্ধবিরতির আরেকটি লঙ্ঘন।
ইসরায়েল মানবিক সহায়তা প্রদানকারী সংস্থাগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দেওয়ার পর গাজায় কর্মরত ত্রাণ সংস্থাগুলো এর ‘ভয়াবহ’ পরিণতির বিষয়ে সতর্ক করেছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৭টি সংস্থার মধ্যে অন্যতম ‘ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স’ (এমএসএফ) সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে শেয়ার করা পোস্টে বলেছে, যদি তারা এবং অন্যান্য ত্রাণ গোষ্ঠী গাজা ও পশ্চিম তীরে কাজ করার সুযোগ হারায়, তবে ‘লাখ লাখ ফিলিস্তিনি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।’
আরব ও ইউরোপীয় দেশগুলো দাবি জানিয়েছে যে, বিশেষ করে এই কঠিন শীতকালীন পরিস্থিতিতে ইসরায়েল যেন অধিকার রক্ষা গোষ্ঠীগুলোকে ফিলিস্তিনি অঞ্চলগুলোতে ‘টেকসই, নিশ্চিত এবং অবাধ’ প্রবেশের অনুমতি দেয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল দেশটির কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গাজায় আরও জমি দখল করতে এবং ছিটমহলটির উপকূলের দিকে ‘ইয়েলো লাইন বা হলুদ রেখাকে’ আরও পশ্চিমে ঠেলে দিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী মার্চ মাসে একটি নতুন অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করছে।
প্রতিবেদনে এক আরব কূটনীতিকের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি দ্বিতীয় পর্যায়ের দিকে অগ্রসর হলেও হামাসকে নিরস্ত্রীকরণে ব্যর্থতার দোহাই দিয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এই অভিযানের পরিকল্পনা তৈরি করেছে।
২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর মার্কিন মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি হয়, যার অধীনে ইসরায়েলি বাহিনী ইয়েলো লাইন পর্যন্ত পিছু হটে। এতে তারা গাজার অর্ধেকেরও বেশি, অর্থাৎ প্রায় ৫৩ শতাংশ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ পায়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্চ মাসে পরিকল্পিত এই অভিযানটি মূলত গাজা সিটিকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হবে এবং এর মাধ্যমে ইসরায়েল তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা আরও সম্প্রসারিত করতে পারে।
হামাস মুখপাত্র হাজেম কাসেম গত শনিবার বলেছেন যে, গোষ্ঠীটি ‘গাজা উপত্যকার বিষয়াবলী পরিচালনাকারী সরকারি সংস্থাগুলো বিলুপ্ত করার এবং সেগুলো একটি টেকনোক্র্যাট কমিটির কাছে হস্তান্তর করার স্পষ্ট সিদ্ধান্ত’ নিয়েছে। গোষ্ঠীটি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন এবং গাজার জন্য মার্কিন-সমর্থিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায়ে উত্তরণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে, যার মধ্যে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী বাহিনী গঠনের কথা রয়েছে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই বাহিনীতে তুরস্কের অংশগ্রহণের বিরোধিতা করেছেন। এর ফলে, আজারবাইজান, পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো অন্যান্য সম্ভাব্য অংশীদারেরা সৈন্য পাঠাতে নিরুৎসাহিত হয়েছে।
ইসরায়েল বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। গত তিন মাসে প্রায় ১ গহাজার ২০০ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের মাধ্যমে তারা ৪৩৯ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে, যার মধ্যে বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ এবং ঘরবাড়ি ধ্বংসের ঘটনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
হামাস শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমরা মধ্যস্থতাকারী এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তির গ্যারান্টার দেশগুলোকে যুদ্ধাপরাধী (ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন) নেতানিয়াহুর তত্ত্বাবধানে মিথ্যা ও বানোয়াট অজুহাতে সংঘটিত এই গুরুতর লঙ্ঘনের নিন্দা জানানোর আহ্বান জানাই।’
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি বাহিনী গাজা উপত্যকায় ২০ হাজার শিশুসহ ৭১ হাজার ৪০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। আরও হাজার হাজার মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ রয়েছেন। গাজার সিভিল ডিফেন্স এবং উদ্ধারকারী সংস্থাগুলোর কাছে মৃতদেহ উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে, তার ওপর বিরূপ আবহাওয়া ছিটমহলটির জীবনযাত্রাকে আরও শোচনীয় করে তুলেছে।
ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ সতর্ক করেছে যে, বন্যা এবং ধসে পড়া আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতি চরম মানবিক সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে এবং অসহায় পরিবারগুলোকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
ইন্টার-এজেন্সি শেল্টার ক্লাস্টারের ডিসেম্বরের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় বায়রন প্রায় ৬৫ হাজার পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং দশ লাখেরও বেশি মানুষের জরুরি আশ্রয় সহায়তার প্রয়োজন।
ইসরায়েলি বাহিনী গাজার ওপর অবরোধ অব্যাহত রেখেছে, সীমান্ত পারাপারগুলো বন্ধ রেখেছে এবং মানবিক সহায়তার ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। ইউএনআরডব্লিউএ প্রধান ফিলিপ লাজারিনি আনাদোলু এজেন্সিকে বলেছেন যে, সহায়তা ‘এখনও পর্যাপ্ত পরিমাণে পৌঁছাচ্ছে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ এখনও নড়বড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে বাস করছে। কেবল এমন তাবু এসেছে যা জলরোধী নয় এবং মানুষকে সুরক্ষা দেয় না। মানুষের কাছে প্রায় সবকিছুরই অভাব রয়েছে।’
জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক কার্যালয় মঙ্গলবার জানিয়েছে, সাম্প্রতিক ঝড়গুলোতে মানবিক সংস্থাগুলোর ত্রাণ পৌঁছানোর রাস্তা এবং অস্থায়ী শিক্ষা কেন্দ্রগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্রমবর্ধমান সংখ্যক সংস্থা এবং দেশও মানবিক ত্রাণের ওপর ইসরায়েলের বিধিনিষেধের সমালোচনা করেছে, যা মার্কিন-মধ্যস্থতাকারী যুদ্ধবিরতির আরেকটি লঙ্ঘন।
ইসরায়েল মানবিক সহায়তা প্রদানকারী সংস্থাগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দেওয়ার পর গাজায় কর্মরত ত্রাণ সংস্থাগুলো এর ‘ভয়াবহ’ পরিণতির বিষয়ে সতর্ক করেছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৭টি সংস্থার মধ্যে অন্যতম ‘ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স’ (এমএসএফ) সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে শেয়ার করা পোস্টে বলেছে, যদি তারা এবং অন্যান্য ত্রাণ গোষ্ঠী গাজা ও পশ্চিম তীরে কাজ করার সুযোগ হারায়, তবে ‘লাখ লাখ ফিলিস্তিনি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।’
আরব ও ইউরোপীয় দেশগুলো দাবি জানিয়েছে যে, বিশেষ করে এই কঠিন শীতকালীন পরিস্থিতিতে ইসরায়েল যেন অধিকার রক্ষা গোষ্ঠীগুলোকে ফিলিস্তিনি অঞ্চলগুলোতে ‘টেকসই, নিশ্চিত এবং অবাধ’ প্রবেশের অনুমতি দেয়।

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৯ ঘণ্টা আগে