আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছে। পাশাপাশি আগামী কয়েক বছর দেশটির তেল সম্পদের ওপর ওয়াশিংটনের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলা এখন ওয়াশিংটনকে ‘প্রয়োজনীয় সবকিছু’ দিচ্ছে এবং অনির্দিষ্টকালের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সেখানে রাজনৈতিক অভিভাবক হিসেবে অবস্থান করবে।
গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমরা ভেনেজুয়েলাকে পুনর্গঠন করব। আমরা দেশটির তেল ব্যবহার করব এবং তেল নেব।’ তিনি জানান, ভেনেজুয়েলার তেল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা আছে।
ভেনেজুয়েলার ওপর হোয়াইট হাউস কত দিন সরাসরি নজরদারি বজায় রাখবে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সেটা সময়ই বলে দেবে।’ এক বছরের বেশি সময় হবে কি না, জানতে চাইলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বলব, তার চেয়েও অনেক বেশি।’
গতকাল বুধবার ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজও মার্কিন বাজারে তেল বিক্রির পরিকল্পনাকে সমর্থন করে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি স্বীকার করেন, নিকোলা মাদুরোকে সরাতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা দুই দেশের সম্পর্কের ওপর একটি ‘দাগ’ ফেলেছে, তবে এমন পরিস্থিতেও আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য করা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তিনি বলেন, ‘ভেনেজুয়েলা এমন জ্বালানি সম্পর্কের জন্য উন্মুক্ত, যেখানে উভয় পক্ষই লাভবান হবে।’
মার্কিন প্রশাসন ভেনেজুয়েলার তেল খাতের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপেরও একটি রূপরেখা ঘোষণা করেছে। মার্কিন জ্বালানিসচিব ক্রিস রাইট জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার বর্তমান মজুত এবং ভবিষ্যতে উৎপাদিত সব তেল যুক্তরাষ্ট্র নিজেই বাজারজাত করবে। বিক্রির অর্থ মার্কিন সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা অ্যাকাউন্টে জমা হবে।
ভেনেজুয়েলার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রায় ২০০ কোটি ডলারের অপরিশোধিত তেল আটকা পড়ে ছিল। গতকাল বুধবার এই তেল রপ্তানি করতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কারাকাস একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। ট্রাম্প এই বিষয়ের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা তেলের দাম কমিয়ে আনছি এবং সেই অর্থ ভেনেজুয়েলাকেই দিচ্ছি। তাদের এখন জরুরি অর্থের প্রয়োজন।’
এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেল চুক্তি থেকে পাওয়া অর্থ দিয়ে ভেনেজুয়েলা শুধু মার্কিন পণ্যই কিনবে। তিনি লেখেন, ‘আমাকে এইমাত্র জানানো হয়েছে, আমাদের নতুন তেল চুক্তি থেকে পাওয়া অর্থ দিয়ে ভেনেজুয়েলা শুধু আমেরিকায় তৈরি পণ্যই কিনবে।’
এর আগে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স ফক্স নিউজকে বলেছিলেন, ভেনেজুয়েলা শুধু তখনই তেল বিক্রি করতে পারবে, যদি তা আমেরিকার ‘জাতীয় স্বার্থ’ রক্ষা করে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কেন তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়ী এবং নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী বিরোধী নেত্রী মারিয়া কারিনা মাচাদোকে সমর্থন না দিয়ে মাদুরোর সাবেক সহযোগী দেলসি রদ্রিগুয়েজকে বেছে নিলেন? ট্রাম্প এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে শুধু বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও রদ্রিগুয়েজের সঙ্গে ‘সব সময়’ যোগাযোগ রাখছেন।
ভেনেজুয়েলায় কবে নাগাদ নির্বাচন হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি কোনো প্রতিশ্রুতি দেননি।
এদিকে আগামীকাল শুক্রবার হোয়াইট হাউসে শেভরন, এক্সনমোবিল এবং কনোকো ফিলিপসের মতো বড় তেল কোম্পানিগুলোর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন ট্রাম্প। সরকার চায় এই কোম্পানিগুলো দ্রুত ভেনেজুয়েলায় বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করুক। তবে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিনিয়োগের আগে কোম্পানিগুলো ওয়াশিংটনের কাছ থেকে ‘আইনি ও আর্থিক নিশ্চয়তা’ দাবি করছে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে তারা বিপুল মূলধন বিনিয়োগের আগে সুরক্ষা চাচ্ছে।

ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছে। পাশাপাশি আগামী কয়েক বছর দেশটির তেল সম্পদের ওপর ওয়াশিংটনের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলা এখন ওয়াশিংটনকে ‘প্রয়োজনীয় সবকিছু’ দিচ্ছে এবং অনির্দিষ্টকালের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সেখানে রাজনৈতিক অভিভাবক হিসেবে অবস্থান করবে।
গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমরা ভেনেজুয়েলাকে পুনর্গঠন করব। আমরা দেশটির তেল ব্যবহার করব এবং তেল নেব।’ তিনি জানান, ভেনেজুয়েলার তেল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা আছে।
ভেনেজুয়েলার ওপর হোয়াইট হাউস কত দিন সরাসরি নজরদারি বজায় রাখবে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সেটা সময়ই বলে দেবে।’ এক বছরের বেশি সময় হবে কি না, জানতে চাইলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বলব, তার চেয়েও অনেক বেশি।’
গতকাল বুধবার ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজও মার্কিন বাজারে তেল বিক্রির পরিকল্পনাকে সমর্থন করে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি স্বীকার করেন, নিকোলা মাদুরোকে সরাতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা দুই দেশের সম্পর্কের ওপর একটি ‘দাগ’ ফেলেছে, তবে এমন পরিস্থিতেও আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য করা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তিনি বলেন, ‘ভেনেজুয়েলা এমন জ্বালানি সম্পর্কের জন্য উন্মুক্ত, যেখানে উভয় পক্ষই লাভবান হবে।’
মার্কিন প্রশাসন ভেনেজুয়েলার তেল খাতের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপেরও একটি রূপরেখা ঘোষণা করেছে। মার্কিন জ্বালানিসচিব ক্রিস রাইট জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার বর্তমান মজুত এবং ভবিষ্যতে উৎপাদিত সব তেল যুক্তরাষ্ট্র নিজেই বাজারজাত করবে। বিক্রির অর্থ মার্কিন সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা অ্যাকাউন্টে জমা হবে।
ভেনেজুয়েলার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রায় ২০০ কোটি ডলারের অপরিশোধিত তেল আটকা পড়ে ছিল। গতকাল বুধবার এই তেল রপ্তানি করতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কারাকাস একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। ট্রাম্প এই বিষয়ের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা তেলের দাম কমিয়ে আনছি এবং সেই অর্থ ভেনেজুয়েলাকেই দিচ্ছি। তাদের এখন জরুরি অর্থের প্রয়োজন।’
এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেল চুক্তি থেকে পাওয়া অর্থ দিয়ে ভেনেজুয়েলা শুধু মার্কিন পণ্যই কিনবে। তিনি লেখেন, ‘আমাকে এইমাত্র জানানো হয়েছে, আমাদের নতুন তেল চুক্তি থেকে পাওয়া অর্থ দিয়ে ভেনেজুয়েলা শুধু আমেরিকায় তৈরি পণ্যই কিনবে।’
এর আগে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স ফক্স নিউজকে বলেছিলেন, ভেনেজুয়েলা শুধু তখনই তেল বিক্রি করতে পারবে, যদি তা আমেরিকার ‘জাতীয় স্বার্থ’ রক্ষা করে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কেন তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়ী এবং নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী বিরোধী নেত্রী মারিয়া কারিনা মাচাদোকে সমর্থন না দিয়ে মাদুরোর সাবেক সহযোগী দেলসি রদ্রিগুয়েজকে বেছে নিলেন? ট্রাম্প এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে শুধু বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও রদ্রিগুয়েজের সঙ্গে ‘সব সময়’ যোগাযোগ রাখছেন।
ভেনেজুয়েলায় কবে নাগাদ নির্বাচন হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি কোনো প্রতিশ্রুতি দেননি।
এদিকে আগামীকাল শুক্রবার হোয়াইট হাউসে শেভরন, এক্সনমোবিল এবং কনোকো ফিলিপসের মতো বড় তেল কোম্পানিগুলোর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন ট্রাম্প। সরকার চায় এই কোম্পানিগুলো দ্রুত ভেনেজুয়েলায় বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করুক। তবে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিনিয়োগের আগে কোম্পানিগুলো ওয়াশিংটনের কাছ থেকে ‘আইনি ও আর্থিক নিশ্চয়তা’ দাবি করছে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে তারা বিপুল মূলধন বিনিয়োগের আগে সুরক্ষা চাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তাইওয়ান ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের ওপরই নির্ভর করছে। ভেনেজুয়েলায় সাম্প্রতিক মার্কিন সামরিক অভিযানের সঙ্গে তাইওয়ানের পরিস্থিতির স্পষ্ট পার্থক্য টানতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত বৈঠকে যোগ দিতে জয়শঙ্করের নিউইয়র্ক পৌঁছানো অত্যন্ত জরুরি ছিল। কিন্তু বিমান পরিষেবা স্থবির হয়ে পড়ায় মার্কিন ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি সার্ভিস (ডিএসএস) সড়কপথের বিকল্প বেছে নেয়। মার্কিন-কানাডা সীমান্তের লুইস্টন-কুইনস্টন ব্রিজে...
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে দেশজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে অনলাইন পর্যবেক্ষণ সংস্থা নেটব্লকস। দেশটিতে চলমান তীব্র অর্থনৈতিক সংকটকে ঘিরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার মধ্যেই এই ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট দেখা গেল। খবর আল জাজিরার
৫ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েল গতকাল বৃহস্পতিবার গাজাজুড়ে হামলা চালিয়ে অন্তত ১৪ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে, যাদের মধ্যে পাঁচ শিশুও রয়েছে; এমনটি জানিয়েছে চিকিৎসা সূত্রগুলো। অক্টোবর মাসে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও উপকূলীয় এই ভূখণ্ডে বোমাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৫ ঘণ্টা আগে