আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ বলেছেন, ইরানি জনগণের এখন উঠে দাঁড়ানোর এবং তেহরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে পরিবর্তন করার সুযোগ রয়েছে।
আজ সোমবার সিএনএনের ওল্ফ ব্লিটজারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হারজোগ বলেন, ‘আমি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী, আমরা এখন পর্যন্ত যা দেখিয়েছি, তা আরও নাটকীয়ভাবে চালিয়ে যাওয়া সম্ভব এবং এর ফলে ইরানেও পরিস্থিতির গতি পরিবর্তন হতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইরানি জনগণ কয়েক দশক ধরে নিপীড়নের শিকার। আমরা সবাই বিশ্বাস করি, তারা এখন এই অবস্থায় ক্লান্ত এবং এটা তাদের জন্য শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের একটি সুযোগ।’
তবে প্রেসিডেন্ট হারজোগ স্পষ্ট করে বলেন, ইরানে ইসরায়েলের অভিযান কোনো ‘শাসন পরিবর্তনের’ লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে না। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করা।’
ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং দেশটির সামরিক নেতৃত্বের বড় একটি অংশ ধ্বংস হয়েছে। এর ফলে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নেতৃত্বাধীন শাসনব্যবস্থা আরও চাপের মুখে পড়েছে। ২০২৩ সাল থেকে ইরানের আঞ্চলিক ছায়াগোষ্ঠীগুলোর ওপর ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলায় খামেনির শাসনব্যবস্থা দুর্বল হতে শুরু করেছিল।
সিএনএনকে একজন সিনিয়র মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইসরায়েলের সামনে খামেনিকে হত্যা করার সুযোগ এসেছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, সেই সময়কার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছেন।
এই প্রসঙ্গে হারজোগ বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট, নির্বাহী বিভাগের প্রধান নই। সেই দায়িত্ব যাঁরা নিয়েছেন বা নেবেন, সিদ্ধান্ত তাঁদেরই।’
তবে প্রেসিডেন্ট হারজোগ জোর দিয়ে বলেছেন, খামেনির নেতৃত্বে ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহী, লেবাননে হিজবুল্লাহ, গাজায় হামাস এমনকি লাতিন আমেরিকায়ও সন্ত্রাসী সেল গঠিত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ বলেছেন, ইরানি জনগণের এখন উঠে দাঁড়ানোর এবং তেহরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে পরিবর্তন করার সুযোগ রয়েছে।
আজ সোমবার সিএনএনের ওল্ফ ব্লিটজারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হারজোগ বলেন, ‘আমি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী, আমরা এখন পর্যন্ত যা দেখিয়েছি, তা আরও নাটকীয়ভাবে চালিয়ে যাওয়া সম্ভব এবং এর ফলে ইরানেও পরিস্থিতির গতি পরিবর্তন হতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইরানি জনগণ কয়েক দশক ধরে নিপীড়নের শিকার। আমরা সবাই বিশ্বাস করি, তারা এখন এই অবস্থায় ক্লান্ত এবং এটা তাদের জন্য শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের একটি সুযোগ।’
তবে প্রেসিডেন্ট হারজোগ স্পষ্ট করে বলেন, ইরানে ইসরায়েলের অভিযান কোনো ‘শাসন পরিবর্তনের’ লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে না। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করা।’
ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং দেশটির সামরিক নেতৃত্বের বড় একটি অংশ ধ্বংস হয়েছে। এর ফলে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নেতৃত্বাধীন শাসনব্যবস্থা আরও চাপের মুখে পড়েছে। ২০২৩ সাল থেকে ইরানের আঞ্চলিক ছায়াগোষ্ঠীগুলোর ওপর ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলায় খামেনির শাসনব্যবস্থা দুর্বল হতে শুরু করেছিল।
সিএনএনকে একজন সিনিয়র মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইসরায়েলের সামনে খামেনিকে হত্যা করার সুযোগ এসেছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, সেই সময়কার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছেন।
এই প্রসঙ্গে হারজোগ বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট, নির্বাহী বিভাগের প্রধান নই। সেই দায়িত্ব যাঁরা নিয়েছেন বা নেবেন, সিদ্ধান্ত তাঁদেরই।’
তবে প্রেসিডেন্ট হারজোগ জোর দিয়ে বলেছেন, খামেনির নেতৃত্বে ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহী, লেবাননে হিজবুল্লাহ, গাজায় হামাস এমনকি লাতিন আমেরিকায়ও সন্ত্রাসী সেল গঠিত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
১ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে