আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে শুরু হয়েছে ১৭তম ব্রিকস সম্মেলন। এ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন বিশ্বের প্রধান উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর নেতারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায় ব্রিকস জোটের এমন কোনো নীতিকে সমর্থন করলে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্কের মুখে পড়তে হবে।
গতকাল রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প লেখেন, ‘কোনো দেশ ব্রিকসের আমেরিকাবিরোধী নীতিকে সমর্থন করলে তাদের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। এই কথার কোনো হেরফের হবে না।’
ব্রিকস সম্মেলনে সদস্য দেশগুলো ট্রাম্পের শুল্কনীতি নিয়ে সমালোচনা করার পর তাঁর এই মন্তব্য আসে। একই সঙ্গে তারা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সংস্কার এবং প্রধান মুদ্রাগুলোর মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়া নিয়ে পরিবর্তনের প্রস্তাবও তোলে।
ট্রাম্প আগে থেকেই ব্রিকসকে নিয়ে সমালোচনামুখর। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বলে আসছেন, এই জোট তৈরি হয়েছে সদস্য দেশগুলোর আন্তর্জাতিক অবস্থান শক্তিশালী করতে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম ইউরোপের নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানাতে।
গত বছর ব্রিকস জোটের সদস্য সংখ্যা বেড়েছে। ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে নতুন করে যোগ দিয়েছে মিসর, ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)।
এই জোট বর্তমানে বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি জনসংখ্যাকে প্রতিনিধিত্ব করে বলে ধারণা করা হয়।
সপ্তাহান্তে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে শুরু হওয়া ব্রিকস নেতাদের বৈঠকে বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারের দাবি তোলা হয়। পাশাপাশি ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য দ্বন্দ্ব ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে জোটটিকে কূটনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার কথা বলা হয়।
আরও খবর পড়ুন:

ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে শুরু হয়েছে ১৭তম ব্রিকস সম্মেলন। এ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন বিশ্বের প্রধান উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর নেতারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায় ব্রিকস জোটের এমন কোনো নীতিকে সমর্থন করলে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্কের মুখে পড়তে হবে।
গতকাল রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প লেখেন, ‘কোনো দেশ ব্রিকসের আমেরিকাবিরোধী নীতিকে সমর্থন করলে তাদের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। এই কথার কোনো হেরফের হবে না।’
ব্রিকস সম্মেলনে সদস্য দেশগুলো ট্রাম্পের শুল্কনীতি নিয়ে সমালোচনা করার পর তাঁর এই মন্তব্য আসে। একই সঙ্গে তারা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সংস্কার এবং প্রধান মুদ্রাগুলোর মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়া নিয়ে পরিবর্তনের প্রস্তাবও তোলে।
ট্রাম্প আগে থেকেই ব্রিকসকে নিয়ে সমালোচনামুখর। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বলে আসছেন, এই জোট তৈরি হয়েছে সদস্য দেশগুলোর আন্তর্জাতিক অবস্থান শক্তিশালী করতে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম ইউরোপের নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানাতে।
গত বছর ব্রিকস জোটের সদস্য সংখ্যা বেড়েছে। ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে নতুন করে যোগ দিয়েছে মিসর, ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)।
এই জোট বর্তমানে বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি জনসংখ্যাকে প্রতিনিধিত্ব করে বলে ধারণা করা হয়।
সপ্তাহান্তে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে শুরু হওয়া ব্রিকস নেতাদের বৈঠকে বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারের দাবি তোলা হয়। পাশাপাশি ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য দ্বন্দ্ব ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে জোটটিকে কূটনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার কথা বলা হয়।
আরও খবর পড়ুন:

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের নীতিনির্ধারকেরা গ্যাবার্ডের পূর্বতন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। তাই তাঁকে এই অভিযানের পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত করা হয়নি।
১ ঘণ্টা আগে
ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ‘সে (মাচাদো) আগামী সপ্তাহে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসছে। আমি তার সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করছি। আমি নোবেলের বিষয়টি শুনেছি। যদি সে এমন কিছু করে, তবে এটি বড় সম্মানের বিষয় হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ডস (আইআরজিসি)। শনিবার (১০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে তারা বিক্ষুব্ধ জনতার উদ্দেশ্যে রেডলাইন ঘোষণা করে।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ কিউবার বর্তমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অত্যন্ত ‘শোচনীয়’ হিসেবে বর্ণনা করলেও, দেশটির কমিউনিস্ট সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার—এমন কোনো প্রমাণ পায়নি। গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, কারাকাসের সমর্থন...
৫ ঘণ্টা আগে