
ইউক্রেন অধিকৃত পূর্বাঞ্চলীয় শহর লুহানস্কে গত বুধবার গাড়িবোমা হামলায় রুশ-সমর্থিত এক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এর দায় স্বীকার করেছে ইউক্রনের কর্তৃপক্ষ।
ওই কর্মকর্তার নাম মিখাইল ফিলিপোনেঙ্কো। তিনি ক্রেমলিন পরিচালিত আইনসভার একজন আইনপ্রণেতা এবং তথাকথিত লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিকের (এলপিআর) সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান ছিলেন। এ ছাড়া তিনি ২০১৪ সাল থেকে এই অঞ্চলের রাশিয়াপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন।
ইউক্রেনীয় এবং রুশ উভয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বুধবার ভোরে একটি গাড়িবোমা হামলায় ফিলিপোনেঙ্কো নিহত হন। ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগ তাৎক্ষণিকভাবে এর দায় স্বীকার করেছে এবং সতর্ক করেছে, অন্যরা যাঁরা ‘সন্ত্রাসী রাশিয়ার’ সেবা করছেন, তাঁরা একই রকম ‘প্রতিশোধের’ মুখোমুখি হবেন।
রাশিয়ার তদন্ত কমিটি জানিয়েছে, তারা বিস্ফোরণের অপরাধ তদন্ত শুরু করেছে।
টেলিগ্রামে বলা হয়েছে, গত বুধবার সকালে একটি অজ্ঞাত বিস্ফোরক যন্ত্র গাড়ির নিচে বিস্ফোরিত হলে মিখাইল ফিলিপোনেঙ্কো নিহত হন। এ জন্য একটি ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা বিভাগের ভাষ্য হলো, ফিলিপোনেঙ্কো ব্যক্তিগতভাবে জনগণকে নির্মমভাবে নির্যাতন করেছেন। তিনি লুহানস্ক অঞ্চলের অধিকৃত অঞ্চলে নির্যাতন চেম্বারগুলো পরিচালনায় জড়িত ছিলেন, যেখানে যুদ্ধবন্দীরা থাকতেন।
খেরসন এখনো জ্বলছে
এদিকে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খেরসন এখনো জ্বলছে। চলছে রাশিয়ার অব্যাহত হামলা। খেরসনের আঞ্চলিক প্রশাসনের মুখপাত্র নাদিয়া কুখতার মতে, এক বছরের ব্যবধানে, এই শহর ও এর শহরতলিতে আনুমানিক সাড়ে ৯ হাজার রুশ হামলায় অন্তত ২০০ বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে।
ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস গ্রুপ গত মাসে জানায়, বিস্তৃত অঞ্চলটিতে ৮০ শতাংশ স্বাস্থ্যসেবা-সুবিধা ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
খেরসনে যুদ্ধ-পূর্ব জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৩ লাখ। এখন এ সংখ্যা ৬০ হাজারে নেমে এসেছে বলে কর্তৃপক্ষের ধারণা।

ইউক্রেন অধিকৃত পূর্বাঞ্চলীয় শহর লুহানস্কে গত বুধবার গাড়িবোমা হামলায় রুশ-সমর্থিত এক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এর দায় স্বীকার করেছে ইউক্রনের কর্তৃপক্ষ।
ওই কর্মকর্তার নাম মিখাইল ফিলিপোনেঙ্কো। তিনি ক্রেমলিন পরিচালিত আইনসভার একজন আইনপ্রণেতা এবং তথাকথিত লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিকের (এলপিআর) সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান ছিলেন। এ ছাড়া তিনি ২০১৪ সাল থেকে এই অঞ্চলের রাশিয়াপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন।
ইউক্রেনীয় এবং রুশ উভয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বুধবার ভোরে একটি গাড়িবোমা হামলায় ফিলিপোনেঙ্কো নিহত হন। ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগ তাৎক্ষণিকভাবে এর দায় স্বীকার করেছে এবং সতর্ক করেছে, অন্যরা যাঁরা ‘সন্ত্রাসী রাশিয়ার’ সেবা করছেন, তাঁরা একই রকম ‘প্রতিশোধের’ মুখোমুখি হবেন।
রাশিয়ার তদন্ত কমিটি জানিয়েছে, তারা বিস্ফোরণের অপরাধ তদন্ত শুরু করেছে।
টেলিগ্রামে বলা হয়েছে, গত বুধবার সকালে একটি অজ্ঞাত বিস্ফোরক যন্ত্র গাড়ির নিচে বিস্ফোরিত হলে মিখাইল ফিলিপোনেঙ্কো নিহত হন। এ জন্য একটি ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা বিভাগের ভাষ্য হলো, ফিলিপোনেঙ্কো ব্যক্তিগতভাবে জনগণকে নির্মমভাবে নির্যাতন করেছেন। তিনি লুহানস্ক অঞ্চলের অধিকৃত অঞ্চলে নির্যাতন চেম্বারগুলো পরিচালনায় জড়িত ছিলেন, যেখানে যুদ্ধবন্দীরা থাকতেন।
খেরসন এখনো জ্বলছে
এদিকে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খেরসন এখনো জ্বলছে। চলছে রাশিয়ার অব্যাহত হামলা। খেরসনের আঞ্চলিক প্রশাসনের মুখপাত্র নাদিয়া কুখতার মতে, এক বছরের ব্যবধানে, এই শহর ও এর শহরতলিতে আনুমানিক সাড়ে ৯ হাজার রুশ হামলায় অন্তত ২০০ বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে।
ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস গ্রুপ গত মাসে জানায়, বিস্তৃত অঞ্চলটিতে ৮০ শতাংশ স্বাস্থ্যসেবা-সুবিধা ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
খেরসনে যুদ্ধ-পূর্ব জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৩ লাখ। এখন এ সংখ্যা ৬০ হাজারে নেমে এসেছে বলে কর্তৃপক্ষের ধারণা।

এনডিটিভি জানিয়েছে, সীতামাড়ির ঝাঝিহাট গ্রামে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রিতেশ কুমার (ডাকনাম গোলু) সকালে যখন কোচিং ক্লাসে যাচ্ছিল, সে সময় এক দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যান তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় ওই ছাত্র। খবর পেয়ে রিতেশের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।
২৬ মিনিট আগে
কানাডা ও চীন বৈদ্যুতিক যান (ইভি) এবং ক্যানোলা (সরিষার মতো তেলবীজ) পণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে একটি প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছেছে। আজ শুক্রবার চীন সফররত কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এ কথা জানিয়েছেন। দুই দেশই বাণিজ্য বাধা দূর করা এবং নতুন কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোর কড়া সমালোচক মাচাদো গত বছর ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের’ আন্দোলনের জন্য এই পুরস্কার জিতেছিলেন। এখন তিনি সেই পদক হোয়াইট হাউসে রেখে গেলেন এই আশায়, এই সৌজন্যের বিনিময়ে হয়তো আরও মূল্যবান কিছু মিলবে।
২ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ কোরিয়ার আদালত দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সামরিক আইন (মার্শাল ল) ঘোষণা করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে