
‘এক দিনের মধ্যেই’ রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান খুঁজে বের করার নির্বাচনী ইশতেহার দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে কীভাবে তা করবেন সে বিষয়ে তখন কোনো ব্যাখ্যা দেননি। আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয়বারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের শাসনভার হাতে নেবেন তিনি। কিন্তু দায়িত্ব কাঁধে নেওয়ার আগেই রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে কাজ শুরু করে দিয়েছেন।
গতকাল রোববারই রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে একটি ৮০০ মাইল দীর্ঘ বাফার জোন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ তম প্রেসিডেন্ট। এর পরপরই যুদ্ধ বন্ধে পুতিনকে ফোন কল দিলেন ট্রাম্প।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ইউক্রেনের সঙ্গে উত্তেজনা আর না বাড়াতে পরামর্শ দিয়েছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
আজ সোমবার ওয়াশিংটন পোস্টের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় দ্য গার্ডিয়ান।
ফোনালাপে পুতিনকে ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের ‘বিশাল সামরিক উপস্থিতি’র কথাও স্মরণ করিয়ে দেন ট্রাম্প। ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান নিয়ে ভবিষ্যতে আরও আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন পোস্ট।
এর আগে দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়ে পুতিন বলেন, ইউক্রেনের সংকট নিরসনে আলোচনা করতে মস্কো প্রস্তুত। রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার এবং ইউক্রেন সংকট সমাধানে সহায়তা করতে ট্রাম্প যে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তা নিয়ে তিনিও আগ্রহী।
এর আগে গত বুধবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গেও কথা বলেন ট্রাম্প।
এদিকে এই যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করতে ট্রাম্পকে ওভাল অফিসে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
এ বিষয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যেন ইউক্রেনকে ত্যাগ না করে, ট্রাম্পকে এমন পরামর্শ দিতে পারেন বাইডেন। কেননা যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে ত্যাগ করলে ইউরোপ আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকে ওয়াশিংটন দেশটিতে কয়েক হাজার কোটি ডলারের সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়েছে। ট্রাম্প বরাবরই এ ধরনের সহায়তার বিরোধিতা করেছেন।

‘এক দিনের মধ্যেই’ রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান খুঁজে বের করার নির্বাচনী ইশতেহার দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে কীভাবে তা করবেন সে বিষয়ে তখন কোনো ব্যাখ্যা দেননি। আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয়বারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের শাসনভার হাতে নেবেন তিনি। কিন্তু দায়িত্ব কাঁধে নেওয়ার আগেই রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে কাজ শুরু করে দিয়েছেন।
গতকাল রোববারই রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে একটি ৮০০ মাইল দীর্ঘ বাফার জোন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ তম প্রেসিডেন্ট। এর পরপরই যুদ্ধ বন্ধে পুতিনকে ফোন কল দিলেন ট্রাম্প।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ইউক্রেনের সঙ্গে উত্তেজনা আর না বাড়াতে পরামর্শ দিয়েছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
আজ সোমবার ওয়াশিংটন পোস্টের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় দ্য গার্ডিয়ান।
ফোনালাপে পুতিনকে ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের ‘বিশাল সামরিক উপস্থিতি’র কথাও স্মরণ করিয়ে দেন ট্রাম্প। ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান নিয়ে ভবিষ্যতে আরও আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন পোস্ট।
এর আগে দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়ে পুতিন বলেন, ইউক্রেনের সংকট নিরসনে আলোচনা করতে মস্কো প্রস্তুত। রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার এবং ইউক্রেন সংকট সমাধানে সহায়তা করতে ট্রাম্প যে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তা নিয়ে তিনিও আগ্রহী।
এর আগে গত বুধবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গেও কথা বলেন ট্রাম্প।
এদিকে এই যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করতে ট্রাম্পকে ওভাল অফিসে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
এ বিষয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যেন ইউক্রেনকে ত্যাগ না করে, ট্রাম্পকে এমন পরামর্শ দিতে পারেন বাইডেন। কেননা যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে ত্যাগ করলে ইউরোপ আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকে ওয়াশিংটন দেশটিতে কয়েক হাজার কোটি ডলারের সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়েছে। ট্রাম্প বরাবরই এ ধরনের সহায়তার বিরোধিতা করেছেন।

চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
২ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
২ ঘণ্টা আগে
চলতি মাসের শুরুতে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে মসজিদসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে চার পাতার একটি ফরম বিতরণ করা হয়। এর শিরোনাম ছিল—‘মসজিদের প্রোফাইলিং’। কিন্তু ভারত সরকারের এই উদ্যোগ কাশ্মীরের মুসলিম-অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোর মানুষের মধ্যে তৈরি করেছে একধরনের উদ্বেগ।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় এবার নজিরবিহীন বিতর্কের সৃষ্টি হলো। খোদ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র (নাতির ছেলে) চন্দ্র বসুকে নাগরিকত্বের প্রমাণ যাচাইয়ের জন্য ‘এসআইআর’ শুনানিতে তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। এই নোটিস পাওয়া মাত্রই তীব্র বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক এই বিজেপি নেতা।
৬ ঘণ্টা আগে