
দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোটগ্রহণের পরপরই একাধিক সংস্থা তাদের বুথফেরত জরিপের ফলাফল প্রকাশ করেছে। এতে দেখা গেছে, দিল্লি বিধানসভায় কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি ২৭ বছর পর ক্ষমতায় ফিরতে যাচ্ছে। বর্তমান শাসক দল আম আদমি পার্টি (এএপি) দ্বিতীয় স্থানে থাকতে পারে এবং কংগ্রেসের ভরাডুবির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে জরিপ থেকে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৭ বছর পর দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ও এর মিত্ররা পুনরায় ক্ষমতায় ফিরতে পারে। বর্তমান শাসক দল আম আদমি পার্টি (এএপি) দ্বিতীয় ও কংগ্রেস তৃতীয় অবস্থানে থাকবে।
চাণক্য স্ট্র্যাটেজিসের জরিপ বলছে, বিজেপি জোট ৭০ আসনের বিধানসভায় ৩৯ থেকে ৪৪টি আসন পেতে পারে। এএপি পেতে পারে ২৫-২৮টি ও কংগ্রেস পেতে পারে ২-৩টি আসন। আরেক সংস্থা জেভিসির জরিপে বলা হয়েছে বিজেপি জোট ৩৯-৪৫টি, এএপি ২২-৩১টি এবং কংগ্রেসকে ০ থেকে ২টি আসন পেতে পারে।
ডিভি রিসার্চের বুথফেরত জরিপ অনুসারে, বিজেপি ৩৬-৪৪টি এবং এএপি ২৬-৩৪টি করে আসন পেতে পারে, কিন্তু কংগ্রেস কোনো আসন পাবে না। ম্যাট্রাইজের জরিপ অনুসারে বিজেপি ৩৫-৪০টি ও এএপি ৩২-৩৭টি আসন পেতে পারে এবং কংগ্রেস পেতে পারে বড়জোর ১টি আসন। পি-মার্কের জরিপে বিজেপি জোটের ৩৯-৪৯ টি, এএপির ২১-৩১ ও কংগ্রেসের ০-১টি আসন পাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে।
তবে, মাইন্ড ব্রিঙ্ক ও উইপ্রেসাইড নামক দুটি সংস্থা এএপির জয়ের পূর্বাভাস দিয়েছে। মাইন্ড ব্রিঙ্ক এএপিকে ৪৪-৪৯ টি, বিজেপিকে ২১-২৫টি ও কংগ্রেসকে সর্বোচ্চ ১টি আসন দিয়েছে। উইপ্রেসাইড এএপিকে ৪৬-৫২ টি, বিজেপি জোটকে ১৮-২৩ ও কংগ্রেসকে ০-১টি আসন দিয়েছে।
এএপি নেতা সৌরভ ভারদ্বাজ বুথফেরত জরিপ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ‘আমরা বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করব।’ দলের মুখপাত্র প্রিয়াঙ্কা কক্করও বলেন, ‘বুথফেরত জরিপ কখনোই এএপির সঠিক পূর্বাভাস দেয়নি, এবারও ব্যতিক্রম হবে না।’
তবে বিজেপির দিল্লি সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেবা বুথফেরত জরিপকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘৮ ফেব্রুয়ারি আমাদের জয় আরও উজ্জ্বল হবে।’
এর আগে, গতকাল বুধবার ৭০টি আসনে ভোট হয়। দিল্লির ১ কোটি ৫৬ লাখ ভোটারের জন্য ১৩ হাজার ৭৬৬টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। ৬৯৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এই নির্বাচনে। এতে এএপি ও কংগ্রেস ৭০টি করে ও বিজেপি ৬৮টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল।
দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও এএপি প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল নয়া দিল্লি আসনে লড়েন। তাঁর বিপরীতে বিজেপি ও কংগ্রেস যথাক্রমে পরবেশ সাহিব সিং ও সন্দীপ দীক্ষিতকে প্রার্থী করেছিল। কালকাজিতে এএপির হয়ে অতিশী মারলেনা এবং তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রমেশ বিদুরি ও অলকা লাম্বা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। জঙ্গপুরায় মণীশ সিসোদিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন তারভিন্দর সিং মারওয়া (বিজেপি) ও ফারহাদ সুরি (কংগ্রেস)।
এএপি বলছে, ‘প্রকৃত ফলে আমরা বিশাল জয় পাব।’ তবে বিজেপি বলছে, ‘দিল্লির মানুষ পরিবর্তন চেয়েছে।’ তবে কারা জিতবে না ৮ ফেব্রুয়ারি স্পষ্ট হয়ে যাবে।

দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোটগ্রহণের পরপরই একাধিক সংস্থা তাদের বুথফেরত জরিপের ফলাফল প্রকাশ করেছে। এতে দেখা গেছে, দিল্লি বিধানসভায় কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি ২৭ বছর পর ক্ষমতায় ফিরতে যাচ্ছে। বর্তমান শাসক দল আম আদমি পার্টি (এএপি) দ্বিতীয় স্থানে থাকতে পারে এবং কংগ্রেসের ভরাডুবির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে জরিপ থেকে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৭ বছর পর দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ও এর মিত্ররা পুনরায় ক্ষমতায় ফিরতে পারে। বর্তমান শাসক দল আম আদমি পার্টি (এএপি) দ্বিতীয় ও কংগ্রেস তৃতীয় অবস্থানে থাকবে।
চাণক্য স্ট্র্যাটেজিসের জরিপ বলছে, বিজেপি জোট ৭০ আসনের বিধানসভায় ৩৯ থেকে ৪৪টি আসন পেতে পারে। এএপি পেতে পারে ২৫-২৮টি ও কংগ্রেস পেতে পারে ২-৩টি আসন। আরেক সংস্থা জেভিসির জরিপে বলা হয়েছে বিজেপি জোট ৩৯-৪৫টি, এএপি ২২-৩১টি এবং কংগ্রেসকে ০ থেকে ২টি আসন পেতে পারে।
ডিভি রিসার্চের বুথফেরত জরিপ অনুসারে, বিজেপি ৩৬-৪৪টি এবং এএপি ২৬-৩৪টি করে আসন পেতে পারে, কিন্তু কংগ্রেস কোনো আসন পাবে না। ম্যাট্রাইজের জরিপ অনুসারে বিজেপি ৩৫-৪০টি ও এএপি ৩২-৩৭টি আসন পেতে পারে এবং কংগ্রেস পেতে পারে বড়জোর ১টি আসন। পি-মার্কের জরিপে বিজেপি জোটের ৩৯-৪৯ টি, এএপির ২১-৩১ ও কংগ্রেসের ০-১টি আসন পাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে।
তবে, মাইন্ড ব্রিঙ্ক ও উইপ্রেসাইড নামক দুটি সংস্থা এএপির জয়ের পূর্বাভাস দিয়েছে। মাইন্ড ব্রিঙ্ক এএপিকে ৪৪-৪৯ টি, বিজেপিকে ২১-২৫টি ও কংগ্রেসকে সর্বোচ্চ ১টি আসন দিয়েছে। উইপ্রেসাইড এএপিকে ৪৬-৫২ টি, বিজেপি জোটকে ১৮-২৩ ও কংগ্রেসকে ০-১টি আসন দিয়েছে।
এএপি নেতা সৌরভ ভারদ্বাজ বুথফেরত জরিপ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ‘আমরা বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করব।’ দলের মুখপাত্র প্রিয়াঙ্কা কক্করও বলেন, ‘বুথফেরত জরিপ কখনোই এএপির সঠিক পূর্বাভাস দেয়নি, এবারও ব্যতিক্রম হবে না।’
তবে বিজেপির দিল্লি সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেবা বুথফেরত জরিপকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘৮ ফেব্রুয়ারি আমাদের জয় আরও উজ্জ্বল হবে।’
এর আগে, গতকাল বুধবার ৭০টি আসনে ভোট হয়। দিল্লির ১ কোটি ৫৬ লাখ ভোটারের জন্য ১৩ হাজার ৭৬৬টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। ৬৯৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এই নির্বাচনে। এতে এএপি ও কংগ্রেস ৭০টি করে ও বিজেপি ৬৮টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল।
দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও এএপি প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল নয়া দিল্লি আসনে লড়েন। তাঁর বিপরীতে বিজেপি ও কংগ্রেস যথাক্রমে পরবেশ সাহিব সিং ও সন্দীপ দীক্ষিতকে প্রার্থী করেছিল। কালকাজিতে এএপির হয়ে অতিশী মারলেনা এবং তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রমেশ বিদুরি ও অলকা লাম্বা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। জঙ্গপুরায় মণীশ সিসোদিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন তারভিন্দর সিং মারওয়া (বিজেপি) ও ফারহাদ সুরি (কংগ্রেস)।
এএপি বলছে, ‘প্রকৃত ফলে আমরা বিশাল জয় পাব।’ তবে বিজেপি বলছে, ‘দিল্লির মানুষ পরিবর্তন চেয়েছে।’ তবে কারা জিতবে না ৮ ফেব্রুয়ারি স্পষ্ট হয়ে যাবে।

ইরানের পাঁচ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, এই কর্মকর্তারাই দেশটিতে চলমান বিক্ষোভ দমনের মূল পরিকল্পনাকারী। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরানের শীর্ষ নেতারা বিদেশি ব্যাংকে যে অর্থ পাঠাচ্ছেন, তা–ও তারা নজরদারিতে রেখেছে।
১৮ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো হোয়াইট হাউসে বৈঠকের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপহার দিয়েছেন। দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ট্রাম্প কী ভূমিকা নেবেন, সে বিষয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হিসেবেই মাচাদোর...
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য একটি বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি ইসরায়েলের হাতে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান গণহত্যা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা টিআরটি গ্লোবালের প্রতিবেদন থেকে এ
৩ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে—ইরানে আরেক দফা হামলার ক্ষেত্রে সময় তাদের অনুকূলে রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে পরিস্থিতির উত্তেজনার পারদ কখনো বাড়িয়ে আবার কখনো কমিয়ে ‘এসক্যালেশন ল্যাডারে’ উত্তেজনার সিঁড়িতে অবস্থান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ, ধীরে ধীরে পরিস্থিতিকে অগ্নিগর্ভ করে...
৪ ঘণ্টা আগে