আজকের পত্রিকা ডেস্ক

হামাসের নতুন প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন আজ আল-দ্বীন হাদ্দাদ। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাত দিয়ে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে এ তথ্য।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের পরিচালিত অপারেশন আল আকসা ফ্লাড-এর অন্যতম পরিকল্পনাকারী এই নেতা সম্প্রতি সংগঠনটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন।
হামাসের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া এই ব্যক্তিকে ‘লো প্রোফাইল’ নেতা বলে আখ্যায়িত করেছে মধ্যপ্রাচ্যের গণমাধ্যমগুলো। তবে, লো প্রোফাইল বা কম আলোচিত হলেও হাদ্দাদকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ৭ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করে রেখেছে ইসরায়েল। হাদ্দাদ মূলত নিজে থেকেই খুব একটা আলোচনায় আসতে চান না, বরং পর্দার আড়ালে থাকতেই পছন্দ করেন তিনি। এ কারণেই তিনি ‘ঘোস্ট অব আল কাসাম’ বা ‘আল কাসামের ভূত’ নামে পরিচিত।
টাইমস অব ইসরায়েল বলছে, চলতি বছরের মে মাসে মুহাম্মাদ সিনওয়ার নিহত হওয়ার পর হামাস প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন হাদ্দাদ। গত বছরের অক্টোবরে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন হামাসের তৎকালীন প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার। ইয়াহিয়া সিনওয়ারের মৃত্যুর পর হামাসের উত্তর গাজা শাখার দায়িত্ব গ্রহণ করেন হাদ্দাদ, আর দক্ষিণ গাজার দায়িত্বে ছিলেন মুহাম্মাদ সিনওয়ার।
আরব গোয়েন্দা সূত্র ও হামাসের দুই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে টাইমস অব ইসরায়েল জানান, হাদ্দাদ তাঁর পূর্বসূরিদের তুলনায় অনেক বেশি বাস্তববাদী। তিনি জানুয়ারিতে ইসরায়েলের সঙ্গে এক সমঝোতা গ্রহণের জন্য সিনওয়ারকে চাপ দেন—যার আওতায় কয়েক ডজন ইসরায়েলি জিম্মি মুক্তি পায় এবং বিনিময়ে শত শত ফিলিস্তিনি বন্দীকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
গত মার্চে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের আগে পর্যন্ত হাদ্দাদ আরও জিম্মি মুক্তির পক্ষে ছিলেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে তিনি আগের নেতাদের তুলনায় বেশি নমনীয়, সিনওয়াররা এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।
ইসরায়েল ঘোষণা দিয়ে রেখেছে—গাজায় তাদের পরবর্তী লক্ষ্য হাদ্দাদ। মুহাম্মদ সিনওয়ারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘গাজায় আজ আল-দ্বীন হাদ্দাদ এবং বিদেশে খালিল আল-হাইয়া—তোমরা এবং তোমাদের সব সহযোগী আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য।’

হামাসের নতুন প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন আজ আল-দ্বীন হাদ্দাদ। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাত দিয়ে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে এ তথ্য।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের পরিচালিত অপারেশন আল আকসা ফ্লাড-এর অন্যতম পরিকল্পনাকারী এই নেতা সম্প্রতি সংগঠনটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন।
হামাসের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া এই ব্যক্তিকে ‘লো প্রোফাইল’ নেতা বলে আখ্যায়িত করেছে মধ্যপ্রাচ্যের গণমাধ্যমগুলো। তবে, লো প্রোফাইল বা কম আলোচিত হলেও হাদ্দাদকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ৭ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করে রেখেছে ইসরায়েল। হাদ্দাদ মূলত নিজে থেকেই খুব একটা আলোচনায় আসতে চান না, বরং পর্দার আড়ালে থাকতেই পছন্দ করেন তিনি। এ কারণেই তিনি ‘ঘোস্ট অব আল কাসাম’ বা ‘আল কাসামের ভূত’ নামে পরিচিত।
টাইমস অব ইসরায়েল বলছে, চলতি বছরের মে মাসে মুহাম্মাদ সিনওয়ার নিহত হওয়ার পর হামাস প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন হাদ্দাদ। গত বছরের অক্টোবরে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন হামাসের তৎকালীন প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার। ইয়াহিয়া সিনওয়ারের মৃত্যুর পর হামাসের উত্তর গাজা শাখার দায়িত্ব গ্রহণ করেন হাদ্দাদ, আর দক্ষিণ গাজার দায়িত্বে ছিলেন মুহাম্মাদ সিনওয়ার।
আরব গোয়েন্দা সূত্র ও হামাসের দুই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে টাইমস অব ইসরায়েল জানান, হাদ্দাদ তাঁর পূর্বসূরিদের তুলনায় অনেক বেশি বাস্তববাদী। তিনি জানুয়ারিতে ইসরায়েলের সঙ্গে এক সমঝোতা গ্রহণের জন্য সিনওয়ারকে চাপ দেন—যার আওতায় কয়েক ডজন ইসরায়েলি জিম্মি মুক্তি পায় এবং বিনিময়ে শত শত ফিলিস্তিনি বন্দীকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
গত মার্চে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের আগে পর্যন্ত হাদ্দাদ আরও জিম্মি মুক্তির পক্ষে ছিলেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে তিনি আগের নেতাদের তুলনায় বেশি নমনীয়, সিনওয়াররা এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।
ইসরায়েল ঘোষণা দিয়ে রেখেছে—গাজায় তাদের পরবর্তী লক্ষ্য হাদ্দাদ। মুহাম্মদ সিনওয়ারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘গাজায় আজ আল-দ্বীন হাদ্দাদ এবং বিদেশে খালিল আল-হাইয়া—তোমরা এবং তোমাদের সব সহযোগী আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য।’

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৬ ঘণ্টা আগে