গোলাম ওয়াদুদ

‘রূপকথা-স্বপ্নলোকবাসী/ রাজপুত্র কোথা হতে আসি/ শুভক্ষণে দেখা দেয় রূপে/ চুপে-চুপে।’ রবীন্দ্রনাথের এই রাজপুত্রের মতো নয় মোটেই। শুভক্ষণ নয়, বরং ক্রান্তির সময়েই যার দেখা মেলে—সে–ই তো রাজপুত্র। ঠিক এমন করেই শুধু অভিধায় নয়, সত্যিকারের নেতার মতো কাজ করছেন বেলজিয়ামের রাজপুত্র ইমানুয়েল ডি মেরোদ। আর এ ক্ষেত্রে তিনি কোনো ভৌগোলিক সীমানাকে বিবেচনায় নেননি। কঙ্গোর ভিরুঙ্গা জাতীয় উদ্যানে গরিলা রক্ষার কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি সামনে দাঁড়িয়ে।
গরিলাদের আবাসস্থল আফ্রিকার দেশ কঙ্গোর ভিরুঙ্গা জাতীয় উদ্যান। সেখানে গরিলা রক্ষায় কাজ করাকে পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মেরোদ বেলজিয়ামের রাজপুত্র হয়েও এই কঠিনতম কাজ করছেন। বিগত ১২ বছরে এই কাজ করতে গিয়ে মারা গেছেন উদ্যানটির ২০ জনের বেশি কর্মী। চলতি বছরের শুরুতে কঙ্গোয় ইতালির রাষ্ট্রদূতের ওপরও আক্রমণ হয়েছিল। রাষ্ট্রদূত বেঁচে গেলেও সে হামলায় মারা যান তাঁর নিরাপত্তারক্ষী ও গাড়ি চালক।
পাহাড়ি গরিলাদের রক্ষার লক্ষ্যে প্রায় শতবর্ষ আগে এই ভিরুঙ্গা জাতীয় উদ্যান গড়ে তোলা হয়। সে উদ্দেশ্য কিছুটা হলেও সফল হয়েছে বলা যায়। আফ্রিকার সবচেয়ে পুরোনো ও বৃহত্তম এই উদ্যানে বর্তমানে হাজারখানেক গরিলা রয়েছে। এ সংখ্যা ক্রমে বাড়ছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসেই তিনটি গরিলা সন্তান জন্মের সুখবর দেন উদ্যানটির কর্মীরা।
ভিরুঙ্গা জাতীয় উদ্যানটি ৭ হাজার ৮০০ বর্গকিলোমিটার জায়গাজুড়ে বিস্তৃত। বিস্ময়কর একটি স্থান এটি, যেখানে রয়েছে সক্রিয় আগ্নেয়গিরি, বিশাল হৃদ, বন ও পর্বতমালা। এই বিচিত্র নৈসর্গিক পরিবেশে থেকে গরিলা রক্ষার মতো কঠিন কাজটি করতে কিন্তু একেবারেই ক্লান্ত হন না রাজপুত্র মেরোদ।
নিজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ইমানুয়েল মেরোদ বিবিসিকে বলেন, তিনি তাঁর দল নিয়ে খুব আনন্দে কাজ করছেন। যদিও খুবই ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। সহযোগীদের যারা মারা গেছেন, তাঁরা তাঁদের কাজ খুব পছন্দ করতেন। তাঁরা চূড়ান্ত ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
কঙ্গোর এই জাতীয় উদ্যানে গত ৩০ বছর ধরে কাজ করছেন ইমানুয়েল ডি মেরোদ। তিন দশক পেরিয়ে গেলেও এখনো তাঁর কাছে প্রথম দিনের স্মৃতিটি জ্বলজ্বলে। উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায় কেনা একটি মোটরবাইকে চড়ে সোজা কঙ্গো চলে আসেন। তারপর ভিরুঙ্গা জাতীয় উদ্যান। এত বড় ও বৈচিত্র্যপূর্ণ উদ্যানের সঙ্গে প্রেম জমে উঠতে সময় লাগেনি।
এত জায়গা ছেড়ে আফ্রিকায় মজলেন কেন রাজপুত্র? উত্তর খুঁজতে হলে ফিরে তাকাতে হয় তাঁর জন্মভূমির দিকে। বেলজিয়ান এই রাজপুত্রের জন্ম উত্তর আফ্রিকায়। এখানেই শেষ নয়, তিনি বেড়ে উঠেছেন কেনিয়াতে। তার পর এই কঙ্গোর জাতীয় উদ্যান।
ভিরুঙ্গা জাতীয় উদ্যান নিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই উদ্যানে কাজ করাটা মোটেই সহজ নয়। না ঝুঁকিটি গরিলাদের দিক থেকে নয়। ঝুঁকিটি মানুষের কারণেই। অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে গত বছরের সশস্ত্র বাহিনীর গুলিতে ১৩ জন রেঞ্জার নিহত হন। আর গত জানুয়ারিতে স্থানীয় মিলিশিয়াদের অ্যাম্বুশে নিহত হন ছয়জন। এর আগে ২০১৮ সালে একই ধরনের একটি অ্যাম্বুশে ছয়জন উদ্যানকর্মী নিহত হলে ইদ্যানটি আট মাস বন্ধ থাকে। ২০১৯ সালে পুনরায় খুলে দেওয়া হয় উদ্যানটি।
আফ্রিকার দেশ কঙ্গোয় গৃহযুদ্ধ যেন এক চিরকালিন বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাত্র এক বছর বিরতির পর মধ্য আফ্রিকার এই দেশে ১৯৯৮ সালে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধ এখনো চলছে। এরই কারণে বন্যপ্রাণী সংরক্ষক থেকে শুরু করে প্রতিটি পেশার সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মাঝেমধ্যেই সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহীদের মধ্যে গোলাগুলির মধ্যে পড়ে মারা পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। ২০১৪ সালে এমনকি ইমানুয়েল ডি মেরোদও গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। কিন্তু মেরোদ দমে যাননি। বরং এই ঘটনাগুলো ইমানুয়েল ডি মেরোদের নেতৃত্বাধীন দলের মনোবল আরও বাড়িয়েছে। বিভিন্ন হামলায় নিহত মাত্র ২৫–৩০ বছর বয়সী ওই সঙ্গীদের স্মৃতিই তাঁদের পথচলার শক্তি জোগাচ্ছে।
মেরোদের ভাষ্যমতে, গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত এই দেশে কাজ করতে হলে আপনাকে এটা মেনে নিতে হবে। আমরা এই উদ্যান টিকিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছি। চলমান প্রতিকূলতার মধ্যেও আমরা কাজ করছি। এর অনেক উত্থান–পতন হয়েছে। অনেক ক্ষতি হলেও ইতিবাচক দিকটি হচ্ছে, আমরা এটি এখনো বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছি। এটাই অর্জন।
এই উদ্যান নিয়ে একটি তথ্যচিত্র করা হয়েছিল ২০১৪ সালে, যা অস্কার পুরস্কারের জন্যও মনোনীত হয়েছিল। একটি ব্রিটিশ তেল উত্তোলন সংস্থার কারণে এই উদ্যানের ক্ষতি হচ্ছিল। সেই সংস্থার বিরুদ্ধে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছিল মেরোদের দলের অনেক কর্মী। সেই সময়েই আক্রমণের স্বীকার হয়েছিলেন মেরোদ। উদ্যানের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময়ই তাঁর ওপর হামলা হয়। কিন্তু বেঁচে যান রাজপুত্র।
ব্রিটিশ সেই তেল উত্তোলন কোম্পানির নাম সোকো। তারা ভিরুঙ্গা জাতীয় উদ্যানের ভেতরেই খনন করে তেল উত্তোলন করার অনুমিত নিয়েছিল। একই সময়ে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছায়। এর মধ্যে মেরোদ আবার নানা তদন্ত প্রতিবেদন জড়ো করে সোকোকে দেওয়া সরকারি অনুমোদন বাতিলের আবেদন করেন। এই জটিল পরিস্থিতির মধ্যেই হামলা হয় মেরোদের ওপর। সোকো অবশ্য এই হামলার নিন্দা জানিয়ে দ্রুত এর তদন্তের দাবি জানিয়ে একটি বিবৃতি দেয়। সঙ্গে এও বলে যে, তারা কোনোভাবেই এর সঙ্গে জড়িত নয়।
ভিরুঙ্গা জাতীয় উদ্যান ও কঙ্গোর রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনের তথ্যমতে, এই উদ্যান কঙ্গোর গৃহযুদ্ধের বেশ কয়েকটি পক্ষের অর্থের উৎস। এখানকার প্রাণী পাচার, গাছ কাটাসহ নানাভাবে এর ক্ষতি করা হচ্ছে। আর এর বিরুদ্ধেই লড়তে হচ্ছে মেরোদ ও তাঁর দলকে।

‘রূপকথা-স্বপ্নলোকবাসী/ রাজপুত্র কোথা হতে আসি/ শুভক্ষণে দেখা দেয় রূপে/ চুপে-চুপে।’ রবীন্দ্রনাথের এই রাজপুত্রের মতো নয় মোটেই। শুভক্ষণ নয়, বরং ক্রান্তির সময়েই যার দেখা মেলে—সে–ই তো রাজপুত্র। ঠিক এমন করেই শুধু অভিধায় নয়, সত্যিকারের নেতার মতো কাজ করছেন বেলজিয়ামের রাজপুত্র ইমানুয়েল ডি মেরোদ। আর এ ক্ষেত্রে তিনি কোনো ভৌগোলিক সীমানাকে বিবেচনায় নেননি। কঙ্গোর ভিরুঙ্গা জাতীয় উদ্যানে গরিলা রক্ষার কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি সামনে দাঁড়িয়ে।
গরিলাদের আবাসস্থল আফ্রিকার দেশ কঙ্গোর ভিরুঙ্গা জাতীয় উদ্যান। সেখানে গরিলা রক্ষায় কাজ করাকে পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মেরোদ বেলজিয়ামের রাজপুত্র হয়েও এই কঠিনতম কাজ করছেন। বিগত ১২ বছরে এই কাজ করতে গিয়ে মারা গেছেন উদ্যানটির ২০ জনের বেশি কর্মী। চলতি বছরের শুরুতে কঙ্গোয় ইতালির রাষ্ট্রদূতের ওপরও আক্রমণ হয়েছিল। রাষ্ট্রদূত বেঁচে গেলেও সে হামলায় মারা যান তাঁর নিরাপত্তারক্ষী ও গাড়ি চালক।
পাহাড়ি গরিলাদের রক্ষার লক্ষ্যে প্রায় শতবর্ষ আগে এই ভিরুঙ্গা জাতীয় উদ্যান গড়ে তোলা হয়। সে উদ্দেশ্য কিছুটা হলেও সফল হয়েছে বলা যায়। আফ্রিকার সবচেয়ে পুরোনো ও বৃহত্তম এই উদ্যানে বর্তমানে হাজারখানেক গরিলা রয়েছে। এ সংখ্যা ক্রমে বাড়ছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসেই তিনটি গরিলা সন্তান জন্মের সুখবর দেন উদ্যানটির কর্মীরা।
ভিরুঙ্গা জাতীয় উদ্যানটি ৭ হাজার ৮০০ বর্গকিলোমিটার জায়গাজুড়ে বিস্তৃত। বিস্ময়কর একটি স্থান এটি, যেখানে রয়েছে সক্রিয় আগ্নেয়গিরি, বিশাল হৃদ, বন ও পর্বতমালা। এই বিচিত্র নৈসর্গিক পরিবেশে থেকে গরিলা রক্ষার মতো কঠিন কাজটি করতে কিন্তু একেবারেই ক্লান্ত হন না রাজপুত্র মেরোদ।
নিজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ইমানুয়েল মেরোদ বিবিসিকে বলেন, তিনি তাঁর দল নিয়ে খুব আনন্দে কাজ করছেন। যদিও খুবই ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। সহযোগীদের যারা মারা গেছেন, তাঁরা তাঁদের কাজ খুব পছন্দ করতেন। তাঁরা চূড়ান্ত ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
কঙ্গোর এই জাতীয় উদ্যানে গত ৩০ বছর ধরে কাজ করছেন ইমানুয়েল ডি মেরোদ। তিন দশক পেরিয়ে গেলেও এখনো তাঁর কাছে প্রথম দিনের স্মৃতিটি জ্বলজ্বলে। উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায় কেনা একটি মোটরবাইকে চড়ে সোজা কঙ্গো চলে আসেন। তারপর ভিরুঙ্গা জাতীয় উদ্যান। এত বড় ও বৈচিত্র্যপূর্ণ উদ্যানের সঙ্গে প্রেম জমে উঠতে সময় লাগেনি।
এত জায়গা ছেড়ে আফ্রিকায় মজলেন কেন রাজপুত্র? উত্তর খুঁজতে হলে ফিরে তাকাতে হয় তাঁর জন্মভূমির দিকে। বেলজিয়ান এই রাজপুত্রের জন্ম উত্তর আফ্রিকায়। এখানেই শেষ নয়, তিনি বেড়ে উঠেছেন কেনিয়াতে। তার পর এই কঙ্গোর জাতীয় উদ্যান।
ভিরুঙ্গা জাতীয় উদ্যান নিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই উদ্যানে কাজ করাটা মোটেই সহজ নয়। না ঝুঁকিটি গরিলাদের দিক থেকে নয়। ঝুঁকিটি মানুষের কারণেই। অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে গত বছরের সশস্ত্র বাহিনীর গুলিতে ১৩ জন রেঞ্জার নিহত হন। আর গত জানুয়ারিতে স্থানীয় মিলিশিয়াদের অ্যাম্বুশে নিহত হন ছয়জন। এর আগে ২০১৮ সালে একই ধরনের একটি অ্যাম্বুশে ছয়জন উদ্যানকর্মী নিহত হলে ইদ্যানটি আট মাস বন্ধ থাকে। ২০১৯ সালে পুনরায় খুলে দেওয়া হয় উদ্যানটি।
আফ্রিকার দেশ কঙ্গোয় গৃহযুদ্ধ যেন এক চিরকালিন বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাত্র এক বছর বিরতির পর মধ্য আফ্রিকার এই দেশে ১৯৯৮ সালে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধ এখনো চলছে। এরই কারণে বন্যপ্রাণী সংরক্ষক থেকে শুরু করে প্রতিটি পেশার সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মাঝেমধ্যেই সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহীদের মধ্যে গোলাগুলির মধ্যে পড়ে মারা পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। ২০১৪ সালে এমনকি ইমানুয়েল ডি মেরোদও গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। কিন্তু মেরোদ দমে যাননি। বরং এই ঘটনাগুলো ইমানুয়েল ডি মেরোদের নেতৃত্বাধীন দলের মনোবল আরও বাড়িয়েছে। বিভিন্ন হামলায় নিহত মাত্র ২৫–৩০ বছর বয়সী ওই সঙ্গীদের স্মৃতিই তাঁদের পথচলার শক্তি জোগাচ্ছে।
মেরোদের ভাষ্যমতে, গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত এই দেশে কাজ করতে হলে আপনাকে এটা মেনে নিতে হবে। আমরা এই উদ্যান টিকিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছি। চলমান প্রতিকূলতার মধ্যেও আমরা কাজ করছি। এর অনেক উত্থান–পতন হয়েছে। অনেক ক্ষতি হলেও ইতিবাচক দিকটি হচ্ছে, আমরা এটি এখনো বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছি। এটাই অর্জন।
এই উদ্যান নিয়ে একটি তথ্যচিত্র করা হয়েছিল ২০১৪ সালে, যা অস্কার পুরস্কারের জন্যও মনোনীত হয়েছিল। একটি ব্রিটিশ তেল উত্তোলন সংস্থার কারণে এই উদ্যানের ক্ষতি হচ্ছিল। সেই সংস্থার বিরুদ্ধে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছিল মেরোদের দলের অনেক কর্মী। সেই সময়েই আক্রমণের স্বীকার হয়েছিলেন মেরোদ। উদ্যানের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময়ই তাঁর ওপর হামলা হয়। কিন্তু বেঁচে যান রাজপুত্র।
ব্রিটিশ সেই তেল উত্তোলন কোম্পানির নাম সোকো। তারা ভিরুঙ্গা জাতীয় উদ্যানের ভেতরেই খনন করে তেল উত্তোলন করার অনুমিত নিয়েছিল। একই সময়ে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছায়। এর মধ্যে মেরোদ আবার নানা তদন্ত প্রতিবেদন জড়ো করে সোকোকে দেওয়া সরকারি অনুমোদন বাতিলের আবেদন করেন। এই জটিল পরিস্থিতির মধ্যেই হামলা হয় মেরোদের ওপর। সোকো অবশ্য এই হামলার নিন্দা জানিয়ে দ্রুত এর তদন্তের দাবি জানিয়ে একটি বিবৃতি দেয়। সঙ্গে এও বলে যে, তারা কোনোভাবেই এর সঙ্গে জড়িত নয়।
ভিরুঙ্গা জাতীয় উদ্যান ও কঙ্গোর রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনের তথ্যমতে, এই উদ্যান কঙ্গোর গৃহযুদ্ধের বেশ কয়েকটি পক্ষের অর্থের উৎস। এখানকার প্রাণী পাচার, গাছ কাটাসহ নানাভাবে এর ক্ষতি করা হচ্ছে। আর এর বিরুদ্ধেই লড়তে হচ্ছে মেরোদ ও তাঁর দলকে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাঠানো বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। আজ বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ঘোষণায় নেতানিয়াহুর দপ্তর জানায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে...
৩ মিনিট আগে
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আগামী সপ্তাহের চীন সফর করবেন। এই সময়ে ব্রিটেন ও চীন ব্যবসায়িক সংলাপে এক ‘সোনালি যুগ’ পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্য নিয়েছে। এ উদ্যোগ সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এমনটাই জানিয়েছে। উভয় দেশের শীর্ষ নির্বাহীরা এতে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল মঙ্গলবার বলেছেন, ইরান যদি তাঁকে হত্যার চেষ্টা করে, তাহলে তিনি ‘এই পৃথিবীর বুক থেকে দেশটিকে মুছে ফেলার নির্দেশ’ দেবেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউজনেশনের অনুষ্ঠান কেটি প্যাভলিচ টু–নাইটে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতের নয়ডায় ৭০ ফুট গভীর গর্তে ডুবে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, নিহত ওই যুবক ঘণ্টার পর ঘণ্টা সাহায্যের জন্য চিৎকার করলেও উদ্ধারকর্মীরা পানি ‘খুব ঠান্ডা’ এই অজুহাত দেখিয়ে তাঁকে উদ্ধারের জন্য নামেননি। ইনডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে জানা যায়, গত শুক্রবার এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৪ ঘণ্টা আগে