
পশ্চিমা আফ্রিকার দেশগুলোর জোট দ্য ইকোনমিক কমিউনিটি অব ওয়েস্ট আফ্রিকান স্টেটসের (ইকোওয়াস) সদস্য হয়েও নাইজারকে যুদ্ধবিমান দিচ্ছে বুরকিনা ফাসো এবং মালি। নাইজারের সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে ইকোওয়াসের সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপ মাথায় রেখেই জোটের বিরুদ্ধে গিয়ে দেশটিতে যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে মালি এবং বুরকিনা ফাসো।
তুরস্কের সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাইজারের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক প্রতিবেদনে মালি এবং বুরকিনা ফাসো যুদ্ধবিমান মোতায়েনের বিষয়টি জানানো হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দেশ দুটি নাইজারের সীমান্ত এলাকায় যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘মালি এবং বুরকিনা ফাসো নাইজারের ওপর আক্রমণের বিষয়ে দৃঢ় প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে নিজেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ উল্লেখ্য, সবগুলো যুদ্ধবিমানই ছিল সুপার টুকানো ফাইটার।
অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতাচ্যুতকারী নাইজারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে যুদ্ধে যেতে প্রস্তুত পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোর জোট ইকোওয়াস। এমনকি কোন দিন দেশটিতে সেনা পাঠানো হবে, তাও নির্ধারণ করা হয়ে গেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গতকাল শুক্রবার ঘানার রাজধানী আক্রায় এক জরুরি বৈঠকে যোগ দেন দ্য ইকোনমিক কমিউনিটি অব ওয়েস্ট আফ্রিকান স্টেটস-ইকোওয়াসের প্রতিরক্ষা বাহিনীর শীর্ষ নেতারা। বৈঠকে যোগ দেওয়া এক কর্মকর্তা নাম-পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ইকোওয়াসের নেতারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বেসামরিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে তাঁরা সেনাবাহিনী মোতায়েন করবেন। এরই মধ্যে স্ট্যান্ডবাই ফোর্সকে সক্রিয় করার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেছে।
ইকোওয়াসের রাজনীতি, শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক কমিশনার আবদেল-ফাতাউ মুসাহ আক্রা সম্মেলন শেষে নাইজারে সেনা মোতায়েনের বিষয়টি ইঙ্গিত করে বলেন, ‘আদেশ দেওয়া হলে আমরা যেকোনো সময় মাঠে নামতে প্রস্তুত।’
ইকোওয়াসের ১৫টি দেশের মধ্যে কেপ ভার্দে এই সামরিক হস্তক্ষেপে অংশ নিচ্ছে না। এ ছাড়া সামরিক শাসনের অধীনে থাকা মালি, বুরকিনা ফাসো এবং গিনিও এই অভিযানে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকছে বলে জানিয়েছেন জোটটির এক শীর্ষ কর্মকর্তা।

পশ্চিমা আফ্রিকার দেশগুলোর জোট দ্য ইকোনমিক কমিউনিটি অব ওয়েস্ট আফ্রিকান স্টেটসের (ইকোওয়াস) সদস্য হয়েও নাইজারকে যুদ্ধবিমান দিচ্ছে বুরকিনা ফাসো এবং মালি। নাইজারের সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে ইকোওয়াসের সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপ মাথায় রেখেই জোটের বিরুদ্ধে গিয়ে দেশটিতে যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে মালি এবং বুরকিনা ফাসো।
তুরস্কের সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাইজারের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক প্রতিবেদনে মালি এবং বুরকিনা ফাসো যুদ্ধবিমান মোতায়েনের বিষয়টি জানানো হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দেশ দুটি নাইজারের সীমান্ত এলাকায় যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘মালি এবং বুরকিনা ফাসো নাইজারের ওপর আক্রমণের বিষয়ে দৃঢ় প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে নিজেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ উল্লেখ্য, সবগুলো যুদ্ধবিমানই ছিল সুপার টুকানো ফাইটার।
অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতাচ্যুতকারী নাইজারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে যুদ্ধে যেতে প্রস্তুত পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোর জোট ইকোওয়াস। এমনকি কোন দিন দেশটিতে সেনা পাঠানো হবে, তাও নির্ধারণ করা হয়ে গেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গতকাল শুক্রবার ঘানার রাজধানী আক্রায় এক জরুরি বৈঠকে যোগ দেন দ্য ইকোনমিক কমিউনিটি অব ওয়েস্ট আফ্রিকান স্টেটস-ইকোওয়াসের প্রতিরক্ষা বাহিনীর শীর্ষ নেতারা। বৈঠকে যোগ দেওয়া এক কর্মকর্তা নাম-পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ইকোওয়াসের নেতারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বেসামরিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে তাঁরা সেনাবাহিনী মোতায়েন করবেন। এরই মধ্যে স্ট্যান্ডবাই ফোর্সকে সক্রিয় করার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেছে।
ইকোওয়াসের রাজনীতি, শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক কমিশনার আবদেল-ফাতাউ মুসাহ আক্রা সম্মেলন শেষে নাইজারে সেনা মোতায়েনের বিষয়টি ইঙ্গিত করে বলেন, ‘আদেশ দেওয়া হলে আমরা যেকোনো সময় মাঠে নামতে প্রস্তুত।’
ইকোওয়াসের ১৫টি দেশের মধ্যে কেপ ভার্দে এই সামরিক হস্তক্ষেপে অংশ নিচ্ছে না। এ ছাড়া সামরিক শাসনের অধীনে থাকা মালি, বুরকিনা ফাসো এবং গিনিও এই অভিযানে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকছে বলে জানিয়েছেন জোটটির এক শীর্ষ কর্মকর্তা।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৯ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৯ ঘণ্টা আগে