পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওন মৃত্যুদণ্ডের সাজা বাতিল করতে যাচ্ছে। দেশটির পার্লামেন্টে এই দণ্ড বাতিলে গতকাল শুক্রবার ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোটাভুটিতে দেশটির পার্লামেন্টের বেশিরভাগ সদস্য মৃত্যুদণ্ডের সাজা বাতিলের পক্ষে সর্বসম্মতভাবে ভোট দিয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সর্বশেষ গত দুই দশকের বেশি সময় আগে সিয়েরা লিওনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল। সিয়েরা লিওনের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো শিগগিরই এই বিলে স্বাক্ষর করবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে মৃত্যুদণ্ডের সাজা বাতিলকারী আফ্রিকার ২৩ তম দেশ হবে সিয়েরা লিওন। ওই বিলে সাজা ঘোষণার সময় বিচারকদের অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
১৯৯৮ সাল থেকে মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে স্থগিতাদেশ পালন করছে সিয়েরা লিওন। তখন থেকে মৃত্যুদণ্ডের সাজাপ্রাপ্তরা অন্যান্য বন্দিদের থেকে আলাদা কারাগারে বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন। দেশটির মানবাধিকার কর্মীরা এ নিয়ে সমালোচনা করছেন।
সর্বোচ্চ সাজা বাতিলের বিল পার্লামেন্টে পাস হয়ে যাওয়ার পর রাজধানী ফ্রিটাউনের অ্যাডভোকেসি সংস্থা রিয়ানন ডেভিস অব অ্যাডভোকেইড বলেছে, আমরা ঠিক এটাই চেয়েছিলাম।

ইরানে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের লক্ষ্য অর্জনে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে বিশ্বের প্রধান ৮০টি থিংকট্যাংক বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’ গত এক মাসে প্রকাশিত এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ...
১ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি সচল করতে সামরিক অভিযানের বৈধতা চেয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছে আমিরাত। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনের জন্যও তারা লবিং করছে বলে জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে স্থল অভিযান চালালে মার্কিন সেনারা শুধু ছদ্মবেশী জঙ্গি বা লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসীদেরই মুখোমুখি হবে না; তাদের সামনে দাঁড়াবে একটি সুসংগঠিত ও বিপুলসংখ্যক যোদ্ধার বাহিনী, যারা মাতৃভূমি রক্ষাকে সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে দেখে। গত চার দশকে বিপুল অর্থ ব্যয় করে প্রতিরক্ষার এই কাঠামো গড়ে তুলেছে তেহরান।
২ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর প্রেক্ষাপটে ১৯৪৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়। এই জোটের উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষা। স্নায়ুযুদ্ধের পুরোটা সময় ন্যাটো জোট কাজ করেছে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্প্রসারণবাদ ও প্রভাব মোকাবিলায়।
৪ ঘণ্টা আগে