
হামাস-ইসরায়েল চলমান সংঘাত নিয়ে পক্ষপাতমূলক সংবাদ পরিবেশ করার প্রতিবাদে বিবিসি থেকে পদত্যাগ করেছেন তিউনিসিয়ার এক সাংবাদিক। বাসাম বুনেনি নামে ওই সাংবাদিক বিবিসির উত্তর আফ্রিকা সংবাদদাতা ছিলেন।
গতকাল বুধবার তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে বিবিসি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। বুনেনি আরবিতে লেখেন, ‘আজ সকালে, ব্রিটিশ সম্প্রচার করপোরেশন, বিবিসিতে আমি পদত্যাগপত্র দিয়েছি। পেশাগত ন্যায়বোধ থেকেই এটা দরকার বলে আমি মনে করছি।’
এদিকে গাজায় ইসরায়েলি হামলার পক্ষপাতমূলক সংবাদ পরিবেশনের প্রতিবাদে বুনেনিসহ তিউনিসিয়ার মোট তিনজন সাংবাদিক পশ্চিমা গণমাধ্যম থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছে লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নিউ আরব।
তিউনিসিয়ার সাংবাদিক আচুয়াক হান্নাচি গতকাল বুধবার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘৭ অক্টোবর থেকে, আমি এবং আমার তিউনিসীয় সহকর্মী ও বন্ধু আমানি ওয়েসলাতি ক্যানাল প্লাস থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের পেশা, আমাদের শিক্ষা এবং ফিলিস্তিনের জন্য আমাদের সমর্থন নিয়ে কোনো আপস নয়।’
ওয়েসলাতি ক্যানাল প্লাস চ্যানেলে কাজ করছিলেন। হান্নাচি ফরাসি চ্যানেল সিনিউজের সঙ্গে ছিলেন। এই চ্যানেলটি রক্ষণশীল টেলিভিশন মিডিয়া গ্রুপ ক্যানাল প্লাসের প্রতিষ্ঠান।
অন্য অনেক পশ্চিমা মিডিয়ার মতো, সিনিউজ গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজা-ইসরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। গাজায় আটকে পড়া ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হামলার সমর্থনে তারা যুক্তিও দেখাচ্ছে।
২০২১ সালে ফরাসি সুপিরিয়র অডিও ভিজ্যুয়াল কাউন্সিল (সিএসএ) অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক বক্তব্য সম্প্রচার করার কারণে সিনিউজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয়।
বিবিসির উত্তর আফ্রিকা সংবাদদাতা বাসাম বুনেনি পদত্যাগের ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর তিউনিসিয়ার অপর দুই সাংবাদিক তাঁদের পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
বুনেনি তিউনিসিয়াতেই থাকেন। ১৫ বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা কভার করছেন তিনি। এর আগে স্কাই নিউজ আরাবিয়া এবং আল জাজিরার সঙ্গে কাজ করেছেন।
বিবিসি থেকে পদত্যাগের কারণ হিসেবে বুনেনি নিউ আরবকে বলেছেন, গাজায় ইসরায়েলি হামলার কভারেজ যেভাবে দেওয়া হচ্ছে এতে ক্ষুব্ধ হয়েই তিনি বিবিসি ছেড়েছেন।
বিবিসি সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত একটি জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম। গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবেদনে বিবিসির বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ নতুন নয়।
গাজা শহরের আল-আহলি হাসপাতালে বোমা হামলার এক দিন আগে, বিবিসি গাজা উপত্যকায় হাসপাতাল ও স্কুলের নিচে হামাসের টানেল আছে কি না সেটি নিয়ে একটি আলোচনা সম্প্রচার করে।
অনেকে বলছেন, শুধু অনুমানের ওপর ভিত্তি করে এই আলোচনা ছিল। কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ দেয়নি বিবিসি। এর পরদিনই সেই হাসপাতালে ইসরায়েল বোমা ফেলে। এতে কমপক্ষে ৪৭০ জন নিহত হয়। অবশ্য ইসরায়েল তা অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী এই কাজ করেছে।
এদিকে বিবিসির সূত্রের বরাত দিয়ে নিউ আরবের প্রতিবেদনে জানানো হয়, আরবি ভাষার কার্যালয়গুলোর (আম্মান, কায়রো, বৈরুত ও লন্ডন) কর্মীরা গাজা-ইসরায়েল সংঘাত নিয়ে কভারেজে ভারসাম্য রক্ষার জন্য প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু প্রশাসন এখন পর্যন্ত তাঁদের আবেদন উপেক্ষা করে যাচ্ছে।
তিউনিসিয়ার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম বিশেষজ্ঞ আহমেদ কোবা গতকাল বুধবার মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা লিডারস কাউন্সিল অব মেটার সদস্যপদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার সঙ্গে সম্পৃক্ত এই গ্রুপ তরুণ উদ্যোক্তাদের সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়ে থাকে।
পদত্যাগের আগে আহমেদ কোবা ফেসবুকে পোস্টে লেখেন, গাজায় উদ্ভূত পরিস্থিতি সম্পর্কিত ৭ লাখ ৯৫ হাজারের বেশি পোস্ট ফেসবুক মুছে ফেলার পর তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
একটি যোগাযোগ সংস্থার ফ্রান্সভিত্তিক এক আলজেরীয় কর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউ আরবকে বলেছেন, ‘শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় ফিলিস্তিনি পতাকা পোস্ট করার কারণে আমাকে একটি শাস্তিমূলক বৈঠকের জন্য ডাকা হয়েছিল। আপনি যদি ফিলিস্তিনিদের বেঁচে থাকার অধিকারে বিশ্বাস করেন, তবে এখানে কাজ করা কঠিন হয়ে যাবে।’

হামাস-ইসরায়েল চলমান সংঘাত নিয়ে পক্ষপাতমূলক সংবাদ পরিবেশ করার প্রতিবাদে বিবিসি থেকে পদত্যাগ করেছেন তিউনিসিয়ার এক সাংবাদিক। বাসাম বুনেনি নামে ওই সাংবাদিক বিবিসির উত্তর আফ্রিকা সংবাদদাতা ছিলেন।
গতকাল বুধবার তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে বিবিসি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। বুনেনি আরবিতে লেখেন, ‘আজ সকালে, ব্রিটিশ সম্প্রচার করপোরেশন, বিবিসিতে আমি পদত্যাগপত্র দিয়েছি। পেশাগত ন্যায়বোধ থেকেই এটা দরকার বলে আমি মনে করছি।’
এদিকে গাজায় ইসরায়েলি হামলার পক্ষপাতমূলক সংবাদ পরিবেশনের প্রতিবাদে বুনেনিসহ তিউনিসিয়ার মোট তিনজন সাংবাদিক পশ্চিমা গণমাধ্যম থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছে লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নিউ আরব।
তিউনিসিয়ার সাংবাদিক আচুয়াক হান্নাচি গতকাল বুধবার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘৭ অক্টোবর থেকে, আমি এবং আমার তিউনিসীয় সহকর্মী ও বন্ধু আমানি ওয়েসলাতি ক্যানাল প্লাস থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের পেশা, আমাদের শিক্ষা এবং ফিলিস্তিনের জন্য আমাদের সমর্থন নিয়ে কোনো আপস নয়।’
ওয়েসলাতি ক্যানাল প্লাস চ্যানেলে কাজ করছিলেন। হান্নাচি ফরাসি চ্যানেল সিনিউজের সঙ্গে ছিলেন। এই চ্যানেলটি রক্ষণশীল টেলিভিশন মিডিয়া গ্রুপ ক্যানাল প্লাসের প্রতিষ্ঠান।
অন্য অনেক পশ্চিমা মিডিয়ার মতো, সিনিউজ গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজা-ইসরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। গাজায় আটকে পড়া ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হামলার সমর্থনে তারা যুক্তিও দেখাচ্ছে।
২০২১ সালে ফরাসি সুপিরিয়র অডিও ভিজ্যুয়াল কাউন্সিল (সিএসএ) অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক বক্তব্য সম্প্রচার করার কারণে সিনিউজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয়।
বিবিসির উত্তর আফ্রিকা সংবাদদাতা বাসাম বুনেনি পদত্যাগের ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর তিউনিসিয়ার অপর দুই সাংবাদিক তাঁদের পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
বুনেনি তিউনিসিয়াতেই থাকেন। ১৫ বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা কভার করছেন তিনি। এর আগে স্কাই নিউজ আরাবিয়া এবং আল জাজিরার সঙ্গে কাজ করেছেন।
বিবিসি থেকে পদত্যাগের কারণ হিসেবে বুনেনি নিউ আরবকে বলেছেন, গাজায় ইসরায়েলি হামলার কভারেজ যেভাবে দেওয়া হচ্ছে এতে ক্ষুব্ধ হয়েই তিনি বিবিসি ছেড়েছেন।
বিবিসি সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত একটি জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম। গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবেদনে বিবিসির বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ নতুন নয়।
গাজা শহরের আল-আহলি হাসপাতালে বোমা হামলার এক দিন আগে, বিবিসি গাজা উপত্যকায় হাসপাতাল ও স্কুলের নিচে হামাসের টানেল আছে কি না সেটি নিয়ে একটি আলোচনা সম্প্রচার করে।
অনেকে বলছেন, শুধু অনুমানের ওপর ভিত্তি করে এই আলোচনা ছিল। কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ দেয়নি বিবিসি। এর পরদিনই সেই হাসপাতালে ইসরায়েল বোমা ফেলে। এতে কমপক্ষে ৪৭০ জন নিহত হয়। অবশ্য ইসরায়েল তা অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী এই কাজ করেছে।
এদিকে বিবিসির সূত্রের বরাত দিয়ে নিউ আরবের প্রতিবেদনে জানানো হয়, আরবি ভাষার কার্যালয়গুলোর (আম্মান, কায়রো, বৈরুত ও লন্ডন) কর্মীরা গাজা-ইসরায়েল সংঘাত নিয়ে কভারেজে ভারসাম্য রক্ষার জন্য প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু প্রশাসন এখন পর্যন্ত তাঁদের আবেদন উপেক্ষা করে যাচ্ছে।
তিউনিসিয়ার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম বিশেষজ্ঞ আহমেদ কোবা গতকাল বুধবার মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা লিডারস কাউন্সিল অব মেটার সদস্যপদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার সঙ্গে সম্পৃক্ত এই গ্রুপ তরুণ উদ্যোক্তাদের সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়ে থাকে।
পদত্যাগের আগে আহমেদ কোবা ফেসবুকে পোস্টে লেখেন, গাজায় উদ্ভূত পরিস্থিতি সম্পর্কিত ৭ লাখ ৯৫ হাজারের বেশি পোস্ট ফেসবুক মুছে ফেলার পর তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
একটি যোগাযোগ সংস্থার ফ্রান্সভিত্তিক এক আলজেরীয় কর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউ আরবকে বলেছেন, ‘শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় ফিলিস্তিনি পতাকা পোস্ট করার কারণে আমাকে একটি শাস্তিমূলক বৈঠকের জন্য ডাকা হয়েছিল। আপনি যদি ফিলিস্তিনিদের বেঁচে থাকার অধিকারে বিশ্বাস করেন, তবে এখানে কাজ করা কঠিন হয়ে যাবে।’

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে