
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের গঠন বদলে যাওয়া একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এ সময় শরীরের চর্বি বাড়ে, আর পেশিশক্তি বা লিন মাসল ধরে রাখা হয়ে ওঠে কঠিন। এর ফলে ডায়াবেটিস, হৃদ্রোগ সহ নানা বিপাকীয় রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে বয়স্কদের জন্য কোন ধরনের ব্যায়াম সবচেয়ে কার্যকর—তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চলছিল। নতুন এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা জানালেন, হাই-ইনটেনসিটি ইন্টারভাল ট্রেনিং (এইচআইআইটি) বয়স্কদের শরীরের চর্বি কমাতে এবং পেশি ধরে রাখতে সবচেয়ে উপযোগী ব্যায়াম হতে পারে।
অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব দ্য সানশাইন কোস্টের গবেষকেরা গ্রেটার ব্রিসবেন অঞ্চলের ১২০ জনের বেশি প্রবীণ মানুষের ওপর এই গবেষণা চালান। অংশগ্রহণকারীদের গড় বয়স ছিল ৭২ বছর এবং তাঁদের গড় বডি মাস ইনডেক্স (বিএমআই) ছিল ২৬, যা ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক হিসেবে ধরা হয়।
গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের তিনটি দলে ভাগ করা হয়। প্রত্যেক দল ছয় মাস ধরে সপ্তাহে তিন দিন, ৪৫ মিনিট করে ট্রেডমিলে হাঁটা বা দৌড়ানোর অনুশীলন করেন। তবে ব্যায়ামের তীব্রতায় ছিল পার্থক্য—কেউ উচ্চ তীব্রতার, কেউ মাঝারি, কেউ আবার কম তীব্রতার ব্যায়াম করেন।
গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়—উচ্চ, মাঝারি ও কম—সব ধরনের ব্যায়ামেই শরীরের চর্বি সামান্য পরিমাণে কমেছে। তবে শুধু এইচআইআইটি পদ্ধতি বা উচ্চ তীব্রতার ব্যায়ামেই শরীরের লিন মাসল বা পেশিশক্তি ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে। এই পদ্ধতিতে মূলত অল্প সময় খুব জোরে ব্যায়াম করা হয়, তারপর স্বল্প বিশ্রাম—এভাবেই কয়েকটি রাউন্ড পূর্ণ করতে হয়। মাঝারি তীব্রতার ব্যায়ামে চর্বি কমলেও পেশিতে সামান্য হ্রাস দেখা গেছে।
গবেষণার প্রধান গবেষক ও ব্যায়াম বিশেষজ্ঞ গ্রেস রোজ জানান, এইচআইআইটি-এ খুব অল্প সময়ের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর ব্যায়াম করতে হয়, যেখানে শ্বাসপ্রশ্বাস ভারী হয়ে আসে এবং কথা বলা কঠিন হয়ে পড়ে। এরপর কিছুটা সহজ গতিতে বিশ্রাম নেওয়া হয়। এই পদ্ধতিই পেশির ওপর বেশি চাপ সৃষ্টি করে, ফলে শরীর পেশি ধরে রাখার শক্তিশালী সংকেত পায়।
গবেষণাপত্রটি স্বাস্থ্যবিষয়ক জার্নাল ম্যাচুরিটাস-এ প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকেরা মনে করছেন, এইচআইআইটি বয়স্কদের ক্ষেত্রে মাংসপেশিতে প্রোটিন তৈরির হার বাড়াতে পারে। তবে তাঁরা সতর্ক করে বলেছেন, চূড়ান্ত চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়ার আগে আরও গবেষণা প্রয়োজন।
তবুও বিজ্ঞানীদের উপসংহার হলো—যদি শারীরিকভাবে সক্ষম হন, তবে বয়স্কদের জন্য শরীরের গঠন ও স্বাস্থ্য রক্ষায় হাই-ইনটেনসিটি ইন্টারভাল ট্রেনিং সবচেয়ে ভালো বিকল্প হতে পারে।

দেশে চলমান হাম প্রাদুর্ভাবকে শিশুদের জন্য একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য সংকট হিসেবে উল্লেখ করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ)। সংস্থাটি বলেছে, এ পরিস্থিতি শিশুদের স্বাস্থ্য ও জীবনের অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত হানছে এবং তাৎক্ষণিক, সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ।
১১ ঘণ্টা আগে
দেশে হামের রোগী বাড়তে থাকায় সরকারি হাসপাতালগুলোকে রোগী ফেরত না দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শয্যা সংকটের কারণ দেখিয়ে কোনো রোগীকে অন্যত্র পাঠানো যাবে না বলেও জানানো হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৯ জনে। সে সঙ্গে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯৪ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ১ হাজার ১৭০ জনের। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৭৪ জন।
১৮ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম শনাক্ত হয়েছে ১২৯ জনের। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৯৩৪ জনে। একই সময় হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮ জনে। উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯০ জনে।
২ দিন আগে