
সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা লিভার ও প্যানক্রিয়াসের মতো মারাত্মক ক্যানসারের ঝুঁকিতে থাকেন। বিশেষ করে সদ্য ডায়াবেটিসে আক্রান্ত নারীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। আজ রোববার গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এই খবর জানা গেছে।
গবেষণাটি ৯৫ হাজার মানুষের স্বাস্থ্য রেকর্ড বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছে, সদ্য টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত নারীদের প্যানক্রিয়াস ক্যানসারের ঝুঁকি দ্বিগুণ এবং লিভার ক্যানসারের ঝুঁকি পাঁচ গুণ বেশি। পুরুষদের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি বেড়েছে। পুরুষের ক্ষেত্রে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার পাঁচ বছরের মধ্যে প্যানক্রিয়াস ক্যানসারের ঝুঁকি ৭৪ শতাংশ এবং লিভার ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় চার গুণ বাড়ে।
এ ছাড়া অন্ত্রের ক্যানসারের ক্ষেত্রে নারীদের ঝুঁকি ৩৪ শতাংশ এবং পুরুষদের ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি দেখা গেছে। গবেষকেরা বলেছেন, এই গবেষণা ডায়াবেটিস ও স্থূলতার মধ্যে সম্পর্ক বিশ্লেষণ করলেও তাঁরা শুধু ডায়াবেটিসের প্রভাব আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে চেয়েছেন।
ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টারের ক্যানসার স্টাডিজ ও সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক অ্যান্ড্রু রেনেহানের সঙ্গে গবেষণারত মেডিকেল শিক্ষার্থী ওয়েন টিপিং বলেন, ‘আমাদের গবেষণার উদ্দেশ্য ছিল, স্থূলতার প্রভাব বাদ দিয়ে শুধু ডায়াবেটিসের কারণে ক্যানসারের ঝুঁকি কতটা বাড়ে, তা বিশ্লেষণ করা।’
গবেষণার জন্য যুক্তরাজ্যের বৃহৎ স্বাস্থ্য ডেটাবেইস, ইউকে বায়োব্যাংক ব্যবহার করা হয়েছে। এখানে ২৩ হাজার ৭৫০ জন নতুন টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয় এবং ৭০ হাজার স্বাস্থ্যবান মানুষের সঙ্গে তাঁদের তুলনা করা হয়।
সাধারণত নতুন ডায়াবেটিস রোগীদের চিকিৎসার সময় বেশি স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। এর ফলে ক্যানসার শনাক্তের হার বেড়ে যায়। গবেষকেরা এই প্রভাব কমাতে ডায়াবেটিস নির্ণয়ের প্রথম বছরের মধ্যে শনাক্ত হওয়া ক্যানসারের তথ্যকে উপেক্ষা করেছেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, সদ্য টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত পুরুষদের মধ্যে স্থূলতা-সম্পর্কিত যেকোনো ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি ৪৮ শতাংশ এবং নারীদের ক্ষেত্রে ২৪ শতাংশ বেশি। তবে নারীদের মধ্যে অ্যান্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসার ও মেনোপজ-পরবর্তী স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি তেমন বাড়েনি।
যুক্তরাজ্যে সাধারণ জনগণের মধ্যে লিভার ও প্যানক্রিয়াস ক্যানসারের ঝুঁকি পুরুষদের তুলনায় নারীদের কম। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশটির প্রতি ৭৬ জন পুরুষের মধ্যে একজন এবং প্রতি ১৩০ জন নারীর মধ্যে একজন লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত হন। অন্যদিকে প্রতি ৫৫ জন পুরুষের মধ্যে একজন এবং প্রতি ৫৯ জন নারীর মধ্যে একজন প্যানক্রিয়াস ক্যানসারে আক্রান্ত হন।
বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, উচ্চ মাত্রার ইনসুলিন, রক্তে উচ্চ শর্করার পরিমাণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহের ফলে ডায়াবেটিস আক্রান্তদের মধ্যে ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। এ ছাড়া হরমোনের মাত্রা, ইনসুলিন সংবেদনশীলতা এবং দেহের চর্বি বিতরণের তারতম্যের কারণেও পুরুষ ও নারীদের ঝুঁকির পার্থক্য দেখা দিতে পারে।
ক্যানসার রিসার্চ ইউকের গবেষক সোফিয়া লোয়েস বলেন, ‘এই গবেষণা ডায়াবেটিস ও ক্যানসারের মধ্যে সম্পর্ক বোঝার ক্ষেত্রে নতুন দিক উন্মোচন করেছে। তবে কীভাবে এবং কেন ডায়াবেটিস ক্যানসার সৃষ্টি করে, সেই সম্পর্কে আরও গবেষণা প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্থূলতা অন্তত ১৩ ধরনের ক্যানসারের কারণ হতে পারে। স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা এবং সুষম খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করাই ক্যানসারের ঝুঁকি কমানোর অন্যতম উপায়। পাশাপাশি ধূমপান পরিহার এবং অ্যালকোহল সেবন কমানোও সহায়ক হতে পারে।’

সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা লিভার ও প্যানক্রিয়াসের মতো মারাত্মক ক্যানসারের ঝুঁকিতে থাকেন। বিশেষ করে সদ্য ডায়াবেটিসে আক্রান্ত নারীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। আজ রোববার গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এই খবর জানা গেছে।
গবেষণাটি ৯৫ হাজার মানুষের স্বাস্থ্য রেকর্ড বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছে, সদ্য টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত নারীদের প্যানক্রিয়াস ক্যানসারের ঝুঁকি দ্বিগুণ এবং লিভার ক্যানসারের ঝুঁকি পাঁচ গুণ বেশি। পুরুষদের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি বেড়েছে। পুরুষের ক্ষেত্রে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার পাঁচ বছরের মধ্যে প্যানক্রিয়াস ক্যানসারের ঝুঁকি ৭৪ শতাংশ এবং লিভার ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় চার গুণ বাড়ে।
এ ছাড়া অন্ত্রের ক্যানসারের ক্ষেত্রে নারীদের ঝুঁকি ৩৪ শতাংশ এবং পুরুষদের ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি দেখা গেছে। গবেষকেরা বলেছেন, এই গবেষণা ডায়াবেটিস ও স্থূলতার মধ্যে সম্পর্ক বিশ্লেষণ করলেও তাঁরা শুধু ডায়াবেটিসের প্রভাব আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে চেয়েছেন।
ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টারের ক্যানসার স্টাডিজ ও সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক অ্যান্ড্রু রেনেহানের সঙ্গে গবেষণারত মেডিকেল শিক্ষার্থী ওয়েন টিপিং বলেন, ‘আমাদের গবেষণার উদ্দেশ্য ছিল, স্থূলতার প্রভাব বাদ দিয়ে শুধু ডায়াবেটিসের কারণে ক্যানসারের ঝুঁকি কতটা বাড়ে, তা বিশ্লেষণ করা।’
গবেষণার জন্য যুক্তরাজ্যের বৃহৎ স্বাস্থ্য ডেটাবেইস, ইউকে বায়োব্যাংক ব্যবহার করা হয়েছে। এখানে ২৩ হাজার ৭৫০ জন নতুন টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয় এবং ৭০ হাজার স্বাস্থ্যবান মানুষের সঙ্গে তাঁদের তুলনা করা হয়।
সাধারণত নতুন ডায়াবেটিস রোগীদের চিকিৎসার সময় বেশি স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। এর ফলে ক্যানসার শনাক্তের হার বেড়ে যায়। গবেষকেরা এই প্রভাব কমাতে ডায়াবেটিস নির্ণয়ের প্রথম বছরের মধ্যে শনাক্ত হওয়া ক্যানসারের তথ্যকে উপেক্ষা করেছেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, সদ্য টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত পুরুষদের মধ্যে স্থূলতা-সম্পর্কিত যেকোনো ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি ৪৮ শতাংশ এবং নারীদের ক্ষেত্রে ২৪ শতাংশ বেশি। তবে নারীদের মধ্যে অ্যান্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসার ও মেনোপজ-পরবর্তী স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি তেমন বাড়েনি।
যুক্তরাজ্যে সাধারণ জনগণের মধ্যে লিভার ও প্যানক্রিয়াস ক্যানসারের ঝুঁকি পুরুষদের তুলনায় নারীদের কম। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশটির প্রতি ৭৬ জন পুরুষের মধ্যে একজন এবং প্রতি ১৩০ জন নারীর মধ্যে একজন লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত হন। অন্যদিকে প্রতি ৫৫ জন পুরুষের মধ্যে একজন এবং প্রতি ৫৯ জন নারীর মধ্যে একজন প্যানক্রিয়াস ক্যানসারে আক্রান্ত হন।
বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, উচ্চ মাত্রার ইনসুলিন, রক্তে উচ্চ শর্করার পরিমাণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহের ফলে ডায়াবেটিস আক্রান্তদের মধ্যে ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। এ ছাড়া হরমোনের মাত্রা, ইনসুলিন সংবেদনশীলতা এবং দেহের চর্বি বিতরণের তারতম্যের কারণেও পুরুষ ও নারীদের ঝুঁকির পার্থক্য দেখা দিতে পারে।
ক্যানসার রিসার্চ ইউকের গবেষক সোফিয়া লোয়েস বলেন, ‘এই গবেষণা ডায়াবেটিস ও ক্যানসারের মধ্যে সম্পর্ক বোঝার ক্ষেত্রে নতুন দিক উন্মোচন করেছে। তবে কীভাবে এবং কেন ডায়াবেটিস ক্যানসার সৃষ্টি করে, সেই সম্পর্কে আরও গবেষণা প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্থূলতা অন্তত ১৩ ধরনের ক্যানসারের কারণ হতে পারে। স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা এবং সুষম খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করাই ক্যানসারের ঝুঁকি কমানোর অন্যতম উপায়। পাশাপাশি ধূমপান পরিহার এবং অ্যালকোহল সেবন কমানোও সহায়ক হতে পারে।’

নতুন করে ১৩৫টি ওষুধকে ‘অত্যাবশ্যকীয়’ তালিকায় যুক্ত করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর ফলে এখন এই তালিকায় ওষুধের সংখ্যা দাঁড়াল ২৯৫। অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ বিক্রির জন্য নির্দিষ্ট দাম বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
১৩ ঘণ্টা আগে
তীব্র শীতের কারণে হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ বাড়ছে। রোগীদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু। আক্রান্তদের অধিকাংশই জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া, পেটের পীড়া ও নিউমোনিয়ায় ভুগছে। সরকারি হাসপাতালে শয্যার চেয়ে রোগী বেশি হওয়ায় বাধ্য হয়ে মেঝে ও বারান্দায় রেখে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
২ দিন আগে
সুইস খাদ্যপ্রতিষ্ঠান নেসলে ঘোষণা করেছে, তারা ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, ইতালি, সুইডেনসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ থেকে কিছু ব্যাচের শিশুখাদ্য ফর্মুলা প্রত্যাহার করছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
দেশের বেসরকারি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবগুলোর কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফেরাতে জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ সোমবার জারি করা নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বা মেডিকেল অফিসারকে নিজ হাতে
৩ দিন আগে