
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ৪০ শতাংশই কখনোই পরীক্ষার আওতায় আসে না। নতুন এক জরিপ গবেষণার বরাতে দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুল ধরেছে। ডায়াবেটিস গ্লোবাল ইন্ডাস্ট্রি ওভারভিউ এ গবেষণা করেছে, যা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় জরিপ।
এতে বলা হয়, পরীক্ষা-নিরীক্ষার বাইরে থাকা ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি মিলেছে আফ্রিকায়। সেখানে ৬০ শতাংশ ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষেত্রেই এই রোগ নির্ণয় করা হয়নি।
পরীক্ষার আওতায় না আসা ৫৭ শতাংশ ডায়াবেটিস রোগী নিয়ে এরপরের অবস্থানেই আছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৫৬ শতাংশ ডায়াবেটিস রোগীও কখনো পরীক্ষার আওতায় আসেনি।
যাদের রোগ নির্ণয় করা হয়েছে তাদের অর্ধেকই চিকিৎসা পায় না বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এই রোগে আক্রান্ত প্রতি চারজনের মধ্যে তিনজন নিম্ন এবং মধ্যম আয়ের দেশে বাস করে, যেখানে মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ সব সময় থাকে না।
প্রতিবেদনটির প্রধান গবেষক সাশা কোরোগডস্কি জানান, সারা বিশ্বে ডায়াবেটিস নির্ণয়ের বিশেষজ্ঞ হিসেবে পাওয়া গেছে ৫৩০ টিরও বেশি কোম্পানি। কিন্তু এর মাত্র ৩৩ টি আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। তিনি বলেন,‘স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে পেশাদার চিকিৎসক এবং রোগ নির্ণয়ের যন্ত্রের ঘাটতি সহ স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামোর অভাব প্রাথমিক পর্যায়ে ডায়াবেটিস নির্ণয়ে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।’
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত গবেষণাটি ২ হাজার ৮০০ টিরও বেশি কোম্পানি, ১ হাজার ৫০০ বিনিয়োগকারী এবং ৮০টি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রের অবস্থার ওপর জরিপ চালিয়ে তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চিকিৎসার ক্ষেত্রে এই ‘অতি বৈষম্য’ বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস রোগীদের সেবামান উন্নত করার প্রয়োজনীয়তাকে জোরালোভাবে তুলে ধরে।
অ্যামরেফ হেলথ আফ্রিকার একটি শাখা অ্যামরেফ হেলথ ইনোভেশনের প্রধান নির্বাহী ক্যারোলিন এমবিন্দিও জানান, সমগ্র আফ্রিকার অধিবাসীদের অর্ধেকই পায় না প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ। কোনো চিকিৎসা নিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ বড়জোর বাড়তি একদিন কিংবা এক ঘণ্টা বাঁচতে পারে। তিনি বলেন, ‘বাস্তবতা হল চিকিৎসার জন্য যে সময় ও ব্যয় হবে সেটা এই সম্প্রদায়ের অনেকের জন্য কোনো বিকল্পই নয়। তাদের পক্ষে এই স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া অনেকটাই অসম্ভব।’
গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২১ সালে চিকিৎসার জন্য ৯৭০ বিলিয়ন ডলার খরচ করেও বিশ্বজুড়ে প্রায় ৭০ লাখ মানুষ ডায়াবেটিসে মৃত্যুবরণ করেছে। সারা বিশ্বে ডায়াবেটিসের ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ৫৫ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। দেশটিতে ৭০ টিরও বেশি কোম্পানি এই ওষুধ প্রস্তুত করে। এ ছাড়া ১৭ শতাংশ ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ইউরোপে অবস্থিত। গবেষণায় বলা হয়েছে, বৈশ্বিক ডায়াবেটিসের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে প্রধানত চারটি বিশাল প্রতিষ্ঠান। নভো নরডিস্ক, সানোফি, এলি লিলি এবং মার্ক- এই প্রতিষ্ঠানগুলো একত্রে এই রোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাজারের প্রায় ৭২ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে।
ডায়াবেটিস বাড়ছে। দ্রুত নগরায়ণ এবং ফসলের ওপর জলবায়ু সংকটের প্রভাবে সস্তায় প্রক্রিয়াজাত খাবারের দিকে বেশি ঝুঁকছে মানুষ। চিরায়ত খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এসেছে এসব প্রক্রিয়াজাত খাবারের কারণে। ক্যারোলিন এমবিন্দিও বলেন, ‘শহুরে জীবনযাপনে মানুষ এখন শারীরিক পরিশ্রম কম করে। এতে ২ ধরনের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং নির্দিষ্ট কিছু ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে।’

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ৪০ শতাংশই কখনোই পরীক্ষার আওতায় আসে না। নতুন এক জরিপ গবেষণার বরাতে দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুল ধরেছে। ডায়াবেটিস গ্লোবাল ইন্ডাস্ট্রি ওভারভিউ এ গবেষণা করেছে, যা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় জরিপ।
এতে বলা হয়, পরীক্ষা-নিরীক্ষার বাইরে থাকা ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি মিলেছে আফ্রিকায়। সেখানে ৬০ শতাংশ ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষেত্রেই এই রোগ নির্ণয় করা হয়নি।
পরীক্ষার আওতায় না আসা ৫৭ শতাংশ ডায়াবেটিস রোগী নিয়ে এরপরের অবস্থানেই আছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৫৬ শতাংশ ডায়াবেটিস রোগীও কখনো পরীক্ষার আওতায় আসেনি।
যাদের রোগ নির্ণয় করা হয়েছে তাদের অর্ধেকই চিকিৎসা পায় না বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এই রোগে আক্রান্ত প্রতি চারজনের মধ্যে তিনজন নিম্ন এবং মধ্যম আয়ের দেশে বাস করে, যেখানে মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ সব সময় থাকে না।
প্রতিবেদনটির প্রধান গবেষক সাশা কোরোগডস্কি জানান, সারা বিশ্বে ডায়াবেটিস নির্ণয়ের বিশেষজ্ঞ হিসেবে পাওয়া গেছে ৫৩০ টিরও বেশি কোম্পানি। কিন্তু এর মাত্র ৩৩ টি আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। তিনি বলেন,‘স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে পেশাদার চিকিৎসক এবং রোগ নির্ণয়ের যন্ত্রের ঘাটতি সহ স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামোর অভাব প্রাথমিক পর্যায়ে ডায়াবেটিস নির্ণয়ে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।’
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত গবেষণাটি ২ হাজার ৮০০ টিরও বেশি কোম্পানি, ১ হাজার ৫০০ বিনিয়োগকারী এবং ৮০টি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রের অবস্থার ওপর জরিপ চালিয়ে তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চিকিৎসার ক্ষেত্রে এই ‘অতি বৈষম্য’ বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস রোগীদের সেবামান উন্নত করার প্রয়োজনীয়তাকে জোরালোভাবে তুলে ধরে।
অ্যামরেফ হেলথ আফ্রিকার একটি শাখা অ্যামরেফ হেলথ ইনোভেশনের প্রধান নির্বাহী ক্যারোলিন এমবিন্দিও জানান, সমগ্র আফ্রিকার অধিবাসীদের অর্ধেকই পায় না প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ। কোনো চিকিৎসা নিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ বড়জোর বাড়তি একদিন কিংবা এক ঘণ্টা বাঁচতে পারে। তিনি বলেন, ‘বাস্তবতা হল চিকিৎসার জন্য যে সময় ও ব্যয় হবে সেটা এই সম্প্রদায়ের অনেকের জন্য কোনো বিকল্পই নয়। তাদের পক্ষে এই স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া অনেকটাই অসম্ভব।’
গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২১ সালে চিকিৎসার জন্য ৯৭০ বিলিয়ন ডলার খরচ করেও বিশ্বজুড়ে প্রায় ৭০ লাখ মানুষ ডায়াবেটিসে মৃত্যুবরণ করেছে। সারা বিশ্বে ডায়াবেটিসের ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ৫৫ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। দেশটিতে ৭০ টিরও বেশি কোম্পানি এই ওষুধ প্রস্তুত করে। এ ছাড়া ১৭ শতাংশ ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ইউরোপে অবস্থিত। গবেষণায় বলা হয়েছে, বৈশ্বিক ডায়াবেটিসের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে প্রধানত চারটি বিশাল প্রতিষ্ঠান। নভো নরডিস্ক, সানোফি, এলি লিলি এবং মার্ক- এই প্রতিষ্ঠানগুলো একত্রে এই রোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাজারের প্রায় ৭২ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে।
ডায়াবেটিস বাড়ছে। দ্রুত নগরায়ণ এবং ফসলের ওপর জলবায়ু সংকটের প্রভাবে সস্তায় প্রক্রিয়াজাত খাবারের দিকে বেশি ঝুঁকছে মানুষ। চিরায়ত খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এসেছে এসব প্রক্রিয়াজাত খাবারের কারণে। ক্যারোলিন এমবিন্দিও বলেন, ‘শহুরে জীবনযাপনে মানুষ এখন শারীরিক পরিশ্রম কম করে। এতে ২ ধরনের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং নির্দিষ্ট কিছু ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে।’

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
২০ ঘণ্টা আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৫ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৫ দিন আগে