
ওজন কমানোর জন্য বেশ জনপ্রিয় একটি কৌশল হলো দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এই কৌশলের কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকেরা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ গবেষণার সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়েছে।
গতকাল সোমবার মার্কিন শহর শিকাগোতে আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের (এএইচএ) লাইফস্টাইল সায়েন্টিফিক সেশন সভায় গবেষণা প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ প্রকাশ করা হয়।
এতে বলা হয়, দৈনিক খাবার গ্রহণের বিরতি আট ঘণ্টা হলেই হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঝুঁকি ৯১ শতাংশ বেড়ে যায়।
এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত কী থাকতে পারে তা নিয়ে বিজ্ঞানী ও গবেষক মহলে জল্পনা কল্পনা চলছে। হার্ট অ্যাসোসিয়েশন বলছে, গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশের আগে অন্য বিশেষজ্ঞরা এটি পর্যালোচনা করেছেন।
এখন ওজন কমানোর ওষুধ বেরিয়েছে। এসব ওষুধ আবিষ্কারের পর থেকেই জীবনধারায় পরিবর্তন আনার এ চরম পদ্ধতিগুলো নিয়ে সন্দেহ শুরু হয়। কিছু চিকিৎসক এ গবেষণার ফলাফল নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। চিকিৎসকেরা বলছেন, হতে পারে ভারসাম্যহীন নমুনা এ গবেষণার ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে। উপবাস করা হৃদ্রোগী ও ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা পরপর খাবার খাওয়া মানুষের হৃৎপিণ্ডের মধ্যে তুলনা গবেষণায় প্রভাব ফেলতে পারে।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মানব বিপাক বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক কিথ ফ্রেইন যুক্তরাজ্যের সায়েন্স মিডিয়া সেন্টারকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণ কমানোর উপায় হিসেবে সময় বেঁধে (নির্দিষ্ট বিরতিতে) খাওয়ার পদ্ধতি বেশ জনপ্রিয়। এই চর্চার প্রভাবের ওপর আমাদের দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা প্রয়োজন—তা দেখানোর জন্য এই প্রতিবেদনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই সারসংক্ষেপে অনেক প্রশ্নেরই উত্তর নেই।’
গবেষণার জন্য চীনের সাংহাই জিয়াও তং ইউনিভার্সিটির স্কুল অব মেডিসিনের ভিক্টর ঝংয়ের নেতৃত্বে গবেষকেরা যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) ন্যাশনাল হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন এক্সামিনেশন সার্ভেতে অন্তর্ভুক্ত প্রায় ২০ হাজার প্রাপ্তবয়স্কের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেছেন।
২০০৩ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মৃতের তথ্যের পাশাপাশি এ গবেষণায় বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তবে এ বিশ্লেষণগুলো রোগীরা দুই দিন ধরে কী খেয়েছেন এসব তথ্যের ওপর ভিত্তিতে করা হয়েছে। তাই বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, এ গবেষণায় তথ্যগত ভুল থাকতে পারে। নমুনার অর্ধেক রোগীই পুরুষ এবং তাঁদের গড় বয়স ৪৮ বছর।
ঝং বলেন, এ রোগীরা কতদিন এভাবে উপবাস করছেন তা স্পষ্ট নয়।
সায়েন্স মিডিয়া সেন্টারকে এক ই–মেইল বার্তায় তিনি বলেন, উপবাস করা বেশির ভাগ রোগীরই বয়স কম এবং উচ্চ বিএমআই যুক্ত ও খাদ্য অনিরাপত্তায় ভুগছিলেন। অর্থাৎ তাঁদের বয়স ও উচ্চতার তুলনায় ওজন অনেক বেশি। তাঁদের উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং হৃদ্রোগের রোগের প্রবণতাও কম ছিল। ঝং বলেন, ‘বিশ্লেষণের জন্য আমরা প্রত্যেকটি বিষয়ই পর্যবেক্ষণ করেছি। তবে ৮ ঘণ্টা পরপর সীমিত খাওয়া ও হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যার মধ্যে সম্পর্ক একই ছিল।’

ওজন কমানোর জন্য বেশ জনপ্রিয় একটি কৌশল হলো দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এই কৌশলের কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকেরা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ গবেষণার সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়েছে।
গতকাল সোমবার মার্কিন শহর শিকাগোতে আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের (এএইচএ) লাইফস্টাইল সায়েন্টিফিক সেশন সভায় গবেষণা প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ প্রকাশ করা হয়।
এতে বলা হয়, দৈনিক খাবার গ্রহণের বিরতি আট ঘণ্টা হলেই হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঝুঁকি ৯১ শতাংশ বেড়ে যায়।
এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত কী থাকতে পারে তা নিয়ে বিজ্ঞানী ও গবেষক মহলে জল্পনা কল্পনা চলছে। হার্ট অ্যাসোসিয়েশন বলছে, গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশের আগে অন্য বিশেষজ্ঞরা এটি পর্যালোচনা করেছেন।
এখন ওজন কমানোর ওষুধ বেরিয়েছে। এসব ওষুধ আবিষ্কারের পর থেকেই জীবনধারায় পরিবর্তন আনার এ চরম পদ্ধতিগুলো নিয়ে সন্দেহ শুরু হয়। কিছু চিকিৎসক এ গবেষণার ফলাফল নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। চিকিৎসকেরা বলছেন, হতে পারে ভারসাম্যহীন নমুনা এ গবেষণার ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে। উপবাস করা হৃদ্রোগী ও ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা পরপর খাবার খাওয়া মানুষের হৃৎপিণ্ডের মধ্যে তুলনা গবেষণায় প্রভাব ফেলতে পারে।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মানব বিপাক বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক কিথ ফ্রেইন যুক্তরাজ্যের সায়েন্স মিডিয়া সেন্টারকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণ কমানোর উপায় হিসেবে সময় বেঁধে (নির্দিষ্ট বিরতিতে) খাওয়ার পদ্ধতি বেশ জনপ্রিয়। এই চর্চার প্রভাবের ওপর আমাদের দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা প্রয়োজন—তা দেখানোর জন্য এই প্রতিবেদনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই সারসংক্ষেপে অনেক প্রশ্নেরই উত্তর নেই।’
গবেষণার জন্য চীনের সাংহাই জিয়াও তং ইউনিভার্সিটির স্কুল অব মেডিসিনের ভিক্টর ঝংয়ের নেতৃত্বে গবেষকেরা যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) ন্যাশনাল হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন এক্সামিনেশন সার্ভেতে অন্তর্ভুক্ত প্রায় ২০ হাজার প্রাপ্তবয়স্কের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেছেন।
২০০৩ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মৃতের তথ্যের পাশাপাশি এ গবেষণায় বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তবে এ বিশ্লেষণগুলো রোগীরা দুই দিন ধরে কী খেয়েছেন এসব তথ্যের ওপর ভিত্তিতে করা হয়েছে। তাই বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, এ গবেষণায় তথ্যগত ভুল থাকতে পারে। নমুনার অর্ধেক রোগীই পুরুষ এবং তাঁদের গড় বয়স ৪৮ বছর।
ঝং বলেন, এ রোগীরা কতদিন এভাবে উপবাস করছেন তা স্পষ্ট নয়।
সায়েন্স মিডিয়া সেন্টারকে এক ই–মেইল বার্তায় তিনি বলেন, উপবাস করা বেশির ভাগ রোগীরই বয়স কম এবং উচ্চ বিএমআই যুক্ত ও খাদ্য অনিরাপত্তায় ভুগছিলেন। অর্থাৎ তাঁদের বয়স ও উচ্চতার তুলনায় ওজন অনেক বেশি। তাঁদের উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং হৃদ্রোগের রোগের প্রবণতাও কম ছিল। ঝং বলেন, ‘বিশ্লেষণের জন্য আমরা প্রত্যেকটি বিষয়ই পর্যবেক্ষণ করেছি। তবে ৮ ঘণ্টা পরপর সীমিত খাওয়া ও হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যার মধ্যে সম্পর্ক একই ছিল।’

দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
১ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
২ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
২ দিন আগে
ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
২ দিন আগে