
‘ডিজিটাল অন্তরঙ্গতা বাস্তব জীবনের প্রতি আগ্রহ নষ্ট করে। তাই শিশুরা যখন গেম খেলে অথবা জীবনসঙ্গীরা যখন গেমে মগ্ন হয়, তারা প্রকৃত ঘনিষ্ঠতার প্রতি আগ্রহ হারায়। শিশুরা পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার আকাঙ্ক্ষা ও সংযুক্তির প্রয়োজন মেটানোর আগ্রহ হারিয়ে ফেলে; যা তাদের ও মা-বাবার মধ্যকার সম্পর্ক ক্ষয় করে।’—গর্ডন নিউফেল্ড আধুনিক মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা ইন্টারনেট গেমিং ডিজঅর্ডারকে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এ সমস্যার মূলে রয়েছে গেমে আসক্তি। এই সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবন, সম্পর্ক ও স্বাস্থ্য ধ্বংস হতে পারে।
লক্ষণ কী কী—
শারীরিক ও মানসিক
ঘন ঘন মাথাব্যথা, চোখে জ্বালাপোড়া, অনিদ্রা বা অতিরিক্ত ক্লান্তি।
গেম বন্ধ করলে উদ্বেগ, রাগ বা বিষণ্নতা, উইথড্রয়াল সিম্পটম।
আচরণগত পরিবর্তন
কারণগুলো হলো—
স্নায়বিক
মানসিক
শৈশবকালীন
সামাজিক
যা করা যেতে পারে
সহযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করুন
কখন সাইকোথেরাপি নিতে হবে
পুনরায় আসক্ত হওয়ার ঝুঁকি
গবেষণা অনুযায়ী, ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ রোগী চিকিৎসার পর আবার গেমিংয়ে ফিরে যান। এর কারণ:
প্রতিরোধের উপায়
গেমিং ডিজঅর্ডার জেনেটিক, স্নায়বিক ও পরিবেশগত কারণের জটিল মিশ্রণ। তবে সঠিক চিকিৎসা ও পারিবারিক সমর্থনে এটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য। ধৈর্য ধরে জীবনসঙ্গীর পাশে থেকে পেশাদারের সাহায্য নিতে দ্বিধা না করা এখানে মুনশিয়ানা।
পরামর্শ: চিকিৎসক, কাউন্সেলর, সাইকোথেরাপি প্র্যাকটিশনার, ফিনিক্স ওয়েলনেস সেন্টার, বাংলাদেশ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪৪ জনে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯৪।
১২ ঘণ্টা আগে
ঘর পরিষ্কার করতে ব্যবহৃত হওয়া ডিটারজেন্ট-ব্লিচের মতো ক্লিনিং প্রোডাক্টের সংস্পর্শে এসে ঝুঁকিতে পড়ছে হাজারো শিশু। অনেক বাবা-মাই এসব পণ্য শিশুদের নাগালের বাইরে রাখার প্রয়োজন মনে করেন না, যার ফলে হতে পারে অনেক বড় ক্ষতি।
১৬ ঘণ্টা আগে
ইউনূস সরকার ইউনিসেফের মাধ্যমে টিকা সংগ্রহ বন্ধ করে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি চালু করে। এই ব্যবস্থায় সরকার বিভিন্ন সরবরাহকারীর কাছ থেকে প্রস্তাব নিয়ে যাচাই-বাছাই শেষে ক্রয়াদেশ দেয়।
১ দিন আগে
যাঁদের কিডনিতে পাথর হওয়ার প্রবণতা আছে, তাঁদের বলা হয়, প্রচুর পানি পান করুন। ধারণা করা হয়, শরীরে পর্যাপ্ত পানির উপস্থিতি বা হাইড্রেশনই এই রোগ প্রতিরোধের প্রধান উপায়। এর পেছনে যুক্তি হলো, বেশি পানি পান করলে প্রস্রাব পাতলা হয় এবং পাথর সৃষ্টিকারী খনিজ উপাদানগুলো জমাট বাঁধতে পারে না। বছরের পর বছর ধরে...
১ দিন আগে