আলমগীর আলম

প্রায় ৩ হাজার ৩০০ ধরনের কোষ রয়েছে মানুষের মস্তিষ্কে। সেই সব কোষের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিউরন। এ ছাড়া রয়েছে নন-নিউরোনাল কোষ। এগুলোর মধ্যে রয়েছে গ্লিয়া। এটি এমন ধরনের মস্তিষ্ক কোষ, যা নিউরনের কাঠামোগত সহায়তা ও পুষ্টি সরবরাহের পাশাপাশি সংকেত পাঠানোর প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মস্তিষ্কে আনুমানিক ৮৬ বিলিয়ন নিউরন থাকে! সুস্থ থাকতে এই নিউরন ঠিক রাখতে হবে। কীভাবে সেটা করবেন?
খুব সহজ। প্রতিদিন বিকেলে অস্বাস্থ্যকর খাবার না খেয়ে ১০০ গ্রাম ভাজা চিনাবাদাম কিনে সেটা ভালো করে চিবিয়ে খান। এতে আপনার নিউরন টগবগ করতে থাকবে। তবে লবণ ও তেল দিয়ে ভাজা বাদাম খাওয়া যাবে না, খেতে হবে কোনো কিছুর মিশ্রণ ছাড়া।
চিনাবাদাম প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার। এর অন্যান্য স্বাস্থ্য-সুবিধা আছে। এটি হৃদ্রোগের বিরুদ্ধে সুরক্ষা সহায়তার দেয়াল তৈরি করে। চিনাবাদাম ওজন কমাতে পারে। এতে চর্বির পরিমাণ ৪৪ থেকে ৫৬ শতাংশ পর্যন্ত। বাদামে প্রধানত মনো স্যাচুরেটেড ও পলি আন-স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, যার বেশির ভাগই অলিক ও লিনোলিক অ্যাসিড দিয়ে গঠিত। চিনাবাদামে শর্করার পরিমাণ মোট ওজনের প্রায় ১৬ শতাংশ। শর্করা কম এবং প্রোটিন, চর্বি ও আঁশের পরিমাণ বেশি হওয়ায় এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খুব কম। ফলে ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপযুক্ত খাবার এটি। চিনাবাদাম অনেক ভিটামিন ও খনিজের চমৎকার উৎস। এর মধ্যে রয়েছে বায়োটিন, কপার, নিয়াসিন, ফোলেট, ম্যাংগানিজ, ভিটামিন ই, থায়ামিন, ফসফরাস ও ম্যাগনেশিয়াম। এ জন্য এটি হৃৎপিণ্ড সুস্থ ও কোলেস্টেরল ঠিক রাখে। ফলে এটি মস্তিষ্কে অক্সিজেনের ঘাটতি পূরণে বেশ কার্যকর এবং মস্তিষ্কের পুষ্টির চাহিদা পূরণে অনন্য।
একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর দৈনিক প্রোটিনের চাহিদা ৪৬ ও পুরুষের ৫৬ গ্রাম। শরীরের কোষ গঠন ও মেরামতের জন্য এটি অপরিহার্য উপাদান। চিনাবাদাম হলো উদ্ভিদভিত্তিক প্রোটিনের একটি চমৎকার উৎস। প্রতি ১০০ গ্রাম চিনাবাদামে প্রায় ২৫ গ্রাম প্রোটিন থাকে, যা একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক প্রোটিনের চাহিদার প্রায় অর্ধেক। তাই বিকেলে একমুঠো চিনাবাদাম খোসা ছাড়িয়ে খেয়ে নিন, মন-মেজাজ ভালো থাকবে।
আলমগীর আলম, খাদ্যপথ্য ও আকুপ্রেশার বিশেষজ্ঞ, প্রধান নির্বাহী, প্রাকৃতিক নিরাময় কেন্দ্র

প্রায় ৩ হাজার ৩০০ ধরনের কোষ রয়েছে মানুষের মস্তিষ্কে। সেই সব কোষের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিউরন। এ ছাড়া রয়েছে নন-নিউরোনাল কোষ। এগুলোর মধ্যে রয়েছে গ্লিয়া। এটি এমন ধরনের মস্তিষ্ক কোষ, যা নিউরনের কাঠামোগত সহায়তা ও পুষ্টি সরবরাহের পাশাপাশি সংকেত পাঠানোর প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মস্তিষ্কে আনুমানিক ৮৬ বিলিয়ন নিউরন থাকে! সুস্থ থাকতে এই নিউরন ঠিক রাখতে হবে। কীভাবে সেটা করবেন?
খুব সহজ। প্রতিদিন বিকেলে অস্বাস্থ্যকর খাবার না খেয়ে ১০০ গ্রাম ভাজা চিনাবাদাম কিনে সেটা ভালো করে চিবিয়ে খান। এতে আপনার নিউরন টগবগ করতে থাকবে। তবে লবণ ও তেল দিয়ে ভাজা বাদাম খাওয়া যাবে না, খেতে হবে কোনো কিছুর মিশ্রণ ছাড়া।
চিনাবাদাম প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার। এর অন্যান্য স্বাস্থ্য-সুবিধা আছে। এটি হৃদ্রোগের বিরুদ্ধে সুরক্ষা সহায়তার দেয়াল তৈরি করে। চিনাবাদাম ওজন কমাতে পারে। এতে চর্বির পরিমাণ ৪৪ থেকে ৫৬ শতাংশ পর্যন্ত। বাদামে প্রধানত মনো স্যাচুরেটেড ও পলি আন-স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, যার বেশির ভাগই অলিক ও লিনোলিক অ্যাসিড দিয়ে গঠিত। চিনাবাদামে শর্করার পরিমাণ মোট ওজনের প্রায় ১৬ শতাংশ। শর্করা কম এবং প্রোটিন, চর্বি ও আঁশের পরিমাণ বেশি হওয়ায় এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খুব কম। ফলে ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপযুক্ত খাবার এটি। চিনাবাদাম অনেক ভিটামিন ও খনিজের চমৎকার উৎস। এর মধ্যে রয়েছে বায়োটিন, কপার, নিয়াসিন, ফোলেট, ম্যাংগানিজ, ভিটামিন ই, থায়ামিন, ফসফরাস ও ম্যাগনেশিয়াম। এ জন্য এটি হৃৎপিণ্ড সুস্থ ও কোলেস্টেরল ঠিক রাখে। ফলে এটি মস্তিষ্কে অক্সিজেনের ঘাটতি পূরণে বেশ কার্যকর এবং মস্তিষ্কের পুষ্টির চাহিদা পূরণে অনন্য।
একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর দৈনিক প্রোটিনের চাহিদা ৪৬ ও পুরুষের ৫৬ গ্রাম। শরীরের কোষ গঠন ও মেরামতের জন্য এটি অপরিহার্য উপাদান। চিনাবাদাম হলো উদ্ভিদভিত্তিক প্রোটিনের একটি চমৎকার উৎস। প্রতি ১০০ গ্রাম চিনাবাদামে প্রায় ২৫ গ্রাম প্রোটিন থাকে, যা একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক প্রোটিনের চাহিদার প্রায় অর্ধেক। তাই বিকেলে একমুঠো চিনাবাদাম খোসা ছাড়িয়ে খেয়ে নিন, মন-মেজাজ ভালো থাকবে।
আলমগীর আলম, খাদ্যপথ্য ও আকুপ্রেশার বিশেষজ্ঞ, প্রধান নির্বাহী, প্রাকৃতিক নিরাময় কেন্দ্র

দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
১ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
২ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
২ দিন আগে
ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
২ দিন আগে