ডা. মো. নাজমুল হক মাসুম

কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন না এমন লোক হয়তো খুঁজে পাওয়া মুশকিল। সাধারণত কারও যদি সপ্তাহে তিন বারের কম মলত্যাগ হয়, সেটাকে চিকিৎসকেরা কোষ্ঠকাঠিন্য হিসেবে চিহ্নিত করেন। অনেকেই বলে থাকেন, মল পরিষ্কার হয় না। স্বাভাবিক মলের পরিবর্তে খুব শক্ত কিছু হচ্ছে— এ রকম উপসর্গ নিয়েই রোগীরা চিকিৎসকের কাছে যান। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে কী করবেন:
উপরিউক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই কোষ্ঠকাঠিন্যের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।
শিশুদের ক্ষেত্রে বিষয়টি কিছুটা জটিল হয়ে যেতে পারে। তাদের এ রোগকে বলা হয় ‘হাস-নান ডিজিজ’। সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে মলদ্বার দিয়ে যে মল বের হয়, সেগুলো শুকিয়ে যেতে পারে। শুকিয়ে গেলে স্বাভাবিকভাবে শিশুর পায়খানা হবে না। তখন অবশ্যই একজন শিশু সার্জন বিশেষজ্ঞ বা কোলন ও রেকটাল সার্জন বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে হবে।
আবার অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, আগে স্বাভাবিক পায়খানা হতো, হঠাৎ করে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিয়েছে, আবার নরম পায়খানা হচ্ছে। এ রকম লক্ষণের ক্ষেত্রে ক্ষেত্রবিশেষে কোলন বা রেক্টনি ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কাজেই কোষ্ঠকাঠিন্য ভেবে কারও এই রোগটিকে হেলাফেলা করা উচিত নয়।
কোষ্ঠকাঠিন্য হলেই যে আপনার ক্যানসার হয়ে যাবে, তা নয়; কিন্তু এ সমস্যা দীর্ঘদিন চলতে থাকলে স্বাভাবিক নিয়মকানুনে যদি ভালো না হয়, তাহলে অবশ্যই একজন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। চিকিৎসক রোগীর বিবরণ নিয়ে, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কী কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য হচ্ছে সেটি শনাক্ত করে যথাযথ চিকিৎসা দেবেন।
লেখক: সহযোগী অধ্যাপক
জেনারেল ও কোলো-রেকটাল সার্জন
ঢাকা মেডিকেল কলেজ

কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন না এমন লোক হয়তো খুঁজে পাওয়া মুশকিল। সাধারণত কারও যদি সপ্তাহে তিন বারের কম মলত্যাগ হয়, সেটাকে চিকিৎসকেরা কোষ্ঠকাঠিন্য হিসেবে চিহ্নিত করেন। অনেকেই বলে থাকেন, মল পরিষ্কার হয় না। স্বাভাবিক মলের পরিবর্তে খুব শক্ত কিছু হচ্ছে— এ রকম উপসর্গ নিয়েই রোগীরা চিকিৎসকের কাছে যান। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে কী করবেন:
উপরিউক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই কোষ্ঠকাঠিন্যের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।
শিশুদের ক্ষেত্রে বিষয়টি কিছুটা জটিল হয়ে যেতে পারে। তাদের এ রোগকে বলা হয় ‘হাস-নান ডিজিজ’। সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে মলদ্বার দিয়ে যে মল বের হয়, সেগুলো শুকিয়ে যেতে পারে। শুকিয়ে গেলে স্বাভাবিকভাবে শিশুর পায়খানা হবে না। তখন অবশ্যই একজন শিশু সার্জন বিশেষজ্ঞ বা কোলন ও রেকটাল সার্জন বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে হবে।
আবার অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, আগে স্বাভাবিক পায়খানা হতো, হঠাৎ করে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিয়েছে, আবার নরম পায়খানা হচ্ছে। এ রকম লক্ষণের ক্ষেত্রে ক্ষেত্রবিশেষে কোলন বা রেক্টনি ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কাজেই কোষ্ঠকাঠিন্য ভেবে কারও এই রোগটিকে হেলাফেলা করা উচিত নয়।
কোষ্ঠকাঠিন্য হলেই যে আপনার ক্যানসার হয়ে যাবে, তা নয়; কিন্তু এ সমস্যা দীর্ঘদিন চলতে থাকলে স্বাভাবিক নিয়মকানুনে যদি ভালো না হয়, তাহলে অবশ্যই একজন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। চিকিৎসক রোগীর বিবরণ নিয়ে, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কী কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য হচ্ছে সেটি শনাক্ত করে যথাযথ চিকিৎসা দেবেন।
লেখক: সহযোগী অধ্যাপক
জেনারেল ও কোলো-রেকটাল সার্জন
ঢাকা মেডিকেল কলেজ

বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে, আর এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতি সহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা...
২ দিন আগে
গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, গর্ভবতী নারীদের প্যারাসিটামল সেবন করা উচিত নয়, এতে ক্ষতি হয়। ট্রাম্প দাবি করেন, গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল সেবন নিরাপদ নয় এবং এতে শিশুদের অটিজম, এডিএইচডি বা বিকাশজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে। এই ওষুধ না গ্রহণের পক্ষে নারীদের ‘প্রাণপণে লড়াই’ করা উচিত।
৩ দিন আগে
নাক, কান ও গলা—অন্যান্য অঙ্গের মতো এই তিন অঙ্গ আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারিক জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শ্বাস নেওয়া, কথা বলা, শোনা কিংবা খাবার গ্রহণ—এসব অঙ্গের ওপর নির্ভরশীল। সামান্য অসচেতনতা কিংবা ভুল অভ্যাসের কারণে এগুলোতে জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগ দেখা দিতে পারে।
৩ দিন আগে
ওজন কমানোর নামে খাবার তালিকা থেকে শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া এখন একটা রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস বা রক্তে কোলেস্টরেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সবার আগে খাদ্যতালিকা থেকে কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া হয়।
৩ দিন আগে