ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নিল

লিভারের কার্যক্ষমতা কমে গিয়ে শরীরের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করতে না পারলে বুঝতে হবে লিভারে মারাত্মক কিছু হয়েছে। লিভারের মারাত্মক রোগের একটি হলো লিভার ফেইলিউর। এ রোগ তিন ধরনের—আকস্মিক ফেইলিউর, দীর্ঘমেয়াদি ফেইলিউর ও দীর্ঘমেয়াদি আকস্মিক ফেইলিউর। এগুলোর মধ্যে আকস্মিক ফেইলিউর অত্যন্ত মারাত্মক। বর্তমানে দেশে লিভারের রোগে মৃত্যুর হার দিনে দিনে বাড়ছে।
কেন আক্রান্ত বাড়ছে
বর্তমানে আমাদের দেশে হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাসের কারণে লিভারের রোগ বাড়ছে। এ ছাড়া ফ্যাটি লিভারের কারণেও লিভারের রোগের হার বাড়ছে বলে মনে করা হয়। কিছুদিন আগেও হেপাটাইটিস ‘সি’ ভাইরাসের কারণে লিভারের রোগ বেশি ছিল। বর্তমানে ‘সি’ ভাইরাসে তুলনামূলকভাবে আক্রান্ত কম হচ্ছে।
কাদের হয়
সাধারণত মধ্যবয়সী এবং বয়স্কদের লিভারের রোগ বেশি হয়। তীব্র হেপাটাইটিস ‘বি’ বা ‘সি’-এর কারণে প্রথমে লিভার সিরোসিস হয়। তার পরই লিভার ফেইলিউর হয়। আকস্মিক ফেইলিউর কম বয়সীদের বেশি হয়ে থাকে। এটি সাধারণত তীব্র ভাইরাল হেপাটাইটিস বা যাদের আকস্মিক ভাইরাল হেপাটাইটিস থাকে তাদের বেশি হয়। বিশেষত গর্ভবতীদের ‘ই’ ভাইরাস হলে লিভার ফেইলিউর হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।
লিভার ফেইলিউরের কারণ
এগুলো থাকলে দীর্ঘমেয়াদি লিভার ফেইলিউর হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।
প্রতিরোধে পূর্ব থেকে করণীয়
আকস্মিক লিভার ফেইলিউর মোকাবিলায় যা করতে হবে,
ফাস্টফুড ও কোমল পানীয় দীর্ঘমেয়াদি লিভার সিরোসিস বা লিভার ফেইলিউর বাড়িয়ে দেয়। সকালে প্রয়োজনে একটু বেশি খাবার, দুপুরে তার চেয়ে কম এবং রাতে সামান্য খাবার খেলে লিভার চাপমুক্ত ও ভালো থাকে।
চিকিৎসা, সংকট ও সমাধান
লিভার ফেইলিউর চিকিৎসায় লিভার প্রতিস্থাপন একটি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা পদ্ধতি। কিন্তু এটি জটিল ও ব্যয়বহুল। লিভার প্রতিস্থাপনে সঠিক ডোনারের পাশাপাশি লিভার ম্যাচিংয়ের ব্যাপার রয়েছে। ভারতে ১৯৯৯ সাল থেকে লিভার প্রতিস্থাপন শুরু হয়। বর্তমানে তাদের শতাধিক প্রতিস্থাপন সেন্টার আছে। বাংলাদেশে লিভার প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া সবে শুরু হয়েছে। ফলে লিভারের রোগের জন্য কোথাও আলাদা আইসিইউ নেই। মেডিকেল কলেজগুলোর লিভার বিভাগ আছে। সেখানে লিভারের আলাদা কেয়ার বা ইউনিট নেই। ফলে এসব রোগী চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। লিভারের সার্বিক চিকিৎসায় জনসাধারণের এ রোগ সম্পর্কে সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
লেখক: অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি ডিভিশন,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং আঞ্চলিক পরামর্শক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)
চেম্বার: ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল, মিরপুর রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা

লিভারের কার্যক্ষমতা কমে গিয়ে শরীরের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করতে না পারলে বুঝতে হবে লিভারে মারাত্মক কিছু হয়েছে। লিভারের মারাত্মক রোগের একটি হলো লিভার ফেইলিউর। এ রোগ তিন ধরনের—আকস্মিক ফেইলিউর, দীর্ঘমেয়াদি ফেইলিউর ও দীর্ঘমেয়াদি আকস্মিক ফেইলিউর। এগুলোর মধ্যে আকস্মিক ফেইলিউর অত্যন্ত মারাত্মক। বর্তমানে দেশে লিভারের রোগে মৃত্যুর হার দিনে দিনে বাড়ছে।
কেন আক্রান্ত বাড়ছে
বর্তমানে আমাদের দেশে হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাসের কারণে লিভারের রোগ বাড়ছে। এ ছাড়া ফ্যাটি লিভারের কারণেও লিভারের রোগের হার বাড়ছে বলে মনে করা হয়। কিছুদিন আগেও হেপাটাইটিস ‘সি’ ভাইরাসের কারণে লিভারের রোগ বেশি ছিল। বর্তমানে ‘সি’ ভাইরাসে তুলনামূলকভাবে আক্রান্ত কম হচ্ছে।
কাদের হয়
সাধারণত মধ্যবয়সী এবং বয়স্কদের লিভারের রোগ বেশি হয়। তীব্র হেপাটাইটিস ‘বি’ বা ‘সি’-এর কারণে প্রথমে লিভার সিরোসিস হয়। তার পরই লিভার ফেইলিউর হয়। আকস্মিক ফেইলিউর কম বয়সীদের বেশি হয়ে থাকে। এটি সাধারণত তীব্র ভাইরাল হেপাটাইটিস বা যাদের আকস্মিক ভাইরাল হেপাটাইটিস থাকে তাদের বেশি হয়। বিশেষত গর্ভবতীদের ‘ই’ ভাইরাস হলে লিভার ফেইলিউর হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।
লিভার ফেইলিউরের কারণ
এগুলো থাকলে দীর্ঘমেয়াদি লিভার ফেইলিউর হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।
প্রতিরোধে পূর্ব থেকে করণীয়
আকস্মিক লিভার ফেইলিউর মোকাবিলায় যা করতে হবে,
ফাস্টফুড ও কোমল পানীয় দীর্ঘমেয়াদি লিভার সিরোসিস বা লিভার ফেইলিউর বাড়িয়ে দেয়। সকালে প্রয়োজনে একটু বেশি খাবার, দুপুরে তার চেয়ে কম এবং রাতে সামান্য খাবার খেলে লিভার চাপমুক্ত ও ভালো থাকে।
চিকিৎসা, সংকট ও সমাধান
লিভার ফেইলিউর চিকিৎসায় লিভার প্রতিস্থাপন একটি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা পদ্ধতি। কিন্তু এটি জটিল ও ব্যয়বহুল। লিভার প্রতিস্থাপনে সঠিক ডোনারের পাশাপাশি লিভার ম্যাচিংয়ের ব্যাপার রয়েছে। ভারতে ১৯৯৯ সাল থেকে লিভার প্রতিস্থাপন শুরু হয়। বর্তমানে তাদের শতাধিক প্রতিস্থাপন সেন্টার আছে। বাংলাদেশে লিভার প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া সবে শুরু হয়েছে। ফলে লিভারের রোগের জন্য কোথাও আলাদা আইসিইউ নেই। মেডিকেল কলেজগুলোর লিভার বিভাগ আছে। সেখানে লিভারের আলাদা কেয়ার বা ইউনিট নেই। ফলে এসব রোগী চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। লিভারের সার্বিক চিকিৎসায় জনসাধারণের এ রোগ সম্পর্কে সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
লেখক: অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি ডিভিশন,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং আঞ্চলিক পরামর্শক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)
চেম্বার: ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল, মিরপুর রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা

তীব্র শীতের কারণে হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ বাড়ছে। রোগীদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু। আক্রান্তদের অধিকাংশই জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া, পেটের পীড়া ও নিউমোনিয়ায় ভুগছে। সরকারি হাসপাতালে শয্যার চেয়ে রোগী বেশি হওয়ায় বাধ্য হয়ে মেঝে ও বারান্দায় রেখে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
৩ ঘণ্টা আগে
সুইস খাদ্যপ্রতিষ্ঠান নেসলে ঘোষণা করেছে, তারা ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, ইতালি, সুইডেনসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ থেকে কিছু ব্যাচের শিশুখাদ্য ফর্মুলা প্রত্যাহার করছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের বেসরকারি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবগুলোর কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফেরাতে জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ সোমবার জারি করা নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বা মেডিকেল অফিসারকে নিজ হাতে
১ দিন আগে
দেশে তিন সপ্তাহ ধরে তীব্র শীত চলছে। কিছু অঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা নেমে গেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। এই অবস্থায় সারা দেশে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বেড়েছে। হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত দুই মাসে প্রায় ১ লাখ বিভিন্ন বয়সের মানুষ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
২ দিন আগে