ফুসফুসের কিছু বিশেষ রোগের ক্ষেত্রে প্রায়ই দেখা যায় ট্যাবলেট বা ইনজেকশনের মাধ্যমে ওষুধ দেওয়ার চেয়ে সরাসরি ফুসফুসে ওষুধ পৌঁছালে সেটা ভালো কাজ করে। আর এখানেই প্রয়োজন পড়ে যায় ইনহেলারের। ইনহেলার একটি ওষুধ-সংবলিত উচ্চচাপযুক্ত ডিভাইস বা ক্যানিস্টার। ইনহেলার দিয়ে প্রতিটি চাপে পরিমিত পরিমাণ ওষুধ শ্বাসের মাধ্যমে সরাসরি ফুসফুসে পৌঁছানো যায়।
কোন রোগের ক্ষেত্রে
সাধারণত সব ধরনের শ্বাসকষ্টের ক্ষেত্রে ইনহেলার ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না। যেসব ক্ষেত্রে ইনহেলার ব্যবহার করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে, তার মধ্যে রয়েছে অ্যাজমা ও ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি)। এ ছাড়া কিছু কিছু অ্যালার্জির ক্ষেত্রে ইনহেলার ব্যবহার করে কার্যকারিতা পাওয়া যায়।
দিনে কতবার ব্যবহার
প্রয়োজনবোধে দিনে ২ থেকে ৪ বার ১ থেকে ২ চাপ করে ইনহেলার নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
প্রয়োজন ছাড়া ইনহেলার ব্যবহার করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। ফলে প্রয়োজন ছাড়া ইনহেলার ব্যবহার না করাই ভালো। তবে কখনো তেমন কিছু ঘটলে মনে রাখতে হবে, রেসকিউ ইনহেলার নিলে তেমন কোনো ক্ষতি হয় না। শুধু রোগীর হার্টবিট বেড়ে যেতে পারে, বুক ধড়ফড় করতে পারে। অন্যদিকে কন্ট্রোল ইনহেলার ব্যবহার-পরবর্তী নিয়ম না মেনে যদি বারবার নেওয়া হতে থাকে, তাহলে মুখে ঘাসহ আরও কিছু প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে।
রাতে শ্বাসকষ্ট কেন বেশি হয়
রাতের বেলায় দেখা যায় অনেকের শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায় অথবা হঠাৎ করে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এর সঠিক কারণ ঠিকভাবে খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে কিছু কিছু ফুসফুস ও হৃৎপিণ্ডের বা পাকস্থলীর রোগের ক্ষেত্রে এ রকম হতে পারে। লক্ষ করলে দেখা যায় যে রাতের বেলা আমাদের রক্ত সঞ্চালন হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের মাধ্যমে তুলনামূলক কম হয়ে থাকে। তাই এ সময়গুলোতে রক্ত ফুসফুসে জমা হয়ে যায় আর শ্বাসকষ্ট তৈরি করে। কিছু রোগের ক্ষেত্রে এ রকম হতে পারে। যেমন:
চিকিৎসা
মূল রোগের চিকিৎসা ঠিকভাবে করলেই রাতের বেলার শ্বাসকষ্ট নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। প্রয়োজনে সি-প্যাপ বা বাই-প্যাপ মেশিন ব্যবহার করা যেতে পারে।
লেখক: রেসিডেন্ট, নেফ্রোলজি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ১৬ ও নিশ্চিত হামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ২২৪ জন। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১২৭ জন ও নিশ্চিত হাম রোগী ৯৭ জন।
৬ ঘণ্টা আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৪৩৪ জন। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৩০৬ জন ও নিশ্চিত হাম রোগী ১২৮ জন।
১ দিন আগে
দেশে হামের প্রকোপ এখনো আশানুরূপভাবে স্থিতিশীল হয়নি। সংখ্যা ওঠানামা করলেও মৃত্যুর মিছিলও থেমে নেই। পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মে মাসের শুরুর কয়েক দিনে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সবকটি সূচক সর্বোচ্চ রেকর্ড স্পর্শ করেছে। এর ভিত্তিতে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের সামগ্রিক চিত্র এখনো উদ্বেগজনক।
২ দিন আগে
ঈদের আমেজে নানা পদের মুখরোচক খাবার খাওয়া হবে। সঙ্গে হঠাৎ গরম এবং হঠাৎ ঠান্ডা আবহাওয়া। এই কারণে অনেকের রক্তচাপ কিংবা ব্লাড প্রেশার হুট করে বেড়ে যেতে পারে।
২ দিন আগে