ডা. মো. আব্দুল হাফিজ শাফী

অ্যাট্রোফিক রাইনাইটিসের ফলে নাকের ভেতরের চামড়া (মিউকোসা) ও ভেতরের হাড়ের কাঠামো (টারবিনেট) নষ্ট হয়ে যায়। এটি সাধারণত ক্লেবশিয়েলা ওজানিয়া নামের জীবাণুর কারণে হয়। এই রোগে নাকের ভেতরের রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে শুকিয়ে যায় এবং ধীরে ধীরে মরে যেতে থাকে। একই সঙ্গে নাকের দুই পাশে ঢাকনার মতো থাকা হাড়গুলো ক্ষয়ে ছোট হয়ে যায়। ফলে নাসারন্ধ্র অস্বাভাবিকভাবে বড় হয়।
এর ফলে নাক সব সময় শুকিয়ে থাকে, ভেতরে শুকনা খোসা বা ক্রাস্ট জমে। ফলে নাক থেকে দুর্গন্ধ বের হতে পারে। এই কারণে এটিকে অনেকে ‘নাক পচা রোগ’ বলে থাকে।
এই রোগের কারণ
সঠিক কারণ অনেক সময় অজানা থাকে। সম্ভাব্য কারণ হলো:
লক্ষণ
চিকিৎসকেরা যখন নাকের ভেতর পরীক্ষা করেন দেখা যায়, নাকের গহ্বর বেশ বড় এবং তাতে সবুজ আস্তরণ বা হালকা ধূসর রঙের বষ্টি বা ময়লায় পূর্ণ।
জটিলতা
চিকিৎসা
শুধু ওষুধে এই রোগ পুরোপুরি ভালো হবে, তা নিশ্চিত বলা যায় না। তবে চিকিৎসার উদ্দেশ্য হচ্ছে নাককে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত রাখা। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ, যা কয়েক বছর থাকার পর মধ্যবয়সে ভালো হতে পারে। অনেক সময় রোগী হতাশায় ভোগে। এ জন্য রোগ নির্ণয়ের পর চিকিৎসার শুরুতে রোগীকে এ ব্যাপারে বিস্তারিত বোঝাতে হবে।
গ্লিসারিনের সঙ্গে ২৫ শতাংশ গ্লুকোজ মিশিয়ে প্রতিদিন পাঁচ ফোঁটা করে দুই নাকের ছিদ্রে দিনে তিন-চারবার দীর্ঘ মেয়াদে দেওয়া হয়। এই ২৫ শতাংশ গ্লুকোজ ইন গ্লিসারিন ব্যবহারের পর শেখানো নিয়মে নরমাল স্যালাইন দিয়ে নিয়মিত নাক ধোয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
অ্যাট্রোফিক রাইনাইটিসে যেসব ওষুধ দেওয়া যাবে না
অ্যান্টিহিস্টামিন: এই রোগে নাকের ভেতর শুষ্ক হয়ে যায়, খোসা জমে। অ্যান্টিহিস্টামিন দিলে নাক আরও শুকিয়ে গিয়ে উপসর্গ খারাপ হবে।
ন্যাসাল ডিকনজেস্ট্যান্ট: জাইলোমেটাজলিন বা অক্সিমেটাজলিন হলো একধরনের নাকের ড্রপ, যা নাকের শ্লেষ্মা ঝিল্লির সংকোচন ঘটিয়ে অস্থায়ীভাবে নাক বন্ধভাব কমায়। কিন্তু অ্যাট্রোফিক রাইনাইটিসে শ্লেষ্মা ঝিল্লি আগেই অতিশয় পাতলা, শুষ্ক ও ভঙ্গুর হয়ে থাকে। ভ্যাসোকনস্ট্রিক্টর দিলে স্থানীয় রক্তসঞ্চালন আরও কমে গিয়ে শ্লেষ্মা ঝিল্লির ক্ষতি বাড়িয়ে দেবে। এতে নাকের শুষ্কতা, ক্রাস্ট তৈরি, দুর্গন্ধ ও আলসারেশন আরও বেড়ে যাবে।
প্রতিরোধ
লেখক: আবাসিক সার্জন (ইএনটি) সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

অ্যাট্রোফিক রাইনাইটিসের ফলে নাকের ভেতরের চামড়া (মিউকোসা) ও ভেতরের হাড়ের কাঠামো (টারবিনেট) নষ্ট হয়ে যায়। এটি সাধারণত ক্লেবশিয়েলা ওজানিয়া নামের জীবাণুর কারণে হয়। এই রোগে নাকের ভেতরের রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে শুকিয়ে যায় এবং ধীরে ধীরে মরে যেতে থাকে। একই সঙ্গে নাকের দুই পাশে ঢাকনার মতো থাকা হাড়গুলো ক্ষয়ে ছোট হয়ে যায়। ফলে নাসারন্ধ্র অস্বাভাবিকভাবে বড় হয়।
এর ফলে নাক সব সময় শুকিয়ে থাকে, ভেতরে শুকনা খোসা বা ক্রাস্ট জমে। ফলে নাক থেকে দুর্গন্ধ বের হতে পারে। এই কারণে এটিকে অনেকে ‘নাক পচা রোগ’ বলে থাকে।
এই রোগের কারণ
সঠিক কারণ অনেক সময় অজানা থাকে। সম্ভাব্য কারণ হলো:
লক্ষণ
চিকিৎসকেরা যখন নাকের ভেতর পরীক্ষা করেন দেখা যায়, নাকের গহ্বর বেশ বড় এবং তাতে সবুজ আস্তরণ বা হালকা ধূসর রঙের বষ্টি বা ময়লায় পূর্ণ।
জটিলতা
চিকিৎসা
শুধু ওষুধে এই রোগ পুরোপুরি ভালো হবে, তা নিশ্চিত বলা যায় না। তবে চিকিৎসার উদ্দেশ্য হচ্ছে নাককে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত রাখা। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ, যা কয়েক বছর থাকার পর মধ্যবয়সে ভালো হতে পারে। অনেক সময় রোগী হতাশায় ভোগে। এ জন্য রোগ নির্ণয়ের পর চিকিৎসার শুরুতে রোগীকে এ ব্যাপারে বিস্তারিত বোঝাতে হবে।
গ্লিসারিনের সঙ্গে ২৫ শতাংশ গ্লুকোজ মিশিয়ে প্রতিদিন পাঁচ ফোঁটা করে দুই নাকের ছিদ্রে দিনে তিন-চারবার দীর্ঘ মেয়াদে দেওয়া হয়। এই ২৫ শতাংশ গ্লুকোজ ইন গ্লিসারিন ব্যবহারের পর শেখানো নিয়মে নরমাল স্যালাইন দিয়ে নিয়মিত নাক ধোয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
অ্যাট্রোফিক রাইনাইটিসে যেসব ওষুধ দেওয়া যাবে না
অ্যান্টিহিস্টামিন: এই রোগে নাকের ভেতর শুষ্ক হয়ে যায়, খোসা জমে। অ্যান্টিহিস্টামিন দিলে নাক আরও শুকিয়ে গিয়ে উপসর্গ খারাপ হবে।
ন্যাসাল ডিকনজেস্ট্যান্ট: জাইলোমেটাজলিন বা অক্সিমেটাজলিন হলো একধরনের নাকের ড্রপ, যা নাকের শ্লেষ্মা ঝিল্লির সংকোচন ঘটিয়ে অস্থায়ীভাবে নাক বন্ধভাব কমায়। কিন্তু অ্যাট্রোফিক রাইনাইটিসে শ্লেষ্মা ঝিল্লি আগেই অতিশয় পাতলা, শুষ্ক ও ভঙ্গুর হয়ে থাকে। ভ্যাসোকনস্ট্রিক্টর দিলে স্থানীয় রক্তসঞ্চালন আরও কমে গিয়ে শ্লেষ্মা ঝিল্লির ক্ষতি বাড়িয়ে দেবে। এতে নাকের শুষ্কতা, ক্রাস্ট তৈরি, দুর্গন্ধ ও আলসারেশন আরও বেড়ে যাবে।
প্রতিরোধ
লেখক: আবাসিক সার্জন (ইএনটি) সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
৩ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৬ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৭ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৭ দিন আগে