‘নীরব ঘাতক’ রোগগুলোর মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন অন্যতম। বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ উচ্চ রক্তচাপে
ভুগছে। এই রোগের কারণে বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ৯৪ লাখ মানুষ মারা যায়। আগে উচ্চ রক্তচাপ বয়স্ক মানুষদের মাঝে বেশি দেখা
যেত। কিন্তু এখন তরুণদের মাঝেও এ রোগ দেখা যাচ্ছে। উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ জানে না,
তাদের শরীরে এ রোগটি আছে। তাই পূর্ণবয়স্ক প্রত্যেক মানুষের উচিত, নিয়মিত উচ্চ রক্তচাপ পরীক্ষা করানো এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।
ঝুঁকিতে যাঁরা আছেন
রক্তে কম ঘনত্বের লিপপ্রোটিন বা এলডিএল, কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড বেশি আছে এমন ব্যক্তি, হরমোনাল ভারসাম্যহীনতা আছে এমন ব্যক্তি, অতিরিক্ত ওজন আছে যাঁদের, রাতে কম ঘুমান যাঁরা, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস যাঁদের, অতিরিক্ত লবণ খান যাঁরা, ধূমপান বা তামাকজাতীয় বা নেশা উৎপন্নকারী পণ্য গ্রহণ করা ব্যক্তি, শারীরিক পরিশ্রম না করা ব্যক্তি এবং যাঁদের বংশগত ইতিহাস আছে, তাঁরা উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকির মধ্যে আছেন।
আক্রান্ত ব্যক্তির খাবার ব্যবস্থাপনা
উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিয়ম মেনে ও পরিমিত পরিমাণে খাবার খেতে হবে। এতে কিছুটা ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
নিয়ম মেনে খেতে হবে
খাদ্যতালিকায় যা রাখতে হবে
উচ্চ রক্তচাপের ব্যক্তিদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কমপক্ষে ২৫০ গ্রাম সবুজ শাকসবজি এবং ১৫০ গ্রাম মৌসুমি ফল রাখতে হবে। শাকের মধ্যে পালংশাক, লালশাক, শজনেপাতা, পাটশাক, কলমিশাক খাবেন। সবজির মধ্যে বিট, ব্রোকলি, চিচিঙ্গা, চালকুমড়া, টমেটো, শসা, পেঁপে, গাজর, মুলা, লাউ, মটরশুঁটি, ঢ্যাঁড়স খাবেন যখন যা পাওয়া যায়। শাকসবজিগুলো ধুয়ে নিয়ে কাটবেন। ফল হিসেবে আমড়া, জাম্বুরা, জাম, কলা, লেবু, কাঁচা পেয়ারা, আমলকী, কচি ডাবের পানি এগুলো নিয়মিত খেতে হবে। এ ছাড়া আঙুর, আনারস, কমলা, মাল্টা, ডালিম, কলা, নাশপাতি, পাকা পেঁপে মৌসুমে যা পাবেন, সেগুলো খাবেন বেশি করে। খোসাসহ খাওয়া যায়–এমন ফল বেশি উপকারী। ফল কখনো ব্লেন্ডারে জুস করে খাবেন না, সরাসরি চিবিয়ে খাবেন। এতে উপকার বেশি পাবেন।
পুষ্টিবিদ মো. ইকবাল হোসেন, সিনিয়র পুষ্টি কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশে ৭ হাজার ৫৫৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। এই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে জুন মাসে। এই মাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৯০৭।
২ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য উদ্যোক্তা হওয়া মানেই কেবল লাভজনক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা নয়, বরং বাস্তব সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে কার্যকর সমাধান তৈরি করাই প্রকৃত লক্ষ্য। দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীর প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও উদ্ভাবনী চিন্তাকে কাজে লাগিয়ে স্বাস্থ্যসেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব...
১ দিন আগে
দেশের সব সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়ে এনএস-১ পরীক্ষা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিনা মূল্যে করার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার উপসচিব কাজী শরিফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে...
১ দিন আগে
দেশে কিশোরী মাতৃত্বের হার আবারও ঊর্ধ্বমুখী। পাঁচ বছরের ব্যবধানে ১৫-১৯ বছর বয়সী প্রতি হাজার কিশোরীর মধ্যে জীবিত সন্তান জন্মদানকারী মেয়ের হার ৮৩ থেকে বেড়ে ৯২-এ পৌঁছেছে।
২ দিন আগে