মহিলা পরিষদের ৫৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেছেন, ‘বিশ্বব্যাপী ধর্মকে নারীর প্রতিপক্ষ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ধর্মকে নারী আন্দোলনের মুখোমুখি করা হচ্ছে।’ সমতাভিত্তিক সমাজ কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আজ শনিবার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে সংগঠনের ৫৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।
মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম বলেন, ‘সব সময় চেয়েছি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নারী সমাজের আস্থার জায়গা হয়ে উঠুক, আমরা তা অর্জন করতে পেরেছি।’
দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে এই নারী অধিকারকর্মী বলেন, ‘গত দেড় বছর মুক্তিযুদ্ধবিরোধী এবং নারীবিদ্বেষী বক্তব্য ছড়ানো হয়েছে, ঘৃণা বিদ্বেষ তৈরি করা হয়েছে! তার বিরুদ্ধে জনগণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রায় দিয়েছে। রাজনীতির চর্চার মূল জায়গা ছিল মব শক্তি, নারী বিরোধী চর্চা। এ সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে।’
শুভেচ্ছা বক্তব্যে মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বলেন, ‘আজকের দিনে স্মরণ করি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি সুফিয়া কামালসহ সকল সদস্যবৃন্দ, কর্মী সংগঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের। এই সংগঠন আমাদের অহংকার, যা নারী আন্দোলনের ভিতকে শক্ত করেছে। ৫৬ বছরে সংগঠন নারী আন্দোলন এগিয়ে নিতে ও সমাজ পরিবর্তনের লক্ষ্যে সংগ্রাম করেছে।’ তিনি এ সময় সমঅধিকার প্রতিষ্ঠায় তরুণদের লড়াই করার আহ্বান জানান।
‘লিঙ্গীয় বৈষম্য দূর করি, সমতাপূর্ণ সমাজ গড়ি’ এই স্লোগানের আলোকে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। শনিবার দুপুর আড়াইটায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় সুফিয়া কামাল ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর সেখান থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পর্যন্ত একটি র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালি শেষে আলোচনা সভায় ৫৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর ঘোষণাপত্র পাঠ করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম। আলোচনা সভায় অংশ নেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ডা. মাখদুমা নার্গিস রত্না, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান, সাংবাদিক এবং কলামিস্ট মাহবুব আজীজ প্রমুখ।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন শেষ হয়।

সারা দেশের সব জেলা ও উপজেলায় একযোগে আগামী ৩ মে থেকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ (রোববার) ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা জানান।
২ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে অতি সংক্রামক হামে আক্রান্ত সন্দেহে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ৯৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ পরিস্থিতিতে হাম প্রতিরোধে আজ রোববার থেকে শুরু হচ্ছে জরুরি হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কর্মসূচি।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় (গত শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে রোগটির উপসর্গ নিয়ে চারজন মারা গেছে। গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
দেশের হামে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় উপসর্গ নিয়ে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
১ দিন আগে