
মানবদেহের হৃৎপিণ্ডের রিং বা স্টেন্টের দাম কমিয়েছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। এতে রিং-ভেদে দাম ৩ হাজার থেকে ৮৮ হাজার টাকা পর্যন্ত কমেছে। গতকাল রোববার (৩ আগস্ট) স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় নতুন মূল্যতালিকার অনুমোদন দেয়।
স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের সই করা অনুমোদনপত্রে বলা হয়, তিনটি কোম্পানির ১১ ধরনের স্টেন্টের (করোনারি স্টেন্ট) দাম কমিয়ে নতুন করে নির্ধারণ করা হয়। স্টেন্ট আমদানি প্রতিষ্ঠানভেদে খুচরা মূল্য সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দাম সর্বোচ্চ ৪৬ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।
মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, অনুমোদিত মূল্যতালিকা ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণসহ হাসপাতালসমূহ কর্তৃক যেন স্টেন্টের ক্ষেত্রে সার্ভিস চার্জ হিসেবে ৫ শতাংশের অতিরিক্ত অর্থ আদায় না করা হয় এবং অনুমোদিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) ছাড়া কোনো কার্ডিওভাসকুলার ও নিউরো ইমপ্ল্যান্ট ডিভাইস যেন ক্রয় না করা হয়, এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, স্টেন্ট বা রিং পরানো বাংলাদেশে হার্টের চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি। কারও হৃৎপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালনে ব্লক বা বাধার সৃষ্টি হলে চিকিৎসক তাঁকে এক বা একাধিক রিং পরানোর পরামর্শ দেন। হার্টে রিং পরানোর পদ্ধতিকে অ্যানজিওপ্লাস্টি বলা হয়। এই পদ্ধতিতে একটি সরু ক্যাথেটার ব্যবহার করে ধমনিতে একটি ছোট জাল আকৃতির নল (স্টেন্ট) স্থাপন করা হয়। এটি রক্তনালিকে খোলা রাখতে সাহায্য করে এবং হৃৎপিণ্ডে রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে।
করোনারি স্টেন্ট বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, পোল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, জাপান, নেদারল্যান্ডস ও আয়ারল্যান্ড থেকে রিং আসে বাংলাদেশে। আমদানি করা এসব রিংয়ের মূল্যতালিকা বিভিন্ন হাসপাতালে টানানো থাকে। রোগীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ তালিকা থেকে বেছে নেওয়া রিং রোগীর হার্টে প্রতিস্থাপন করেন চিকিৎসকেরা।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৩ এপ্রিল ২৩ ধরনের রিংয়ের দাম নির্ধারণ করেছিল ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। এর মাসকয়েক আগে তিনটি রিংয়ের দাম কমানো হয়েছিল।
তিনটি কোম্পানির যে ১১ ধরনের স্টেন্টের দাম কমানো হয়েছে, সেটির তালিকা দেওয়া হলো—

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশে মোট ২৩৩ জনের মৃত্যু হলো। মাসভিত্তিক হিসাবে জানুয়ারিতে ২, ফেব্রুয়ারিতে ২, মে মাসে ১, জুনে ১৩, জুলাইয়ে ৩৬, আগস্টে ৪৩ জন মারা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৪৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপরই রয়েছে সিলেট বিভাগ, যেখানে ১৭৬ জন মারা গেছে। এ ছাড়া অন্যান্য বিভাগের মধ্যে বরিশালে ৬০, চট্টগ্রামে ৮৩, খুলনায় ৪৪, ময়মনসিংহে ৭৯, রাজশাহীতে ৯৩ ও রংপুর বিভাগে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ৪২তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা ও মুগদা মেডিকেল কলেজের সহকারী রেজিস্ট্রার (নিউরোলজি) আঁচল রায়। আজ রোববার সকাল ৮টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৩০ বছর।
১ দিন আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গুতে প্রাণ হারাল ১২৮ জন। অন্যদিকে, এক দিনের হিসাবে চলতি মাসে সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৫৮ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে...
১ দিন আগে