শুধু ডায়েট বা নিয়মিত ব্যায়াম করেই পেটের মেদ কমানো সম্ভব নয়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পেটের মেদ কমাতে চাইলে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত ও ভালো ঘুম, আর সারা দিনে শরীর সচল রাখার অভ্যাস করতে হবে। এসবের সঙ্গে সরাসরি জড়িত আছে পেটের মেদের সমস্যা।
স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম করেও পেটের চর্বি না কমার মূল কারণ আমাদের জীবনযাপন। তাই স্থায়ীভাবে পেটের মেদ কমাতে চাইলে কেবল খাদ্যাভ্যাস নয়, বরং জীবনযাত্রায় পরিবর্তন জরুরি।
যেভাবে পেটের মেদ বাড়ে
দীর্ঘ সময় মানসিক চাপে থাকলে শরীর থেকে কর্টিসল নামক একটি হরমোন বেশি নিঃসৃত হয়। যদিও বেঁচে থাকার জন্য কর্টিসল জরুরি। তবে
এর মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতি শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, এটি মিষ্টি ও বেশি চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা বাড়ায় এবং শরীরকে পেটের অংশে মেদ জমা করার সংকেত দেয়। তাই খেয়াল রাখতে হবে, যখন খুব বেশি মানসিক চাপে থাকেন, তখন আপনার খাদ্যাভ্যাসে তেমন পরিবর্তন না এলেও কোমরের মাপ বেড়ে যায়।
হরমোনের সম্পর্ক ‘সাইকোসোম্যাটিক মেডিসিন’ জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কর্টিসলের উচ্চ মাত্রার সঙ্গে পেটের মেদ বেড়ে যাওয়ার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।
যা করতে পারেন
প্রতিদিনের রুটিনে মানসিক চাপ কমানোর কিছু উপায় যোগ করুন। যেমন, যেকোনো সৃজনশীল কাজের অনুশীলন, গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম অথবা শান্ত পরিবেশে কিছুক্ষণ হাঁটা ইত্যাদি।
সূত্র: হেলথশট

দুই দশক আগে যে রোগটিকে পৃথিবী থেকে প্রায় নির্মূল ভাবা হয়েছিল, সেই ‘হাম’ এখন বিশ্বজুড়ে নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং ইউনিসেফের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বে প্রায় ৯৫ হাজার মানুষ হামে প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের সিংহভাগই ৫ বছরের কম বয়সী শিশু।
৪ মিনিট আগে
হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক এবং গুরুতর বায়ুবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ। এই রোগের কারণে মারাত্মক স্বাস্থ্য জটিলতা এবং এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে। যখন কোনো আক্রান্ত ব্যক্তি শ্বাস নেয়, কাশে বা হাঁচি দেয় তখন এটি সহজেই ছড়িয়ে পড়ে।
১ ঘণ্টা আগে
দেশে সম্প্রতি অতি সংক্রামক রোগ হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১২ জেলায় এ রোগের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। এতে অন্তত চার ডজন শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। হাসপাতালগুলোতে কয়েক হাজার শিশু ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে।
৯ ঘণ্টা আগে
বিশ্বজুড়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মধ্যে একটি প্রচলিত ধারণা হলো—১৯৭০ সালের আগে জন্মগ্রহণকারী অধিকাংশ মানুষের শরীরে স্বাভাবিকভাবেই হাম-এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে। এই ধারণার পেছনে রয়েছে রোগটির ইতিহাস, সংক্রমণের ধরন এবং টিকাদান কর্মসূচির বিবর্তন।
১৩ ঘণ্টা আগে