
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু নিয়ে আরও ৩৯৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আর মারা গেছে চিকিৎসাধীন এক ডেঙ্গু রোগী।
আজ শনিবার (১৯ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরের শুরু থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৬ হাজার ৭৮৯ জন ডেঙ্গু রোগী। আর তাদের মধ্যে ৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ মৃত ব্যক্তি (৬০) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার একটি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর বাড়ি বরগুনায়।
নতুন রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশন বাদে) ১৬১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশন বাদে) ৩৮, রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে ৬৫, রাজধানীর বাইরে ঢাকা বিভাগে ৫৮, ময়মনসিংহে (সিটি করপোরেশন বাদে) ৬, খুলনায় ৯ এবং রাজশাহীতে ৫৭ জন ভর্তি হয়।
বর্তমানে সারা দেশে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ১ হাজার ২৩৯ জন। বাকি রোগীরা চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছে।
সরকারের তথ্য বলছে, চলতি মাসে ৬ হাজার ৪৯৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আর জুনে ভর্তি হয়েছিল ৫ হাজার ৯৫১ জন। এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১ হাজার ১৬১, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪, মার্চে ৩৩৬, এপ্রিলে ৭০১ এবং মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
চলতি মাসে ২০ জন চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ বছরের জানুয়ারিতে ১০, ফেব্রুয়ারিতে ৩, এপ্রিলে ৭, মে মাসে ৩ এবং জুনে ১৯ জন মারা যায়। মার্চ মাসে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামে আর অন্য চারটির হামের উপসর্গ নিয়ে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইবোলার একটি নির্দিষ্ট প্রজাতির বিরুদ্ধে কার্যকর টিকা প্রস্তুত হতে আরও নয় মাস পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। গতকাল বুধবার এ কথা জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উপদেষ্টা ড. ভাসি মূর্তি।
১৩ ঘণ্টা আগে
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (ডিআরসি) এবং উগান্ডায় ইবোলা ভাইরাসের নতুন ধরনের প্রাদুর্ভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে এই রোগের ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। যদিও বৈশ্বিক ঝুঁকি এখনো কম বলে মনে করছে সংস্থাটি।
১ দিন আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামে আর অন্য তিনটির হামের উপসর্গ নিয়ে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৮১ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৮০ জনের।
১ দিন আগে