নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারা দেশে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৪৪৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
তিনটি মৃত্যুই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকার হাসপাতালে হয়েছে। তাদের একজন সৈয়দপুর থেকে এসেছে। অন্য দুজন ডিএসসিসি এলাকার বাসিন্দা।
আজ মঙ্গলবার (২২ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় মোট ১২১ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটিতে ৪০ ও দক্ষিণ সিটিতে ৮১ জন।
ঢাকার বাইরে বরিশালে সবচেয়ে বেশি—১২৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগের অন্যান্য এলাকায় ৬৮, চট্টগ্রামে ৫১, খুলনায় ৩৩, রাজশাহীতে ২৯, ময়মনসিংহে আট, রংপুরে পাঁচ ও সিলেট বিভাগে দুজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়, চলতি মাসে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছে ২৩ জন, যা এ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। জুন মাসে মৃত্যু হয়েছিল ১৯ জনের। এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১০, ফেব্রুয়ারিতে তিন, এপ্রিলে সাত ও মে মাসে তিনজন মারা গেছে। মার্চ মাসে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
জুলাই মাসে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা দেখা গেছে। এ মাসে ২২ জুলাই পর্যন্ত ভর্তি হয়েছে ৭ হাজার ৭৩০ জন। জুনে ৫ হাজার ৯৫১, মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩, এপ্রিলে ৭০১, মার্চে ৩৩৬, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪ ও জানুয়ারিতে ১১৬১ জন রোগী ভর্তি হয়।
এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু হয়েছে ৬৫ জনের এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ২৬ জনে।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারা দেশে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৪৪৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
তিনটি মৃত্যুই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকার হাসপাতালে হয়েছে। তাদের একজন সৈয়দপুর থেকে এসেছে। অন্য দুজন ডিএসসিসি এলাকার বাসিন্দা।
আজ মঙ্গলবার (২২ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় মোট ১২১ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটিতে ৪০ ও দক্ষিণ সিটিতে ৮১ জন।
ঢাকার বাইরে বরিশালে সবচেয়ে বেশি—১২৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগের অন্যান্য এলাকায় ৬৮, চট্টগ্রামে ৫১, খুলনায় ৩৩, রাজশাহীতে ২৯, ময়মনসিংহে আট, রংপুরে পাঁচ ও সিলেট বিভাগে দুজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়, চলতি মাসে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছে ২৩ জন, যা এ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। জুন মাসে মৃত্যু হয়েছিল ১৯ জনের। এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১০, ফেব্রুয়ারিতে তিন, এপ্রিলে সাত ও মে মাসে তিনজন মারা গেছে। মার্চ মাসে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
জুলাই মাসে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা দেখা গেছে। এ মাসে ২২ জুলাই পর্যন্ত ভর্তি হয়েছে ৭ হাজার ৭৩০ জন। জুনে ৫ হাজার ৯৫১, মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩, এপ্রিলে ৭০১, মার্চে ৩৩৬, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪ ও জানুয়ারিতে ১১৬১ জন রোগী ভর্তি হয়।
এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু হয়েছে ৬৫ জনের এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ২৬ জনে।

তীব্র শীতের কারণে হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ বাড়ছে। রোগীদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু। আক্রান্তদের অধিকাংশই জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া, পেটের পীড়া ও নিউমোনিয়ায় ভুগছে। সরকারি হাসপাতালে শয্যার চেয়ে রোগী বেশি হওয়ায় বাধ্য হয়ে মেঝে ও বারান্দায় রেখে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
৬ ঘণ্টা আগে
সুইস খাদ্যপ্রতিষ্ঠান নেসলে ঘোষণা করেছে, তারা ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, ইতালি, সুইডেনসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ থেকে কিছু ব্যাচের শিশুখাদ্য ফর্মুলা প্রত্যাহার করছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশের বেসরকারি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবগুলোর কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফেরাতে জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ সোমবার জারি করা নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বা মেডিকেল অফিসারকে নিজ হাতে
১ দিন আগে
দেশে তিন সপ্তাহ ধরে তীব্র শীত চলছে। কিছু অঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা নেমে গেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। এই অবস্থায় সারা দেশে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বেড়েছে। হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত দুই মাসে প্রায় ১ লাখ বিভিন্ন বয়সের মানুষ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
২ দিন আগে