
কমলালেবুর স্বাদমিশ্রিত কোমল পানীয়ে ব্যবহারযোগ্য সোডার ভেতরের একটি উপাদান নিষিদ্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)। টক-মিষ্টি স্বাদের জন্য ব্রোমিনেটেড ভেজিটেবল অয়েল বা বিভিও নামের উপাদানটি ব্যবহার করা হয়।
ভারত, জাপান ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশ কিছু দেশে আগেই এই উপাদান নিষিদ্ধ করা হয়। এবার বিষাক্ততা পাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রও বিভিও নিষিদ্ধ করল।
সম্প্রতি টক্সিকোলজি বা বিষাক্ততার উপাদান নিয়ে গবেষণার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য এবং ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) বিভিওর নিবন্ধন প্রত্যাহার করেছে বলে সায়েন্স অ্যালার্টের এক প্রতিবেদনে তথ্য পাওয়া যায়।
কমলালেবুর স্বাদযুক্ত উপাদানগুলো যেন কোমল পানীয়তে ভেসে না থাকে, এ জন্য ১৯৩০ সাল থেকে ইমালসিফাইং এজেন্ট হিসেবে বিভিও ব্যবহার করা হচ্ছে। ট্রাইগ্লিসারাইডের সঙ্গে এক ডজন ব্রোমিন পরমাণু আটকে রাখলে ঘন তেল তৈরি হয়, যা কম ঘন চর্বির সঙ্গে মিশলে তরলজুড়ে সমানভাবে ভাসতে থাকে।
তবে বিভিন্ন প্রাণীর ওপর গবেষণা করে জানা যায়, বিভিও ধীরে ধীরে ফ্যাট টিস্যুতে তৈরি হতে পারে। আয়োডিনকে কাজ করতে বাধা দেয় ব্রোমিন। থাইরয়েডের অভ্যন্তরে থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে এই আয়োডিন। তাই বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এই উপাদানের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
ভারত, জাপান ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশ কিছু দেশে আগেই এই উপাদান নিষিদ্ধ করা হয়। গত অক্টোবরে এই উপাদান নিষিদ্ধের জন্য নতুন আইন করে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্য। ২০২৭ সাল থেকে আইনটি কার্যকর হবে।
যুক্তরাজ্যের ১৯৭০ সালের এক গবেষণায় দেখা যায়, ব্রোমিন মানুষের টিস্যুতে জমা হচ্ছে। সেই সঙ্গে প্রাণীদের ওপর গবেষণা থেকে জানা যায়, উচ্চমাত্রার বিভিও হৃদ্যন্ত্রেও আচরণগত সমস্যা সৃষ্টি করে।
বিভিন্ন গবেষণায় পাওয়া ফলাফলের পরও বহু সময় নিয়ে উপাদানটি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিল এফডিএ। যদিও পেপসি ও কোকা-কোলার মতো বিভিন্ন কোমল পানীয় কোম্পানি গত দশক থেকে এই উপাদান তাদের পণ্যে ব্যবহার বন্ধ করেছে।
এফডিএর হিউম্যান ফুড বিভাগের ডেপুটি কমিশনার জেমস জোনস বলেন, বিভিওকে প্রতিস্থাপন করতে কয়েক বছর থেকে বিভিন্ন কোমল পানীয় উৎপাদক কোম্পানি পণ্যের পুনর্গঠন করছে। এখনো যুক্তরাষ্ট্রের কিছু কোমল পানীয়তে এই উপাদান পাওয়া যাচ্ছে।
এই নিষেধাজ্ঞা ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপকে নির্দেশ করে। জোনস বলেছে, সংস্থাটি অন্য উপাদানের অনুমোদন নিয়ে পর্যালোচনা করছে। মানুষ ও প্রাণীর দেহে ক্যানসার সৃষ্টি করবে—এমন খাবারের রং ব্যবহারও বন্ধ করার চিন্তাভাবনা চলছে।
এফডিএর এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য বিভিও নিয়ে আরও বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। ২০২৪ সালে আগে এসব পরীক্ষা শেষ হওয়ার সম্ভাবনা কম। বিভিওর বিকল্প উপাদান এরই মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন কোমল পানীয়তে ব্যবহার করা হচ্ছে।

কমলালেবুর স্বাদমিশ্রিত কোমল পানীয়ে ব্যবহারযোগ্য সোডার ভেতরের একটি উপাদান নিষিদ্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)। টক-মিষ্টি স্বাদের জন্য ব্রোমিনেটেড ভেজিটেবল অয়েল বা বিভিও নামের উপাদানটি ব্যবহার করা হয়।
ভারত, জাপান ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশ কিছু দেশে আগেই এই উপাদান নিষিদ্ধ করা হয়। এবার বিষাক্ততা পাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রও বিভিও নিষিদ্ধ করল।
সম্প্রতি টক্সিকোলজি বা বিষাক্ততার উপাদান নিয়ে গবেষণার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য এবং ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) বিভিওর নিবন্ধন প্রত্যাহার করেছে বলে সায়েন্স অ্যালার্টের এক প্রতিবেদনে তথ্য পাওয়া যায়।
কমলালেবুর স্বাদযুক্ত উপাদানগুলো যেন কোমল পানীয়তে ভেসে না থাকে, এ জন্য ১৯৩০ সাল থেকে ইমালসিফাইং এজেন্ট হিসেবে বিভিও ব্যবহার করা হচ্ছে। ট্রাইগ্লিসারাইডের সঙ্গে এক ডজন ব্রোমিন পরমাণু আটকে রাখলে ঘন তেল তৈরি হয়, যা কম ঘন চর্বির সঙ্গে মিশলে তরলজুড়ে সমানভাবে ভাসতে থাকে।
তবে বিভিন্ন প্রাণীর ওপর গবেষণা করে জানা যায়, বিভিও ধীরে ধীরে ফ্যাট টিস্যুতে তৈরি হতে পারে। আয়োডিনকে কাজ করতে বাধা দেয় ব্রোমিন। থাইরয়েডের অভ্যন্তরে থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে এই আয়োডিন। তাই বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এই উপাদানের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
ভারত, জাপান ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশ কিছু দেশে আগেই এই উপাদান নিষিদ্ধ করা হয়। গত অক্টোবরে এই উপাদান নিষিদ্ধের জন্য নতুন আইন করে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্য। ২০২৭ সাল থেকে আইনটি কার্যকর হবে।
যুক্তরাজ্যের ১৯৭০ সালের এক গবেষণায় দেখা যায়, ব্রোমিন মানুষের টিস্যুতে জমা হচ্ছে। সেই সঙ্গে প্রাণীদের ওপর গবেষণা থেকে জানা যায়, উচ্চমাত্রার বিভিও হৃদ্যন্ত্রেও আচরণগত সমস্যা সৃষ্টি করে।
বিভিন্ন গবেষণায় পাওয়া ফলাফলের পরও বহু সময় নিয়ে উপাদানটি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিল এফডিএ। যদিও পেপসি ও কোকা-কোলার মতো বিভিন্ন কোমল পানীয় কোম্পানি গত দশক থেকে এই উপাদান তাদের পণ্যে ব্যবহার বন্ধ করেছে।
এফডিএর হিউম্যান ফুড বিভাগের ডেপুটি কমিশনার জেমস জোনস বলেন, বিভিওকে প্রতিস্থাপন করতে কয়েক বছর থেকে বিভিন্ন কোমল পানীয় উৎপাদক কোম্পানি পণ্যের পুনর্গঠন করছে। এখনো যুক্তরাষ্ট্রের কিছু কোমল পানীয়তে এই উপাদান পাওয়া যাচ্ছে।
এই নিষেধাজ্ঞা ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপকে নির্দেশ করে। জোনস বলেছে, সংস্থাটি অন্য উপাদানের অনুমোদন নিয়ে পর্যালোচনা করছে। মানুষ ও প্রাণীর দেহে ক্যানসার সৃষ্টি করবে—এমন খাবারের রং ব্যবহারও বন্ধ করার চিন্তাভাবনা চলছে।
এফডিএর এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য বিভিও নিয়ে আরও বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। ২০২৪ সালে আগে এসব পরীক্ষা শেষ হওয়ার সম্ভাবনা কম। বিভিওর বিকল্প উপাদান এরই মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন কোমল পানীয়তে ব্যবহার করা হচ্ছে।

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
৩ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৬ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৭ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৭ দিন আগে