সাগরের নীল জলরাশির দিকে তাকিয়ে হাতে হাত রেখে অযথাই দাঁড়িয়ে থাকা মিনিটের পর মিনিট কিংবা ঝুম বৃষ্টিতে জানালার কাচ ধুয়ে দেওয়া বৃষ্টির ছাটের সামনে এক মগ কফি বা গরম চা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা। তাও সময়ের কথা চিন্তা না করে। অথবা ছুটির দিনে বাসায় হইচই করে স্বাদ বিবেচনা না করে এক গাদা রান্নার চেষ্টা করা সবাই মিলে। ভাবছেন এগুলো আবার কী? এই বিপুল ব্যস্ততার যুগে এগুলো করার টাইম আছে নাকি?
জেনে রাখুন, এগুলো হলো সেই মুহূর্ত, যাকে আমরা কোয়ালিটি টাইম বলে জানি। প্রিয়জনের সঙ্গে, নিজের সঙ্গে কিংবা পরিবারের সবার সঙ্গে এ সময় কাটানো যায়, কাটাতে হয়। তাতে সম্পর্কগুলো তাজা থাকে অথবা নিজেকে ফিরে পাওয়া যায়।
শিশুদের সঙ্গে
শিশুদের সঙ্গে কোয়ালিটি টাইম মানে প্রচুর কথা বলা, খেলা। কিন্তু সেটা এমন কথা হবে, যেখানে সে তার মতামত জানাতে পারবে। আলোচনায় অংশ নিতে পারবে। সিদ্ধান্ত গ্রহণে অধিকার পাবে।
শিশুদের কথা বলতে দিন মনোযোগী শ্রোতা হয়ে।
যখন কথা শুনবেন, তখন মাঝে মাঝে আগের শব্দের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রাসঙ্গিক ছোট ছোট প্রশ্ন করুন, যাতে শিশুটি বোঝে যে আপনি খেয়াল করছেন।
এমন প্রশ্ন করুন, যেটা এক বাক্যে অথবা হ্যাঁ বা না-বাচক শব্দে মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। অর্থাৎ তাকে মন খুলে অনুভূতিগুলো বলার সুযোগ দিন।
শিশুরা যে রকম মাঝে মাঝে হাততালি দিয়ে ওঠে, শব্দ করে হেসে ওঠে বা বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করে, আপনিও সেটা অনুকরণ করুন।
রাতে ঘুমানোর সময় সব ডিভাইস দূরে সরিয়ে রেখে শিশুটিকে হয় গল্পের বই পড়ে শোনান, না হলে সারা দিন কী হলো তা দুজন দুজনের সঙ্গে শেয়ার করুন।
শিশুকে বুঝতে দিন যে তার প্রতিটি কথা আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখবেন, দৈনিক ২৪ ঘণ্টা সময় দিলেও অনেক সময় শিশুরা নিজেদের পরিত্যক্ত মনে করে। তার থেকে আধা ঘণ্টার কোয়ালিটি টাইম অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ শিশুর জন্য। প্রতিদিনের জন্য একটি নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করুন। সময়টিতে আপনারা হয় ফোনে অথবা সামনাসামনি কোয়ালিটি টাইম কাটান।
প্রিয় মানুষের সঙ্গে
আমরা সব থেকে কম কোয়ালিটি টাইম দিই জীবনসঙ্গীকে। কারণ বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই ধরে নিই, বিয়ে তো হয়েই গেছে আর যাবে কোথায়। ফলে বিয়ের আগে প্রথম দেখা করতে যাওয়ার, সুন্দর করে নিজেকে উপস্থাপন করার জায়গাটা থেকে নারী-পুরুষ উভয়েই বিয়ের পর অনেক দূরে সরে আসি। আবার ঘন ঘন দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে বলি, আহা ও কেন বদলাব? আমি নিজেও যে বদলে গেছি, সেই আয়নাটা নিজের চোখের সামনে আদতে আমরা ধরি না। একটু খেয়াল করে দেখুন, কোথায় কোথায় বদলেছেন প্রেমের দিনগুলো থেকে বর্তমান বিবাহিত দিনগুলোতে?
যা করবেন
বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে কোয়ালিটি টাইম
লেখক: চিকিৎসক ও সাইকোথেরাপি প্র্যাকটিশনার, ফিনিক্স ওয়েলনেস সেন্টার, ঢাকা

হার্ট অ্যাটাকের পর স্টেন্ট (রিং নামে বহুল পরিচিত) বসানো কিংবা বাইপাস সার্জারি করে বাড়ি ফিরলেই হৃদ্যন্ত্রের চিকিৎসার শেষ হয় না। এসব চিকিৎসাপদ্ধতির পরও আবার হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকসহ গুরুতর জটিলতার ঝুঁকি থাকে। এই ঝুঁকি কমাতে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার গুরুত্বপূর্ণ ওষুধগুলোর একটি হলো স্ট্যাটিন ধরনের ওষুধ।
১০ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশে মোট ২৩৩ জনের মৃত্যু হলো। মাসভিত্তিক হিসাবে জানুয়ারিতে ২, ফেব্রুয়ারিতে ২, মে মাসে ১, জুনে ১৩, জুলাইয়ে ৩৬, আগস্টে ৪৩ জন মারা গেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৪৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপরই রয়েছে সিলেট বিভাগ, যেখানে ১৭৬ জন মারা গেছে। এ ছাড়া অন্যান্য বিভাগের মধ্যে বরিশালে ৬০, চট্টগ্রামে ৮৩, খুলনায় ৪৪, ময়মনসিংহে ৭৯, রাজশাহীতে ৯৩ ও রংপুর বিভাগে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ৪২তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা ও মুগদা মেডিকেল কলেজের সহকারী রেজিস্ট্রার (নিউরোলজি) আঁচল রায়। আজ রোববার সকাল ৮টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৩০ বছর।
২ দিন আগে