
প্রেগনেন্সি বা গর্ভাবস্থায় বেশির ভাগ নারীই নানা ধরনের জটিলতার সম্মুখীন হন। এই জটিলতার কারণে নারীদের হৃদ্রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। গর্ভকালীন জটিলতা ও হৃদ্রোগের ঝুঁকির এই সম্পর্ক বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। এবার সুইডেনের কারোলিন্সকা ইনস্টিটিউটের একটি নতুন গবেষণা বলছে, গর্ভাবস্থায় জটিলতা ভোগ করা নারীদের বোনদেরও এই ঝুঁকি অনেক বেশি, যদিও তারা গর্ভকালীন কোনো জটিলতার সম্মুখীন হয়নি।
এই গবেষণার ফলাফল নির্দেশ করে যে জিনগত এবং পরিবেশগত উপাদানগুলো গর্ভাবস্থায় জটিলতা ও হৃদ্রোগের ঝুঁকির মধ্যে সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে।
যেসব নারীরা গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন সমস্যা বা জটিলতার সম্মুখীন হয়েছিলেন তাঁদের স্বাস্থ্যগত তথ্য বিশ্লেষণ এই গবেষণা করা হয়। পাশাপাশি এই নারীদের বোনদের স্বাস্থ্যও পর্যালোচনা করা হয়, যারা একই সময়ে সন্তান জন্ম দিয়েছিলেন, তবে তারা গর্ভাবস্থায় কোনো জটিলতায় সম্মুখীন হয়নি।
গবেষকেরা গর্ভাবস্থায় জটিলতা ভোগ করা নারীদের, তাঁদের বোনদের এবং একটি সম্পর্কহীন নিয়ন্ত্রণ গ্রুপের মধ্যে হৃদ্রোগের ঝুঁকি তুলনা করেছেন। গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, বোনদের মধ্যে হৃদ্রোগের ঝুঁকি প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি ছিল, যদিও তাঁদের গর্ভাবস্থা ছিল জটিলতামুক্ত।
গবেষণার প্রধান লেখক, ক্যারোলিন্সকা ইনস্টিটিউটের মেডিসিন বিভাগের ডক্টর অংগলা ম্যানটেল বলেন, ‘আমাদের গবেষণা ফলাফল দেখায় যে গর্ভাবস্থায় জটিলতা ভোগের পর হৃদ্রোগের ঝুঁকি শুধু গর্ভাবস্থার ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং এটি জিন এবং পরিবেশগত উপাদানগুলোর মাধ্যমে প্রভাবিত হতে পারে।’
এই গবেষণা ইঙ্গিত দেয় যে গর্ভাবস্থায় জটিলতা ভোগ করা নারীদের এবং তাঁদের বোনদের জন্য হৃদরোগ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ।
এই গবেষণা ইঙ্গিত দেয় যে, গর্ভাবস্থায় জটিলতা ভোগ করা নারীদের এবং তাঁদের বোনদের হৃদ্রোগের ঝুঁকি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রেগনেন্সি বা গর্ভাবস্থায় বেশির ভাগ নারীই নানা ধরনের জটিলতার সম্মুখীন হন। এই জটিলতার কারণে নারীদের হৃদ্রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। গর্ভকালীন জটিলতা ও হৃদ্রোগের ঝুঁকির এই সম্পর্ক বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। এবার সুইডেনের কারোলিন্সকা ইনস্টিটিউটের একটি নতুন গবেষণা বলছে, গর্ভাবস্থায় জটিলতা ভোগ করা নারীদের বোনদেরও এই ঝুঁকি অনেক বেশি, যদিও তারা গর্ভকালীন কোনো জটিলতার সম্মুখীন হয়নি।
এই গবেষণার ফলাফল নির্দেশ করে যে জিনগত এবং পরিবেশগত উপাদানগুলো গর্ভাবস্থায় জটিলতা ও হৃদ্রোগের ঝুঁকির মধ্যে সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে।
যেসব নারীরা গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন সমস্যা বা জটিলতার সম্মুখীন হয়েছিলেন তাঁদের স্বাস্থ্যগত তথ্য বিশ্লেষণ এই গবেষণা করা হয়। পাশাপাশি এই নারীদের বোনদের স্বাস্থ্যও পর্যালোচনা করা হয়, যারা একই সময়ে সন্তান জন্ম দিয়েছিলেন, তবে তারা গর্ভাবস্থায় কোনো জটিলতায় সম্মুখীন হয়নি।
গবেষকেরা গর্ভাবস্থায় জটিলতা ভোগ করা নারীদের, তাঁদের বোনদের এবং একটি সম্পর্কহীন নিয়ন্ত্রণ গ্রুপের মধ্যে হৃদ্রোগের ঝুঁকি তুলনা করেছেন। গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, বোনদের মধ্যে হৃদ্রোগের ঝুঁকি প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি ছিল, যদিও তাঁদের গর্ভাবস্থা ছিল জটিলতামুক্ত।
গবেষণার প্রধান লেখক, ক্যারোলিন্সকা ইনস্টিটিউটের মেডিসিন বিভাগের ডক্টর অংগলা ম্যানটেল বলেন, ‘আমাদের গবেষণা ফলাফল দেখায় যে গর্ভাবস্থায় জটিলতা ভোগের পর হৃদ্রোগের ঝুঁকি শুধু গর্ভাবস্থার ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং এটি জিন এবং পরিবেশগত উপাদানগুলোর মাধ্যমে প্রভাবিত হতে পারে।’
এই গবেষণা ইঙ্গিত দেয় যে গর্ভাবস্থায় জটিলতা ভোগ করা নারীদের এবং তাঁদের বোনদের জন্য হৃদরোগ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ।
এই গবেষণা ইঙ্গিত দেয় যে, গর্ভাবস্থায় জটিলতা ভোগ করা নারীদের এবং তাঁদের বোনদের হৃদ্রোগের ঝুঁকি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে, আর এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতি সহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা...
৪ দিন আগে
গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, গর্ভবতী নারীদের প্যারাসিটামল সেবন করা উচিত নয়, এতে ক্ষতি হয়। ট্রাম্প দাবি করেন, গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল সেবন নিরাপদ নয় এবং এতে শিশুদের অটিজম, এডিএইচডি বা বিকাশজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে। এই ওষুধ না গ্রহণের পক্ষে নারীদের ‘প্রাণপণে লড়াই’ করা উচিত।
৪ দিন আগে
নাক, কান ও গলা—অন্যান্য অঙ্গের মতো এই তিন অঙ্গ আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারিক জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শ্বাস নেওয়া, কথা বলা, শোনা কিংবা খাবার গ্রহণ—এসব অঙ্গের ওপর নির্ভরশীল। সামান্য অসচেতনতা কিংবা ভুল অভ্যাসের কারণে এগুলোতে জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগ দেখা দিতে পারে।
৪ দিন আগে
ওজন কমানোর নামে খাবার তালিকা থেকে শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া এখন একটা রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস বা রক্তে কোলেস্টরেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সবার আগে খাদ্যতালিকা থেকে কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া হয়।
৪ দিন আগে