পলিড্যাকটাইলি একটি জন্মগত রোগ। এই রোগে একটি শিশু এক বা একাধিক আঙুল নিয়ে জন্মায়। এটি একটি স্বাভাবিক ও সাধারণ রোগ। অতিরিক্ত আঙুলগুলো সাধারণত ছোট, অস্বাভাবিক ছোট এবং অস্বাভাবিকভাবে বিকশিত হয়।
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত আঙুলটি হাত বা পায়ের শেষ অর্থাৎ পঞ্চম আঙুলের পাশে থাকে। এই অস্বাভাবিকতা বংশপরম্পরায় হতে পারে। আবার পরিবেশগত প্রভাব কিংবা জিন মিউটেশনের ফলেও হতে পারে। পলিড্যাকটাইলির কারণে ডান হাত ও বাঁ পা সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়। পুরুষের ক্ষেত্রে এই রোগে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা নারীদের তুলনায় দ্বিগুণ বলা চলে। পায়ের চেয়ে হাতে পলিড্যাকটাইলি বেশি প্রভাব ফেলে।
সাধারণত এক হাজার নবজাতকের মধ্যে একজন পলিড্যাকটাইলিতে আক্রান্ত হয়। এর ফলে গঠিত অতিরিক্ত আঙুলটির গঠন ও কার্যক্ষমতা সম্পূর্ণ হতে পারে। আবার কখনো আংশিক গঠনও দেখা যায়। অনেক সময় অতিরিক্ত আঙুলটির কোনো সঠিক গঠন না হয়ে সেটি নরম কোষ হিসেবেও উপস্থিত থাকে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পলিড্যাকটাইলি অন্য কোনো অস্বাভাবিকতা সৃষ্টি করে না। অতিরিক্ত আঙুলটি কখনো হাত বা পায়ের বাইরের দিকে থাকতে পারে। এই ধরনের পলিড্যাকটাইলি বেশি দেখা যায়। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে আঙুলের উপস্থিতি হাত বা পায়ের অন্যান্য আঙুলের মাঝখানে দেখা যায়। এই ধরনের পলিড্যাকটাইলি বিরল।
পলিড্যাকটাইলির অস্বাভাবিকতা এ ক্ষেত্রে অন্যান্য জিনগত রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যেমন ডাউন সিনড্রোম বা কারপেন্টার সিনড্রোমের মতো বেশ কয়েকটি রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে পলিড্যাকটাইলি। এই রোগের কারণ পলিড্যাকটাইলির কারণ হিসেবে ছয়টি জিন এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়েছে, যাদের মিউটেশনের ফলে এই অস্বাভাবিকতা সৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া যেসব কারণে রোগটি হতে পারে—
চিকিৎসা
পলিড্যাকটাইলি রোগের সাধারণ চিকিৎসা হলো অতিরিক্ত আঙুল অপসারণ করা। এটি শিশুর বয়স এক থেকে দুই বছরের মধ্যে হয়। বাড়তি আঙুল স্বাভাবিক কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ালে এটি অপসারণ করা হয়। অস্ত্রোপচারের ১০ দিনের মধ্যে সেলাই কাটা হয়। এর পর থেকেই রোগী স্বাভাবিক হয়ে যায়। হাড়, জয়েন্টের গঠনসহ একাধিক আঙুলের অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে শিশুর বয়স দুই বছর বা কিছু ক্ষেত্রে পাঁচ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ রোগে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনীয়তা নেই; বরং অতিরিক্ত আঙুল অপসারণে ব্যর্থতা বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।
অধ্যাপক ডা. আমজাদ হোসেন
অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন, চিফ কনসালট্যান্ট, অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগ, ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ধানমন্ডি, ঢাকা।

হামের পাশাপাশি দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমশ আশঙ্কাজনক রূপ নিচ্ছে। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৭৫৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যা চলতি বছরে এক দিনে সংক্রমণের নতুন রেকর্ড..
৪ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গে মৃত্যু বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও আটজনের। এর মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে সিলেট বিভাগে। এ নিয়ে চলতি বছরে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াল ৯৪৪ জনে। তবে এই সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।
৫ ঘণ্টা আগে
দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত এক দিনে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১৬৪ জন হলো। একই সময়ে সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৫৯৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৫৫ হাজার ছাড়িয়েছে।
১ দিন আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকাতেই চারজন মারা গেছে। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ৩১৬ জন রোগী এসেছে। বিভাগভিত্তিক হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ৪৮৪ জন, রাজশাহীতে ৩০, সিলেটে ১৯৭, চট্টগ্রামে ২৮১, বরিশালে ১২৫, ময়মনসিংহে ৮২, খুলনায় ৯৮ এবং রংপুরে ১৯ জনকে
১ দিন আগে